রবিবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে জানিয়েছেন, সোমবার বিকেল ৪টে থেকে ৫টার মধ্যে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করবেন তাঁরা। ‘ইন্ডিয়া’-র তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে স্মারকলিপি দেবেন বিরোধী জোটের প্রতিনিধিরা। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রপতি ভবনে যে প্রতিনিধিদল গিয়েছিল, সোমবার সেই একই দল থাকবে। অর্থাৎ, রাহুল ছাড়াও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবির এই প্রতিনিধিদলে থাকার কথা।
অন্য দিকে, রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি-ও। তবে তারা এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনও কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেনি। সোমবার রাহুলদের কর্মসূচিতে সিজেপি-ও শামিল হবে কি না, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। সমাজমাধ্যমে সিজেপি-র তরফে একটি পোস্ট করে বলা হয়েছে, “আরশোলারা (ককরোচ) যারা দিল্লিতে আছ, তারা থেকে যাও। পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হচ্ছে।” একই সঙ্গে লেখা হয়েছে, “যে আরশোলারা দিল্লির বাইরে আছ, তারা নিশ্চয়ই জানো যে, ট্রেন আবার চলছে।” প্রসঙ্গত, শনিবার সিজেপি-র কর্মসূচির মোকাবিলায় দিল্লিমুখী ২৪০টি ট্রেন বাতিল হয়েছিল। রবিবার অবশ্য অধিকাংশ ট্রেনই ফের চালানো হচ্ছে।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে ধারাবাহিক ভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে সিজেপি, বিভিন্ন বাম ছাত্র সংগঠন, বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। শনিবারের পর রবিবারও দিনভর দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে দিল্লিতে। চলে ধরপাকড়ও।
শনিবার দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় ব্যারিকেড বসানো হয়, মধ্য দিল্লির বিস্তীর্ণ এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যাহত হয় এবং মেট্রো ও রেল চলাচলেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। ধরপাকড় করা হয় প্রতিবাদীদের। যা নিয়ে রবিবার মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করলে কাউকে আটক করা যাবে না। তবে প্রতিবাদীদেরও পুলিশি নিয়ম মেনেই প্রতিবাদ করতে হবে।