একই সঙ্গে ভবিষ্যতে ওই তিন নারীকে বিদেশযাত্রার ক্ষেত্রে বাধা না দিতে সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) তিন নারীর করা রিটের শুনানি শেষে বিচারপতি কামরুল কাদের ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল ও অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনা দেন।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী তানজিলা রহমান জুই।
রিটকারীদের অভিযোগ, ইমিগ্রেশনে তাদের বিদেশযাত্রার কারণসহ ব্যক্তিগত বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। তারা কেন অবিবাহিত এবং বিদেশে যাওয়ার বিষয়ে পরিবারের সম্মতি রয়েছে কি না—এ ধরনের প্রশ্নও করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে তাদের ইমিগ্রেশন পার হতে দেওয়া হয়নি। তবে বিদেশযাত্রায় বাধা দেওয়ার কোনো সুনির্দিষ্ট কারণও তাদের জানানো হয়নি বলে রিটে উল্লেখ করা হয়েছে।
আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, ইমিগ্রেশনে আটকে দেওয়ার কারণে তিন নারীর বিমান টিকিট, বুকিংসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত, সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ, দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিপূরণের দাবিতে গত ৩১ আগস্ট পুলিশের ইমিগ্রেশন শাখার অতিরিক্ত আইজিপির কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করা হয়।
তবে ওই অভিযোগের বিষয়ে কোনো সাড়া না পাওয়ায় গত ৬ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের আইনি নোটিশ দেওয়া হয়। সেখান থেকেও কোনো জবাব না পাওয়ার পর গত ১৫ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রিটটি করা হয়।
রিটে নাগরিকদের অবাধ চলাফেরা ও সমতার মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান আইনজীবী।
একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো নারীকে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে শুধু বৈবাহিক অবস্থা কিংবা অভিভাবকের সম্মতির বিষয়কে কেন্দ্র করে অপ্রয়োজনীয়ভাবে হয়রানি না করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা এবং ভুক্তভোগীদের আর্থিক ক্ষতিপূরণের আবেদন জানানো হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : এম জি কিবরিয়া চৌধুরী
দৈনিক বাংলাদেশ অর্থনীতি ৮৫, নয়াপল্টন (৪র্থ তলা) ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১২-৭১৪৪৯৩, ০১৫৩৪-৬৪৬১৪১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত