প্রিন্ট এর তারিখঃ অগাস্ট ২৫, ২০২৬, ১১:৩৯ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ অগাস্ট ২৫, ২০২৬, ৩:৩২ পি.এম
পে-স্কেলেবাস্তবায়নে অর্থ জোগান সম্ভব নয়
অনলাইন মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
সরকারি চাকুরেদের নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থ একসঙ্গে জোগান দেওয়া সরকারের পক্ষে সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের বিষয়টি সরকার বাদ দেয়নি। অর্থের সংস্থান কীভাবে করা হবে এবং কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তা নিয়ে হিসাবনিকাশ চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি। গতকাল সচিবালয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। নতুন বেতন কাঠামোর অর্থায়ন কোথা থেকে হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, একসঙ্গে পুরো অর্থ দেওয়া সরকারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। দুই ধাপে বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে এবং হিসাবনিকাশ করা হচ্ছে। বিপুল আমদানির কারণে সরকারের রাজস্ব স্পেস কমে গেছে। ফলে ইচ্ছা থাকলেও একসঙ্গে পুরো অর্থ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
নতুন পে-স্কেল নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহে সরকারি পর্যায়ে যে প্রস্তাব সামনে এসেছে, তাতে দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম ধাপে মূল বেতন বাড়ানো এবং দ্বিতীয় ধাপে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা বাড়ানোর কথা রয়েছে। তবে এই কাঠামো এখনো চূড়ান্ত নয়; চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। এর আগে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে-স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ রয়েছে। নিম্ন গ্রেডের কর্মীদের তুলনামূলক বেশি হারে বেতন বাড়ানোর সুপারিশও করা হয়। খসড়া পরিকল্পনায় চলতি বছরের জুলাই থেকে আংশিক বাস্তবায়ন শুরু করে ধাপে ধাপে ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে পূর্ণ বাস্তবায়নের লক্ষ্য রাখা হয়েছিল। তবে এসবই প্রস্তাব; চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। তিনি আরও বলেন, সরকার নিয়মিত ব্যাংক থেকে বেশি ঋণ নিলে বেসরকারি খাতের অর্থায়ন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তাই সরকারি ব্যয়ের অর্থায়নে বিকল্প পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : এম জি কিবরিয়া চৌধুরী
দৈনিক বাংলাদেশ অর্থনীতি ৮৫, নয়াপল্টন (৪র্থ তলা) ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১২-৭১৪৪৯৩, ০১৫৩৪-৬৪৬১৪১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত