সোমবার (১২ অক্টোবর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের বিচারকদের স্বাক্ষরের পর রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়।
এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর গ্রামীণ কল্যাণের করা দুটি রিট আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির কাছে এনবিআরের দাবি করা কর আদায়ের ক্ষেত্রে আর আইনি বাধা থাকল না।
পুনর্মূল্যায়নের পর ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ করবর্ষ পর্যন্ত পাঁচ বছরের আয়কর দাবি নিয়ে ২০১৭ সালে হাইকোর্টে পৃথক দুটি রিট আবেদন করে গ্রামীণ কল্যাণ। প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত এ বিষয়ে রুল জারি করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টের নতুন বেঞ্চ শুনানি শেষে রুলগুলো খারিজ করে দেন।
রায় ঘোষণার পর গ্রামীণ কল্যাণের আইনজীবী খাজা তানভীর গণমাধ্যমকে জানান, এনবিআরের কর দাবির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছিল। তবে আদালত সেই আবেদনসংক্রান্ত রুল খারিজ করে দেওয়ায় এনবিআরের কর দাবি বহাল রয়েছে।
এর আগে ২০২৪ সালের ৪ অক্টোবর গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে এনবিআরের দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা আদায়ের বিষয়ে হাইকোর্টের একটি রায় স্বতঃপ্রণোদিতভাবে প্রত্যাহার করা হয়। পরে মামলাটি নতুন একটি বেঞ্চে পাঠানো হয়। সেখানে শুনানি শেষে গ্রামীণ কল্যাণের রিট আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে ওই কর আদায়ের বিষয়ে এনবিআরের অবস্থান বহাল থাকে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : এম জি কিবরিয়া চৌধুরী
দৈনিক বাংলাদেশ অর্থনীতি ৮৫, নয়াপল্টন (৪র্থ তলা) ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১২-৭১৪৪৯৩, ০১৫৩৪-৬৪৬১৪১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত