প্রিন্ট এর তারিখঃ অগাস্ট ২৫, ২০২৬, ১১:০১ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুলাই ৩১, ২০২৬, ৭:২০ পি.এম
কেন ইউনূস সরকারের তদন্ত জরুরি
অনলাইন শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন সম্প্রতি বলেছেন, বিএনপিকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ছিল। গত মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ন্যায়ভিত্তিক বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে বিভাজন নয়, ঐক্য শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি একথা কথা বলেন।
রাশেদ খাঁন দাবি করেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচন না দিয়ে ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছিলেন। তাঁর ভাষ্য, আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে বিলীন হয়ে যাওয়ার পর বিএনপিকেও রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিয়ে জামায়াত ও এনসিপিকে ক্ষমতায় আনার পরিকল্পনা ছিল।
এর আগে গত জুনে জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেছিলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, অর্থ পাচার ও ব্যাংক খাতের অনিয়মের পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কর্মকাণ্ডও দুদকের মাধ্যমে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার দুর্নীতির অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) দায়িত্ব দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতায় বিশ্বাসী। তাই অতীতের মতো অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার সব কর্মকাণ্ডও তদন্তের আওতায় আনা উচিত। ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ে সরকারের নীতিনির্ধারকদের পক্ষ থেকে যখন এ ধরনের অভিযোগ তোলা হয়, তখন যুক্তিসংগতভাবেই অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের শাসনামলের নিরপেক্ষ এবং বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত হওয়া জরুরি। কারণ, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের অন্যতম রাজনৈতিক অঙ্গীকার হলো, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।
এ জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার জন্য ইউনূস সরকারের আমলে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা দরকার। দেড় বছরের শাসনকালে ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের অপকর্ম এবং অপশাসনের ক্ষতচিহ্ন এখন সর্বত্র। রাজনীতি থেকে অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি থেকে শুরু করে দেশরক্ষার কৌশল, আইন- বিচার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, কোথায় নেই ইউনূসের অপশাসনের কালো ছায়া?গভীরভাবে ইউনূসের শাসন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ইউনূস এবং তাঁর সহযোগীরা যেন দেশ ধ্বংসের এক মহোৎসবে মেতেছিলেন। লুটেরা দুর্বৃত্ত ডাকাতদল যেমন একটি গ্রামে আগুন ধরিয়ে লুটপাট করে, ইউনূস গং দেড় বছরে বাংলাদেশের মাটিতে ঠিক তেমনটিই করেছেন।
অন্তর্বর্তী সরকার, কোথায় দুর্নীতি করেনি? বিচারক নিয়োগ থেকে সরকারি কর্মকর্তাদের পদায়নে দেড় বছরে সীমাহীন দুর্নীতি হয়েছে।
শিশুদের হামের টিকা থেকে পুলিশের পোশাক কেলেঙ্কারি, সর্বত্র ইউনূস সরকারের দুর্নীতির চিত্র স্পষ্ট। এসব দুর্নীতি, অনিয়ম এবং স্বেচ্ছাচারিতা যেন রাষ্ট্র পরিচালনার নতুন সংজ্ঞা আমাদের সামনে হাজির করেছে। ক্ষমতায় যাওয়া মানেই দুর্নীতির লাইসেন্স পাওয়া। ক্ষমতায় যাও, দুর্নীতি কর, দেশ বেচে দাও, বিদেশে টাকা পাচার করো- তারপর জাতির বিবেক হয়ে জনগণকে জ্ঞান দাও- এটাই ছিল ইউনূস সরকারের মূলমন্ত্র। যেকোনো দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও আইনের শাসনের জন্য এটা রীতিমতো চ্যালেঞ্জ। ইউনূস সরকার কেবল সীমাহীন দুর্নীতি এবং লুটপাট করেনি রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। রাষ্ট্র পরিচালনার আইনকানুন, রীতিনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে। আর এ কারণেই ইউনূস শাসনের দেড় বছরের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার একটি মৌলিক নীতি হলো, প্রতিটি অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা। একজন অপরাধী, দুর্নীতিবাজের একমাত্র পরিচয় হলো, তিনি অপরাধী। বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকারের অংশ সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে আইনের দৃষ্টিতে সব নাগরিকের সমান অধিকার। আইনের এই সাম্যতার নীতি তখনই কার্যকর হবে যখন, ড. ইউনূস এবং তাঁর উপদেষ্টাদের মতো হোয়াইট কলার ক্রিমিনালরা আইনের আওতায় আসবে।
