প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ১১, ২০২৬, ৪:১৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুলাই ৩, ২০২৬, ৯:২২ পি.এম
“আমার সৈনিক কন্যা জেলখানায়ও টিকে থাকতে পারবে
“আমার সৈনিক কন্যা জেলখানায়ও টিকে থাকতে পারবে। সবার দোয়া চাচ্ছি - ওযেন ন্যায়বিচার পায়। যারা অন্যায় করেনা তাদের মনোবল শক্ত থাকে। আমি নিজেও অসহায় মানুষের সাহায্যের চেষ্টা করেছি। আমার সন্তান মৌসুমীর দ্রুত মুক্তি কামনা করছি।”
মেজর মৌসুমির মা হিসেবে লিখছি। আমার প্রথম সন্তান সে। আমার সমস্ত নীতি ও আদর্শ দিয়ে ওকে লালন করেছি। শান্ত, ভদ্র, বিনয়ী ছেলেবেলা থেকেই। প্রখর মেধা সম্পন্ন হওয়ায় দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল তেতুলিয়া থেকে ঢাকার হলিক্রস কলেজে পড়বার সুযোগ পায় এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া কালীন সময় সেনাবাহিনী তে নারী অফিসার নিয়োগের সার্কুলার আসে এবং সে এপ্লাই করে। ৪০ হাজার প্রতিযোগী থেকে বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে ফাইনাল ৩০ জন সিলেকশন পায় যার মধ্যে মৌসুমি একজন। পঞ্চগড় জেলার প্রথম নারী কমিশন্ড অফিসার।
মাঝের ইতিহাস সবার জানা। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ছেলের জন্মের পর ও স্বেচ্ছায় অবসর নেয়। রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম - বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা। ছোট বড় সবার সাথে সখ্যতা গড়া যেকোনো সমস্যা সহজে ম্যানেজ করা প্রচন্ড মানবিক ও মানসিক শক্তিতে পরিপূর্ণ।
আমি মা হিসেবে চ্যালেঞ্জ করছি - পঞ্চগড় এর একজন মানুষও ওর আচরণ সম্পর্কে নেগেটিভ কিছু বলবেনা। পুরনো অভ্যাস বশত: নিজ ঘরের ভিতরে কেক কেটেছে। হ্যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে ঠিক হয়নাই। তো???
এত এত মানুষ ওর মুক্তি চেয়ে পোষ্ট করছে ফেস বুকে। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সে আত্মসমর্পণ করে আমরা পরিবার অপেক্ষা করবো ন্যায্যতা নিয়ে ও আমাদের মাঝে ফিরে আসবে।
রাজনৈতিক শিষ্টাচার বলে একটা কথা আছে। আমি ৫ বছর সংসদ সদস্য এর দায়িত্বে ছিলাম। আমি কোন দলীয় ভেদাভেদ দেখিনি। তাইতো আমাদের এলাকার অহংকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার আমাকে প্রায়ই বিভিন্ন কাজের জন্য ফোন করতেন এবং এম পি হিসেবে ওনার কাজ করতে অনেক তৃপ্তি পেতাম। আমার প্রথম রিলিফ আমি ওনার মা এর নামে ভজনপুরের মাদ্রাসায় বাচ্চাদের সোয়েটার দিয়েছিলাম এবং পরদিন উনি আমাকে ফোন করে ধন্যবাদ দিয়েছিলেন। আমার একমাত্র ছেলের বিয়েতে ওনাকে ফোনে দাওয়াত দেই। উনি এসেছিলেন এবং নব দম্পতি কে আশীর্বাদ করে ছিলেন।
আমার সৈনিক কন্যা জেলখানায়ও টিকে থাকতে পারবে। সবার দোয়া চাচ্ছি - ওযেন ন্যায়বিচার পায়। যারা অন্যায় করেনা তাদের মনোবল শক্ত থাকে। আমি নিজেও অসহায় মানুষের সাহায্যের চেষ্টা করেছি। আমার সন্তান মৌসুমীর দ্রুত মুক্তি কামনা করছি।
আমি স্যারের সাথে আমি চাকরি করেছি স্যারের প্রথম ইউনিট ছিল ৫০৩ ডিওসি, চট্টগ্রাম সেনানিবাসে। খুব নম্র, ভদ্র মার্জিত মনের একজন অফিসার ছিলেন সর্বময় মঙ্গল কামনা করছি এবং সেই সাথে মুক্তি ও কামনা করছি।
আমরা দোয়া করি আল্লাহ যেন ওনাকে চইসালামতে আমাদের মাজে পিরিয়ে দেয় আসলে উনি কোনো অপরাধ করেনি তাই আমরা ওনার মুক্তির জন্য দাবি করি আশা করি সরকার বিবেচনা করবে আশা করি সত্যেত জয় একদিন হবে জয় বাংলা
- বাঙলী জনগণ এখন আওয়ামী লীগের পেইজ ফলো করছে। আওয়ামী লীগ ছাড়া যেনো তাদের চলেই না।
আওয়ামী লীগের খবর বিদেশি গণমাধ্যমে ও আওয়ামী লীগের পক্ষের জনগণের অনেক পেইজে প্রচার হয়।আওয়ামী লীগ যেহেতু প্রতিটি ঘরে ঘরে আছে, খবর পাওয়া বাকি থাকবে না। ১৯৭১ সালেও সারা দেশে দূত সময়ে সারাদেশে স্বাধীনতার ঘোষণা পৌঁছে গিয়েছিলো।রেডিও বার্তা লাগেনি আর সবার কাছে রেডিওর বার্তা পৌছানো সম্ভব ছিলো না। কারণ সবার কাছে রেডিও ছিলো না। সংগঠনের লোকজনই সারাদেশে স্বাধীনতা বার্তা পৌঁছে দিয়েছিলো।
সম্পাদক ও প্রকাশক : এম জি কিবরিয়া চৌধুরী
দৈনিক বাংলাদেশ অর্থনীতি ৮৫, নয়াপল্টন (৪র্থ তলা) ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১২-৭১৪৪৯৩, ০১৫৩৪-৬৪৬১৪১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত