আজ শনিবার বিকেলে আটক দুজনকে নেত্রকোনা আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহ উদ্দিন করিম।
কারাগারে পাঠানো ব্যক্তিরা হলেন মদন উপজেলার দেওসহিলা গ্রামের আবু কালামের ছেলে মাসুম মিয়া (২৮) ও একই গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে আকারুল্লাহ (২৪)।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, রফিকুল ইসলাম চৌধুরী একজন ওএমএস ডিলার। তাঁর গুদামে থাকা সরকারি চাল কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে দুটি ট্রলিতে করে ফতেপুর বাজার থেকে অন্যত্র নেওয়া হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সকালে অভিযান চালায় পুলিশ।
এ সময় খাদ্য অধিদপ্তরের লোগো ও লেখা সংবলিত ১৩৫টি খালি পাটের বস্তা এবং চাল পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি সবুজ রঙের ট্রলিও জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় সরকারি চাল কালোবাজারির উদ্দেশ্যে মজুত, পরিবহন ও পাচারের চেষ্টার অভিযোগে আটক দুজনসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫ (১) ও ২৫ (ডি) ধারায় মামলা করা হয়েছে।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহ উদ্দিন করিম বলেন, আটক দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে মামলা করা হয়েছে। আটক দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : এম জি কিবরিয়া চৌধুরী
দৈনিক বাংলাদেশ অর্থনীতি ৮৫, নয়াপল্টন (৪র্থ তলা) ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১২-৭১৪৪৯৩, ০১৫৩৪-৬৪৬১৪১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত