প্রিন্ট এর তারিখঃ অগাস্ট ২৫, ২০২৬, ৮:৪৬ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুলাই ২৫, ২০২৬, ৩:১৬ পি.এম
কবি মোহন রায়হান
আশি বা নব্বইয়ের দশকে মোহন রায়হানের সামনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, টিএসসি, বাংলা একাডেমি বা শাহবাগে এভাবে দাঁড়ানোর সাহস কারও ছিল কি?
জাসদের ইনু গ্রুপ থেকে বেরিয়ে শিরীন আখতারকে সাধারণ সম্পাদক করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আরেকটি নতুন জাসদ গঠন হয়। শরীফ নুরুল আম্বিয়া ও নাজমুল হক প্রধানদের সেই জাসদে যান মোহন রায়হান । জাসদের এই অংশটি আ স ম আবদুর রবের অংশের মতো জুলাই আন্দোলনেও ছিল। তারপর ইউনূসের জমানায় কেউই নিজেদের অবস্থান থেকে কোন অন্যায়ের বিরুদ্ধে সরব হননি। মুখ খোলেননি।
সেই সব রাজনীতির কথা পরে বলবো। আলোচনা মোহন রায়হানকে নিয়ে। ভোটের আগে কবি মোহন রায়হান এখনকার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেও বাংলা একাডেমি পদক ঝামেলা কাটাতে পারেননি সম্মানের সঙ্গে।
এখন কি হলো ? বাংলা একাডেমিতে কবিতা পাঠ করতে গিয়ে যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হলো, তা সত্যিই বেদনাদায়ক। অভিযোগ অনুযায়ী, জাতীয় নাগরিক পার্টির শ্রমিক সংগঠন ‘শ্রমিক শক্তি’র কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আহমেদ ইসহাক তাঁর হাত থেকে মাইক কেড়ে নেন। নাজেহাল করেন।
আহা, মোহন ভাই! অবসর নিন এবার। সাওল হার্ট সেন্টার সময় দিন। জাতীয় কবিতা পরিষদ এবং সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। সেই সব দিন স্মরণ করুন। এখন এই বয়সে নিজেকে আর কত ছোট করবেন? মনে আছে কি আপনি লিখেছিলেন, “কবি কাপুরুষ হলে পৃথিবীতে নামে অন্ধকার”।
Naem Nizam's Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : এম জি কিবরিয়া চৌধুরী
দৈনিক বাংলাদেশ অর্থনীতি ৮৫, নয়াপল্টন (৪র্থ তলা) ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১২-৭১৪৪৯৩, ০১৫৩৪-৬৪৬১৪১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত