১ম নোটিশের জবাব (১ম অংশ)
তারিখ: ১১ জুলাই, ২০২৬
বরাবর
মাননীয় রেজিস্ট্রার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
বিষয়: ৯ জুলাই, ২০২৬ ইং তারিখের কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব।
জনাব,
আপনার স্বাক্ষরিত ৯ জুলাই, ২০২৬ ইং তারিখের নোটিশের প্রেক্ষিতে যথাযথ সম্মানপূর্বক নিম্নরূপ বক্তব্য পেশ করছি,
1. যেহেতু, সর্বপ্রথম আমি দৃঢ়ভাবে জানাতে চাই যে, ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা আমি সহ সমসাময়িক সকল শিক্ষার্থীর এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তি যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে এবং সম্পূর্ণ বৈধভাবে সম্পন্ন হয়েছিল, যারা তৎকালীন ডাকসু নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ও রিটার্নিং কর্মকর্তা যাচাই-বাছাই করে মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। অতএব, আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত "ভর্তি জালিয়াতি" সংক্রান্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, অসত্য ও প্রমাণবিহীন।
2. যেহেতু, আপনার নোটিশে কোথাও আমার ভর্তি আবেদনপত্র (Application Form), শিক্ষাগত যোগ্যতা, নথিপত্র অথবা ভর্তি প্রক্রিয়ার কোন নির্দিষ্ট অংশে কী ধরনের অসঙ্গতি বা জালিয়াতি সংঘটিত হয়েছে, তা সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয়নি। একইভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন আইন, অধ্যাদেশ, প্রবিধান, বিধিমালা বা ভর্তি নীতিমালার কোন ধারা আমি লঙ্ঘন করেছি, তাও সুনির্দিষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয়নি। কেবলমাত্র অস্পষ্ট ও সাধারণ অভিযোগের ভিত্তিতে আমার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ ন্যায়বিচারের (Principles of Natural Justice) পরিপন্থী।
3. যেহেতু, আমি রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় (২০০৪ ও ২০০৬) জিপিএ-৫ অর্জন করি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় মেধাতালিকায় ৫ম স্থান অধিকার করে আইন বিভাগে ভর্তি হই। পরবর্তীতে যথাযথভাবে এলএলবি (দ্বিতীয় শ্রেণি) এবং এলএলএম (প্রথম শ্রেণি) সম্পন্ন করি। আমার সমগ্র শিক্ষাজীবনের অর্জন বিবেচনায় এমফিলে ভর্তির জন্য কোন প্রকার জালিয়াতি বা কারচুপির আশ্রয় নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
4. যেহেতু, আমি ক্রিমিনোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বিভাগীয় প্রধান, মরহুম অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান (স্যার)-এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এমফিলে ভর্তি হই। তিনি নিজেই আমার গবেষণার বিষয় (Research Topic) অনুমোদন করেন এবং তিনিই গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক (Supervisor) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং বিভাগীয় সকল শর্ত পূরণ হয়েছে মর্মে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
5. যেহেতু, এমফিলে শিক্ষার্থী ভর্তির যোগ্যতা যাচাই, গবেষণার উপযোগিতা নির্ধারণ এবং ভর্তির সুপারিশ করার এখতিয়ার সংশ্লিষ্ট বিভাগ, বিভাগীয় চেয়ারম্যান এবং গবেষণা তত্ত্বাবধায়কের উপর ন্যস্ত। আমি কোন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ছিলাম না; বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফি প্রদানপূর্বক প্রক্রিয়া অনুসরণকারী একজন আবেদনকারী মাত্র। অতএব, যদি প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী কোন প্রশাসনিক ত্রুটি থেকে থাকে, তবে তার দায় কোনভাবেই আমার উপর বর্তাতে পারে না।
Golam Rabbani's Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।