আজ সোমবার দুপুরে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২–এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) রোকেয়া আক্তার এ রায় দেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোহাম্মদ শামীম বলেন, মামলায় ছয়জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ আদালত রায় দেন। এ সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৯ সালের ৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশে বেড়াতে আসেন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ওই নারী পর্যটক। তিনি ১৪ ডিসেম্বর কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের পেঁচার দ্বীপ–সংলগ্ন একটি কটেজে ওঠেন। দুই দিন পর গভীর রাতে দণ্ডিত আসামিরা তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। এ সময় ধস্তাধস্তিতে ওই নারী আহত হন। পরে কটেজ থেকে বের হয়ে তিনি চিৎকার করলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পালিয়ে যান।
ঘটনার পর ওই নারী জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯–এ ফোন করে পুলিশের সহায়তা চান। খবর পেয়ে রামু থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নারীকে উদ্ধার করে কক্সবাজার শহরে নিয়ে যায় এবং প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।
এ ঘটনায় রামুর হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন উপপরিদর্শক স্বরূপ কান্তি দাশ বাদী হয়ে রামু থানায় মামলা করেন। পরবর্তী সময়ে আনছারুল্লাহ ও আবদুল গফুরকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তাঁরা ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন।