রোববার (৯ আগস্ট) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের এক বৈঠকে অলি আহমদকে প্রার্থী করার এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিরোধীদলীয় এই চিফ হুইপ আরও বলেন, ‘বিএনপি যদি সংস্কারের পথে অগ্রসর হতো, তবে সরকারি ও বিরোধী দল মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে রাষ্ট্রপতি পদে একক প্রার্থী দেওয়া সম্ভব ছিল। কিন্তু তারা সেই পথ পরিহার করায় ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে আলাদাভাবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হতে হলে একজন সংসদ সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজন সংসদ সদস্যকে সমর্থক হিসেবে প্রয়োজন হয়।
জাতীয় সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় তাদের প্রার্থীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এর আগে জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছিল যে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার বাস্তবতায় তারা প্রার্থী দেবে না। তবে রাষ্ট্র সংস্কার ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে মতপার্থক্যের কারণে শেষ মুহূর্তে ১১ দলীয় জোট তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে অলি আহমদকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামিয়েছে।