স্থানীয় ও নিহতের স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ আগে কলিমুল্লাহর মেয়েকে বড় ভাই ছয়ফ উল্লাহর এক ছেলে ধর্ষণ করেছেন, এমন অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিস হয়। এর মধ্যে অভিযুক্তকে অন্যত্র বিয়ে করানোর প্রস্তুতি চলছিল। পরে আজ শনিবার দুপুরের দিকে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে থানায় মামলা করেন কলিমুল্লাহর স্ত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে কলিমুল্লাহ ও ছয়ফ উল্লাহর আরেক ভাই আবদুল আজিজ সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশের সামনেই এ ঘটনা ঘটেছে। চাইলে এ হত্যাকাণ্ড ঠেকাতে পারত পুলিশ। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আবদুল গফুর বলেন, পুলিশের সামনেই হামলায় খুনের ঘটনা ঘটেছে এমনটি স্থানীয় লোকজনের কাছে তিনিও শোনেছেন।
গোয়াইনঘাট থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলিমুল্লাহর সঙ্গে গ্রামে এসেছিলেন পুলিশের এক উপপরিদর্শক (এসআই) এবং দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই)। ওই পুলিশ সদস্যদের দাবি, হত্যাকাণ্ডটি তাঁদের সামনে ঘটেনি। তাঁদের মধ্যে এসআই নাইমুল হাসান বলেন, পুলিশের উপস্থিতিতে খুন করা হয়েছে, এমন দাবি সত্য নয়।