শুক্রবার (১৯ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার বাইশারী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রাসেল বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশাচালক।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন– উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সৈয়দ মজিবুল ইসলাম টুকু ও জিয়াউল হক মিন্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুব্রত লাল কুন্ডু, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন উর রশিদ স্বপন ও নুরুল হুদা, সদস্য আনিছুর রহমান মিলন, সাবেক কোষাধ্যক্ষ ফারুক সরদার, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম, বাইশারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল চক্রবর্তী, পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুল হক মাসুম,সাবেক পৌর কাউন্সিলর জাকির হোসেন মোল্লা, মনির হোসেন ও জাহিদ হোসেন সরদার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফোরকান আলী হাওলাদার, সাবেক সহসভাপতি মনির বিশ্বাস, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সুমম রায় সুমন, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মহসিন ফকির ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সিকদার।
এ মামলায় উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি সালেক মল্লিক শিমুলের নামও রয়েছে।
মামলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা, পৌর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি সালেক মল্লিক শিমুলের নামও আসামির তালিকায় রয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের বানারীপাড়া স্টেশনের টিম লিডার আনোয়ার হোসেন জানান, মধ্যরাতে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেলেও পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানানো হয়। ফলে তাদের দল ঘটনাস্থলে যায়নি।
মামলার অন্যতম আসামি ও আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল ইসলাম মনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পুরো ঘটনাটি সাজানো। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় জড়াতে বিএনপি এ নাটক মঞ্চস্থ করেছে বলে তার দাবি।
অন্যদিকে মামলার আসামি উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি সালেক মল্লিক শিমুল বলেন, মামলার বিষয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানেন না। বিভিন্ন মাধ্যমে শুনেছেন যে তাকে আসামি করা হয়েছে। বাদী রাসেলকেও তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না বলে দাবি করেন।
বাদী মো. রাসেলের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা একরামুল হক জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তিনি বোমা বিস্ফোরণের আলামত পেয়েছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়ে এর বেশি মন্তব্য করতে রাজি হননি।
বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় আবদুল্লাহ ফকির নামে একজনকে