একটি সরকার যেভাবেই দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করুক না কেন, তারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। কারণ, জনগণই প্রজাতন্ত্রের মালিক। নির্বাচিত সরকারের জবাবদিহিতা ও দায়বদ্ধতার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি রয়েছে। সংসদীয় পদ্ধতির সরকারে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হয় সরকার। সংসদ হয় জবাবদিহিতার জায়গা। সংসদে বিরোধী দল এবং স্বাধীন গণমাধ্যম সরকারের সব কার্যক্রম নজরে রাখে। যখন সরকার কোনো জনবিরোধী কাজ করে তখন বিরোধী দল সংসদে কিংবা সংসদের বাইরে সেটা তুলে ধরে। গণমাধ্যম সহজেই নির্বাচিত সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরতে পারে। এভাবেই একটি নির্বাচিত সরকারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়। কিন্তু অনির্বাচিত সরকারের ক্ষেত্রে জবাবদিহিতার সুযোগ থাকে না। অনির্বাচিত সরকারের সময় সংসদ থাকে না, কিংবা থাকলেও সেখানে বিরোধী দল থাকে প্রায় অস্তিত্বহীন। সংসদের বাইরে বিরোধী দলের কণ্ঠ রোধ করে রাখা হয়। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করা হয়। তবে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির। একটি গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে এই সরকার ক্ষমতায় আসীন হয়েছিল। তাই এ সরকার জনগণের নির্বাচিত ছিল না বটে কিন্তু তারা জোর করে ক্ষমতা দখল করেনি। তারা জবর দখলকারী সরকার হিসেবে বিবেচিত হবে না। বরং জনগণের অভিপ্রায় অনুযায়ী, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করেছিল। আরও সহজ করে জনগণের আকাক্সক্ষার ফসল ছিল বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকার। তাই, অন্য অনির্বাচিত সরকারের চেয়ে এই অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ আলাদা। অনির্বাচিত সরকারগুলো তাই যেমন জবাবদিহিতার তোয়াক্কা করে না, কিংবা জবাবদিহিতা করতে অপছন্দ করে, এ সরকারের বেলায় তেমনটি হওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না, জনগণই সরকারকে যেহেতু ক্ষমতায় বসিয়েছে, কাজেই ড. ইউনূসের সরকারের জনগণের কাছে জবাবদিহিতার নৈতিক বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু ১৮ মাসে অন্তর্বর্তী সরকারের অনেক কার্যক্রম, চুক্তি এবং সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অনেক উপদেষ্টার বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। কিন্তু সরকার এসব অভিযোগ আমলে নেয়নি। এ ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো জবাবদিহিতাও ছিল না গত ১৮ মাস। ড. ইউনূস সরকার জনআন্দোলনের ফসল হলেও এ সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতে ভয় পেত গণমাধ্যম। সরকারের সমালোচনা করলেই নানারকম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হতো। সোশ্যাল মিডিয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা হয়েছে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু এসব সমালোচনার জবাব দেওয়া হয়নি অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে। নাগরিক সমাজ এক বছর পর থেকে সরকারের বিভিন্ন নীতি ও সিদ্ধান্তের সমালোচনা করা শুরু করেছিল বটে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের একটি অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য ছিল সব সমালোচনা উপেক্ষা করা। সরকার সুশীল সমাজের সমালোচনাগুলোর কোনো জবাব দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেনি। ফলে, ১৮ মাস মেয়াদি অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ থাকলেও তার কতটুকু সত্য আর কতটা মিথ্যা- তা যাচাই করা প্রয়োজন। দেশের স্বার্থে এটা জরুরি। কারণ তারা জনগণের করের টাকা বেতন ও বিভিন্ন সুযোগসুবিধা নিয়েছেন। তাদের কাজের মূল্যায়ন জনগণের স্বার্থে দরকার। প্রধান উপদেষ্টাসহ একাধিক উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ সুযোগসুবিধা গ্রহণের অভিযোগ রয়েছ। এসব অভিযোগ কতটা সত্য তা যাচাই করা দরকার। ড. ইউনূস তাঁর এবং তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য