প্রিন্ট এর তারিখঃ অগাস্ট ২৪, ২০২৬, ১০:১৩ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ অগাস্ট ১২, ২০২৬, ২:৫৮ এ.এম
তারেক নিরাপদ এক্সজিট পাবেন: শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন হবে সম্পুর্ন সাংবিধানিক
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬ প্রত্যাবর্তন হবে সম্পুর্ন সাংবিধানিক
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কাকতালীয় কোন ঘটনা ঘটে যাবে বলে কুটনৈতিক পাড়া সগরম হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন তথ্য সুত্রে নানা দেশীয় এবং বিদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত নিউজ ও কমেন্ট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা চলছে। বঙ্গবন্ধু কণ্যা শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন নিয়ে ইন্দো মার্কিন কুটনৈতিক অভিযান শুরু করছে দুবছর ধরে। তারা বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে ভারতীয় উপমহাদেশে র গনতন্ত্র সাংবিধানিক শাসন বজায় রেখে এই অন্চলের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ্জন্য সামনে এগিয়ে যাচ্ছেন।
ইন্দো মার্কিন কুটনৈতিক অভিযান চালিয়ে তারা বাংলাদেশের বর্তমান বিপদ সংকুল অবস্থা থেকে উত্তরন ঘটাতে মৌলিক দুট ইস্যুকে সামনে রেখেছেন। মার্কিন ও ভারতের মুল এজেন্ডা হলো দুটি। প্রথমত: বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক শাসন ব্যবস্থার বাত্যয় ঘটানো যাবেনা
দ্বিতীয়ত: মৌলবাদী জন্গী পাকিস্তানী দর্শনের ধর্মীয় রাজনীতি বাড়তে দেয়া যাবে না। এ দুটি মৌলিক বিষয়ের মধ্যে প্রধানত বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা ও তার প্রত্যাবর্তন এবং সাংবিধানিক সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা রাখা। ইন্দো মার্কিন কুটনৈতিক অভিযানের রাজনৈতিক অর্থনৈতিক মুল এজেন্ডা হলো ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশে যে পট পরিবর্তন ঘটেছে সেটা গনতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক এবং রাজনৈতিক কোন আদর্শিক দর্শন ছিলনা। এটা কোন রাজনৈতিক দল এর অংশ গ্রহন ও ঘোষনা ও ছিল না। এটা তারা একমত হয়ে বলছেন যে এটাকে তারা বলছেন এটা একটা সেনা অভ্যুত্থানের। যা দেশর প্রচলিত সাংবিধানিক শাসনের পরিপন্থী। যা সংবিধান লংঘন করা হয়েছে। সংবিধান লংঘন ও ব্যত্যয় ঘটানোর প্রতিকার তো সংবিধান এ বলে দেয়া হয়েছে। ইন্দো মার্কিন কুটনৈতিক ও সামরিক প্রতিরক্ষাা বিভাগ যৌথ পারফর্মেন্স সভায় মনে করে শেখ হাসিনা এখনো বাংলাদেশের বৈধ প্রধানমন্ত্রী। সংসদ বাতিল বা স্থগিতের ঘোষণা টাও সাংবিধানিক ছিল না। ফলে ডক্টর ইউনিসের সরকার সাংবিধানিক ছিল না। ফেব্রুয়ারীর২০২৬ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সাংবিধানিক নয়। তাই ইন্দো মার্কিন কুটনৈতিক ও প্রতিরক্ষাা বিভাগের পক্ষাা থেকে বিশ্লেষণের করে তারেক রহমান ও তার পরিষদের কাছে উপস্থাপন করেন। একইভাবে তারা বলেন সাংবিধানিক শাসনের পরিপন্থী কাজ তারা মানাবে না। তারেক রহমান যাতে কোন সাংবিধানিক শাস্তি র মুখে না পড়তে হয় সেজন্য তারা তারেক রহমানকে নিরাপদ এক্সজিট দিবেন। তার পর শেখহাসিনা র প্রত্যাবর্তনের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুস্টিত হবে। সে নির্বাচন এ সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। এ বার্তা তারেক রহমান ও তার লোকদের দেয়া হয়েছে। এ প্ল্যান বাস্তবায়নে সরাসরি ইন্দো মার্কিন কুটনৈতিক ও প্রতিরক্ষাা বিভাগ যৌথ পারফর্মেন্স করছে। তারাই অংশ হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দুত গোর,ভারতের র এর প্রধান সহ তার প্রতি নিধি দল বাংলাদেশের প্রতি রক্ষাাবিভাগের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করছে। তারই অলোকে তারেক রহমান ভারত সফরে যেতে রাজি হয়ে গেছে। এখন মজার বিষয় হলো। তারেক রহমান অউট শেখ হাসিনা ইন। এটাতে তো তারেক রহমানকে বিচলিত করছে। কিন্তু তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে তো কোন আন্তর্জাতিক দেশ বা মহল সহযোগিতা করার জন্য এগিয়ে আসছেনা। অপর দিকে শেখ হাসিনা র প্রত্যাবর্তন হবে সম্পুর্ন সাংবিধানিক। তার নিরাপত্তা শতভাগ নিচ্শিত করা হবে। তিনি কোথায় থাকবেন নিরাপত্তা বেস্টনী সহ সব নিশৃচত করছে ইন্দো মার্কিন প্রতিনিধি দল। এখন কেবল অপেক্ষাার পালা৷ শৌরভ চৌধুরী। রাজনৈতিক কুটনৈতিক বিশ্লেষক ।
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : এম জি কিবরিয়া চৌধুরী
দৈনিক বাংলাদেশ অর্থনীতি ৮৫, নয়াপল্টন (৪র্থ তলা) ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১২-৭১৪৪৯৩, ০১৫৩৪-৬৪৬১৪১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত