সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ভর্তুকি ব্যয় বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং ঋণের সুদ পরিশোধের চাপের মধ্যেও সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কারণেই আগামী বাজেটের আকারও তুলনামূলক বড় হচ্ছে।
নতুন পে-স্কেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে বেতন বৈষম্য কমানো। প্রস্তাব অনুযায়ী, সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের ব্যবধান বর্তমানে ১:৯.৪ থেকে কমিয়ে ১:৮-এ নামিয়ে আনার সুপারিশ করা হয়েছে।
বিশেষ করে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য নতুন যাতায়াত ভাতা চালুর বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। এতে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের কর্মচারীরা অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
নতুন পে-স্কেলের আওতায় দেশের প্রায় ৯ লাখ পেনশনভোগীকেও অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে স্বল্প পেনশনপ্রাপ্ত প্রবীণদের আর্থিক সুরক্ষা আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।
অন্যদিকে বর্তমানে কার্যকর ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা নতুন বেতন কাঠামোর সঙ্গে কীভাবে সমন্বয় করা হবে, তা নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব পর্যায়ের একটি কমিটি কাজ করছে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।