তার দাবি, মার্কিন শিক্ষায় শিক্ষিত কোনো ব্যক্তিকে উগ্রপন্থী করে নিজ দেশে বিশৃঙ্খলা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর একটি বৈশ্বিক প্রবণতা রয়েছে। তবে এই ধরনের প্রচেষ্টা ভারতের অগ্রগতি ও সুশাসনকে আটকাতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগেও বিভিন্ন সময়ে নরেন্দ্র মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন মেরি মিলবেন। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে তাকে ‘ভারতীয় স্বপ্নের দীপ্তিময় আলোকবর্তিকা’ বলে অভিহিত করেছিলেন তিনি।
এ ছাড়া গত আগস্ট মাসে নিউইয়র্ক সিটিতে আরএসএস প্রধান মোহন ভগওয়াতের অনুষ্ঠানবিরোধী প্রতিবাদেরও সমালোচনা করেছিলেন এই মার্কিন গায়িকা।
এদিকে, সিজেপি এবং অভিজিৎ দীপকের অর্থায়ন নিয়ে এর আগেও নানা প্রশ্ন ও আরটিআই বা তথ্য অধিকার অনুসন্ধান হয়েছে। যদিও দীপক তার বোস্টন ইউনিভার্সিটির পড়াশোনার খরচ স্কলারশিপ ও এডুকেশন লোনের মাধ্যমে নির্বাহ করার কথা বলে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন।
অন্যদিকে, এই বিতর্কের মাঝেই গত মঙ্গলবার দিল্লির যন্তর মন্তরে (যা বর্তমানে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ এলাকা) অনুমতি ছাড়া প্রবেশ এবং শান্তিভঙ্গ করার অভিযোগে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রানকাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালত তাদের পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে তিহাড় জেলে পাঠিয়েছেন।
একই ঘটনায় তাদের আরেক সহযোগী অজিনক্যের বিরুদ্ধেও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দিল্লি নির্বাচন কমিশনের প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে প্রতিবাদ জানাতে গিয়েই মূলত তারা এই আইনি জটিলতায় পড়েন।