ফাঁস হওয়া অডিওতে দুই ব্যক্তির কথোপকথন শোনা যায়। এর মধ্যে একজন আরমান উদ্দিন বলে অনেকেই দাবি করলেও অন্য ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কথোপকথনের একপর্যায়ে অপর ব্যক্তি বলেন, বাদশা খালেদের মতো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে থাকবো। এর জবাবে আরমান উদ্দিন বলে পরিচিত ব্যক্তি বলেন, এসব করলে পুলিশ আসবে, আর্মি আসবে, এমপি আসবে।
অডিওতে একজন সংসদ সদস্যকে লক্ষ্য করে হামলার পরিকল্পনার ইঙ্গিত এবং সেখানে তার ব্যক্তিগত সহকারীর কথিত সম্পৃক্ততার অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ ও কৌতূহল দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় কয়েকটি সূত্রের দাবি, অডিওতে শোনা অপর ব্যক্তি লোহাগাড়া এলাকায় বালু উত্তোলন ও পাহাড় কাটার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রভাবশালী একটি মহলের ঘনিষ্ঠজন হতে পারেন। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আরমান উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘চৌধুরী সাহেবকে কেন গুলি করতে যাব? আগে আমাকে অডিওটি দেন, তারপর আমি বিষয়টি বলব।’ পরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।ৎ
চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, ‘ফাঁস হওয়া অডিওর বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অডিওর সত্যতা, উৎস এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তবে অডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।