কর মওকুফসহ বিভিন্ন সুযোগসুবিধা নিয়েছেন, তার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা উচিত। গত ১৮ মাসে একাধিক উপদেষ্টা এবং তাদের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, অন্তত ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত করছে বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে তিনজন সাবেক উপদেষ্টাদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগগুলোর তদন্ত থমকে আছে। এসব দুর্নীতির তদন্ত দ্রুত জনস্বার্থে শেষ করা উচিত। এ ধরনের অভিযোগ জিইয়ে রেখে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জয়ী হওয়া যাবে না। এ ছাড়াও সদ?্য বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের অনেক উপদেষ্টার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। একজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তিনি পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রীর সম্পদ দেখভাল করছেন এবং সেসব বিক্রি করতে সহায়তা করেছেন। স্বচ্ছতার স্বার্থে এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করা উচিত। কারণ, অন্তর্বর্তী সরকারে যারা ছিলেন, তারা সবাই সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তাদের জন্য এবং সুশীল সমাজ সম্পর্কে জনগণের মূল্যায়ন নির্মোহ রাখার জন্য একটি তদন্ত করা প্রয়োজন। অন্তর্বর্তী সরকার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সম্পাদন করেছে তাদের মেয়াদে। এসব চুক্তি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। বিগত অন্তর্বর্তী সরকার বিদেশের সঙ্গে যেসব জানা-অজানা চুক্তি করেছে, সেগুলো খতিয়ে দেখতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের পরিকল্পনার সঙ্গে সেসব সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, সেটা যাচাই করা দরকার। এমনকি প্রয়োজনে বাদ দেওয়ার পরামর্শও দেন তিনি। অনেকেই কয়েকটি চুক্তি দেশের স্বার্থবিরোধী বলেও মন্তব্য করেছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের এ ধরনের চুক্তি করার এখতিয়ার আছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখতে হবে। এসব তদন্ত ড. ইউনূস কিংবা তাঁর সুশীল উপদেষ্টাদের চরিত্র হননের জন্য নয়, বরং দেশের স্বার্থে করা দরকার। কারণ আমাদের মনে রাখতে হবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত আবারও নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে এনেছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন (১৪তম) তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে। অন্তর্বর্তী সরকারও একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আদলেই গঠিত হয়েছিল। তাই অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতা দায়িত্ব এবং ত্রুটি বিচ্যুতি থেকে আগামীর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপকাঠামো তৈরি করা যায়। ড. ইউনূস সরকার কোন কোন ক্ষেত্রে ভুল করেছে, সীমা অতিক্রম করেছে তা খতিয়ে দেখা দরকার। যেন আগামীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের সময় এসব বিষয়ে নজর দেওয়া যায়। আমাদের দেশে এখন থেকে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব পালন করবে। তাই ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের একটি নির্মোহ ময়নাতদন্ত করা উচিত। এটি শুধু বিদায়ি সরকারের জবাবদিহিতার বিষয় নয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সীমারেখা সুনির্দিষ্ট করার জন্য জরুরি। আগামীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসে যেন সীমা লঙ্ঘন করতে না পারে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে যেন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ না ওঠে সেজন্য একটি রূপরেখা প্রণয়ন করার জন্য ইউনূস সরকারের ওপর কমিশন গঠন করা উচিত। অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কর্মকাণ্ড তদন্ত হলে ড. ইউনূস এবং তাঁর উপদেষ্টাদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
লেখক ও নাট্যকার অদিতি করিম
auditekarim
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : এম জি কিবরিয়া চৌধুরী
দৈনিক বাংলাদেশ অর্থনীতি ৮৫, নয়াপল্টন (৪র্থ তলা) ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১২-৭১৪৪৯৩, ০১৫৩৪-৬৪৬১৪১