প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ১১, ২০২৬, ৯:৪৩ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ১১, ২০২৬, ১১:১৪ পি.এম
তরুণ নেতৃত্বের বিষয়ে আমি সর্বদাই উৎসাহী।শেখ হাসিনা
আওয়ামী লীগের কেন্দ্র থেকে তৃণমূল,আন্তর্জাতিক থেকে জাতীয়, আন্তর্জাতিক লেভেলের অনলাইন যোদ্ধা থেকে ছোটখাটো ফেইসবুক ব্যবহারকারী পর্যন্ত নিজেরা নিজেদের দলের যে পরিমাণ সমালোচনা করেন সেই পরিমাণ সমালোচনা আমাদের ক্ষতিকারক ইউনুস গং ,জামাত ইসলাম এবং আমাদের বিরোধী রাজনৈতিক দল নিয়ে করে সবাই আওয়ামী লীগের পতাকা তলে ঐক্যবদ্ধভাবে থাকলে খুব দ্রুত আওয়ামী লীগ ক্ষমতা ফিরে পাবে, নতুবা সময়টা আর একটু দেরি হবে। আপনারা দলের ক্ষতি চান, নাকি দল দ্রুত ক্ষমতায় আসা চান, আপনাদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
আমাদের তরুণ প্রজন্মের অনেকের চাওয়া পাওয়ার হিসাব নিকাশ রয়েছে এজন্য অনেকের মনে আঘাত, সেই আঘাত আমাদের মত হাজারো তরুণের।
তবে এইটুকু বিশ্বাস রাখেন আগামীতে ৭০% নতুন নেতৃত্ব আসতেছে। ভবিষ্যতে আপনারাই পাবেন তবুও দলের একজনের বিরুদ্ধে একজন সমালোচনা করবেন না। কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের কেউ কারো বিরুদ্ধে সমালোচনা করতে দেখেছেন?না, করেন নাই!কারণ তারা দলের চেইন অব কমান্ড মানেন। কিন্তু আমরা তাদের কর্মীর কর্মীরা সমালোচনা করে লেখি । নিজ দলকে এটাক করে সময় নষ্ট করা আর দলের ক্ষতি করা ছাড়া আর কিছুই না।
পারলে ফেইসবুকে লেখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিভাবে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী কিভাবে স্বাধীন বাংলায় উন্নত দেশের মতো প্রথম মেট্রোরেল করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিভাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নদীর তলদেশে উন্নত দেশের মত কর্ণফুলী টানেল করেছেন।
পারলে লিখেন প্রধানমন্ত্রী কিভাবে ওয়ান ওয়ে মহাসড়ক কে ফোরলেন মহাসড়ক, আটলেন মহাসড়ক, দশলেন মহাসড়ক করেছেন।
পারলে লিখেন ছোট বড় এক হাজারের উপর সেতু করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী কিভাবে এলিভেটেড এক্সপ্রেস ও ডজনে ডজনে ফ্লাইওভার নির্মাণ করেছেন।
নিজেদের বিরুদ্ধে নিজেরা না লিখে নিজেদের দলের উন্নয়ন প্রচার করেন এবং শত্রুপক্ষদের নিয়ে লিখেন। তাহলে রাজনীতিতে মার্ক বেশি পাবেন।
২০১৮ সালের একবার ছাত্রদের ভিতর রাজনীতি ঢুকে গিয়ে আরেকটি আন্দোলন নিয়ে আমাদের আওয়ামী লীগ সরকারের প্রায় পতন হবার দিকে এগিয়ে গিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আমি সহ আমরা অনেকে সেদিন আহত হয়েছিলাম, সেই কথা আমরা ভুলে গিয়েছি। পারলে ২০১৮ সালে আমাদের পতন ঠেকিয়ে কিভাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাকে ধরিয়ে রেখেছিল সেটা লিখেন।
সাংবাদিকগন দলের সমালোচনা করে লিখবেন এটাই স্বাভাবিক। সাংবাদিক কোন দলের ভুল ত্রুটি ধরিয়ে দিবেন এবং লিখবেন। যে সকল সাংবাদিক দলের ভালো চান তারা অবশ্যই লিখেন, হয়তোবা আওয়ামী লীগের মঙ্গলের জন্য লিখেছেন।
কিন্তু তাই বলে আমরা নিজ দলের কর্মীরা নিজেদের ভিতরে লেখার জোয়ার তৈরি করার প্রতিযোগিতা তৈরি করেছি।
কেউ ভুল ত্রুটির উর্ধ্বে নয়। ভুল হয়েছে বিধায় আমাদের পতন হয়েছে। কিন্তু কিভাবে সংশোধন করে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় নিয়ে আসবেন সেই লক্ষ্যে কাজ না করে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত একজন একজনের বিরুদ্ধে লেখেন এটা এক মহা বিপর্যয়।
এটি থেকে দ্রুত পরিত্রাণ পেতে হবে।
কেন্দ্র থেকে তৃণমূল সকল মান অভিমান ভুলে গিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সবাইকে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে হবে সে লক্ষ্যে কাজ করতে হবে, এটাই হোক আমাদের শপথ।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
সম্পাদক ও প্রকাশক : এম জি কিবরিয়া চৌধুরী
দৈনিক বাংলাদেশ অর্থনীতি ৮৫, নয়াপল্টন (৪র্থ তলা) ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১২-৭১৪৪৯৩, ০১৫৩৪-৬৪৬১৪১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত