প্রিন্ট এর তারিখঃ অগাস্ট ২৮, ২০২৬, ১১:১৮ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ অগাস্ট ২৮, ২০২৬, ৩:৫২ পি.এম
বীর মুক্তিযোদ্ধা মমতাজকে হত্যা করে।
Shared post from ক্যাকটাস ফিঞ্চ ডায়েরি
No photo description available.. May be an image of one or more people and people smiling. May be an image of one or more people. No photo description available.. May be an image of text that says '12:42 facebook বাংলাদেশ Create story লুলিড ড্রিম Anima Afrin Elias Hossain 7h Ma Follow … X অনেক বছর পর দেশ আবারও একজন রাজাকার পরিবারের রাষট্পতি পেলো। আমার পূর্ব পুরুষসহ আমি নিজেও একজন গর্বিত বীর রাজাকার। বর্তমান রাষ্ট্রপতির বাবাও একজন রাজাকার। সেই হিসেবে আমরা একই পরিবারের মানুষ। পৃথিবীর সকল রাজাকারদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন মহামান্য রাষ্ট্রপতি। কাঁদো আমলিক কাঁদো। 66.8K 2.8K 747 Nure Alam and others reacted no Reels 감명을 9+ <'
বিএনপি ও জামায়াতের বইনপুতেরা

তোমাদের জন্মের ৫০ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাসে, ছাত্রলীগ নেতা মমতাজের মত একজন সৎ ও আদর্শবান রাজনৈতিক নেতার উদাহরণ দেখাতে দেখাতে পারবে তোমাদের দলে ? এই বাংলাদেশে তোমাদের দলে একজন আহসানউল্লাহ মাস্টারের মত রাজনীতিবীদ আছে?
বিএনপির আছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ত্রাস সন্ত্রাসী ইলিয়াস আলী।
বিএনপি নেতা গুম ইলিয়াস আলী রাজনীতি করতো জাতীয় পার্টির ।সে ছিল জাতীয় পার্টির ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্র সমাজের নেতা। ছাত্রদল নেতা মামুনকে হত্যা করে তার লাশ সূর্যসেন হলের পানির ট্যাঙ্কির ভেতর লুকিয়ে ছিল ইলিয়াস আলী। এরশাদের জাতীয় পার্টি করলেও ইলিয়াসের ত্রাসে ১৯৮৭ সালে ইলিয়াসকে কারাগারে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এলে ইলিয়াস আলী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়। ১৯৮৭ সালে জেল থেকে মুক্ত হওয়ার পর ১৯৮৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের নেতা বজলুর রহমান শহীদকে হত্যা করে ইলিয়াস আলী।৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকসু কার্যালয় ভাঙা হয় ইলিয়াস আলীর নেতৃত্বে।

১৯৯১ সালে ছাত্রদল নেতা মীর্জা গালিব ও ছাত্রলীগ নেতা লিটন হত্যাকাণ্ডের জন্য বাংলাদেশ সরকার খুনী ইলিয়াস আলীকে গ্রেফতার করেছিল। এই খুনীকে ১৯৯২ সালে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বানিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। ছাত্রদল নেতা মামুনের রক্তের দাগ না শুকাতেই খালেদা জিয়া গিরগিটির মতো রং পরিবর্তন করেছিলেন। সেদিন ইলিয়াসের বিপরীতে ছাত্রদলের সভাপতি হয়েছেন আজকের বিএনপির নেতা রুহুল কবির রিজভী। বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে টিকে থাকার জন্য সন্ত্রাসের রাজনীতি বেছে নিয়েছেন জিয়াউর রহমানের মতো।

সেভেন মার্ডার হত্যাকাণ্ডে শেখ মুজিব সরকার যে শফিউল আলম প্রধানকে জেল ও ছাত্রলীগ থেকে বহিস্কার করেছিলো জিয়াউর রহমান লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে সেই শফিউল আলম প্রধানকে জেল থেকে ছেড়ে দিয়ে বিএনপি নেতা বানিয়েছিলেন। তাই খুনীর জন্য মায়াকান্না করে বিএনপি ও জামায়াত। এটা এদের জন্মগত নষ্ট রাজনীতির বৈশিষ্ট্য।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির নেতা মীর্জা আব্বাস বলেছিলেন , ইলিয়াস আলী গুমে বিএনপির কয়েকজন নেতা জড়িত।" একজন ইলিয়াস আলী ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে নব্বই দশকের মনস্টার দানব।এসব দানবকে বহু আগেই ক্রসফায়ার দিয়ে দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু বিএনপি তা না করে খুনীকে কোলে তুলে নেচেছে। এইভাবে একমুখে মুক্তিযুদ্ধ আর কোলে রাজাকার তুলে নাচা দলটির নাম বিএনপি। আওয়ামীলীগ ও বিএনপির রাজনীতির সবচেয়ে বড় পার্থক্য এইখানে।

আওয়ামীলীগের এমপি মমতাজ ছিলেন সালামপুর হাইস্কুলের শিক্ষক। একজন এমপি হয়েও তার ব্যক্তিগত কোনো গাড়ি ছিলো না। ছিলো না ব্যাক্তিগত কোন নিরাপত্তা ।২০০৩ সালে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সরকার ক্ষমতায় মোটর সাইকেলে আসছিলেন আওয়ামীলীগের এমপি মমতাজ।প্রকাশ্য দিবালোকে বিএনপি ও জামায়াতের ১০-১২ জন সন্ত্রাসী আওয়ামীলীগের নাটোরের জনপ্রিয় এমপি ও ১৯৭১সালে মুজিব বাহিনীর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মমতাজকে হত্যা করে।

নোয়াগাও এম এ মজিদ মিয়া স্কুলের সহকারী শিক্ষক ছিলেন আওয়ামীলীগের গাজীপুরের বারবার নির্বাচিত এমপি আহসানুল্লাহ মাস্টার। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামীলীগের সৎ রাজনীতিবীদ হওয়া ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় অপরাধ।২০০৪ সালের ৭ মে তার স্কুল এমন এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে বিএনপি ও জামায়াতের সন্ত্রাসী। তার হত্যাকারী মান্নান এখন গাজীপুরের বিএনপি নেতা।

বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম সফল অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবিরিয়াকে ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জে নিজ এলাকায় গ্রেনেড মেরে হত্যা করে বিএনপি ও জামায়াত। রাজনৈতিক জনসভায় বক্তব্য দেওয়াকালে বিএনপি সরকার তার উপর এই গ্রেনেড হামলা চালায়।
২০০১ থেকে ২০০৬ মাত্র ৫ বছর রাষ্ট্র ক্ষমতায় বিএনপি ও জামায়াত সরকার আওয়ামীলীগের ৩ জন জনপ্রিয় এমপিকে হত্যা করেছে। ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট শেখ হাসিনার উপর গ্রেনেড হামলা করে ২৪ জন আওয়ামীলীগের নেতা হত্যা করেছে। যার মধ্যে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমান ও ঢাকার সফল মেয়র হানিফ ছিলেন।

আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় গত ১৬ বছরে বিএনপির কয়জন মেয়র হত্যা করা হয়েছে। তাদের পরিচয় জাতিকে জানান।

একজন সন্ত্রাসী ইলিয়াস আলীর জন্য মায়াকান্না করার আগে সন্ত্রাসের গডফাদার ইলিয়াস আলীর সম্পর্কে কী জানেন আপনি ?

বিএনপি ও জামায়াত ক্ষমতায় (২০০১-২০০৬ ) মাত্র পাঁচ বছরে বিএনপি ও জামায়াতের সন্ত্রাসীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হুমায়ূন আজাদ , রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ড. এস এম ইউনুস , চট্রগ্রাম কলেজের অধ্যক্ষ গোপাল কৃষ্ণ মুহুরী ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামীলীগ সমর্থিত আইবিএ শিক্ষক মোজাম্মেলকে হত্যা করে।

আওয়ামীলীগের ১৬ বছর ক্ষমতায় একজন আসিফ নজরুল হত্যা করা হয়েছে , এমন একটি উদাহরণ দেখাতে পারবেন?
ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার বিএনপি ও জামায়াতের চেয়ে হাজার গুণ ভালো ছিল। আসিফ নজরুল এখনও বেঁচে আছেন । কিন্তু বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামী পন্থী শিক্ষকদের বিএনপি ও জামায়াত বাঁচতে দেয়নি।
শেখ হাসিনা , এই বিএনপি ও জামায়াত অসুরের দল দমন করার জন্য আপনি ভয়ানক ফ্যাসিস্ট হিসেবে ফিরে আসুন। বিএনপি ও জামায়াতের মনস্টার রাজনৈতিক সুবিধাবাদী ও মুখোশধারীদের থেকে এই দেশটা বাঁচান।।

বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষ এক বাপের জন্ম হলে

আমার এসব প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যাবেন।। শিক্ষকদের এমপি বানানো কি আওয়ামীলীগের অপরাধ ছিল। মমতাজ ও আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপিকে কেন হত্যা করা হলো? আহসান উল্লাহ মাস্টারের খুনি বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম সরকার ছিলেন বিএনপির মন্ত্রী মান্নানের আত্মীয়। আমরা চোখে আঙুল দিয়ে প্রমাণ দেখাই । পারলে তোরা দেখা?
সত্য সবসময় সুন্দর
ক্যাকটাস ফিঞ্চ ডায়েরি
২৬ আগষ্ট, ২০২৬
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : এম জি কিবরিয়া চৌধুরী
দৈনিক বাংলাদেশ অর্থনীতি ৮৫, নয়াপল্টন (৪র্থ তলা) ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১২-৭১৪৪৯৩, ০১৫৩৪-৬৪৬১৪১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত