রোকেয়া প্রাচীর সাথে ছবি না থাকাতে এতো কাণ্ড!
২১০-১২ তে নিজের ফ্লিকার একাউন্ট যেভাবে সাজিয়েছিল, তাতে বলা চলে আজকের নাদান রিল-মেকারদের প্রাচীন সংস্করণ। নাম বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায়, তানভীর = ছ্যাঁচড়া ১, হাসান = ছ্যাঁচড়া ২, জোহা = ছ্যাঁচড়া ৩।
"ডিজিটাল বিশেষজ্ঞ" দাবি করার মূল রসদ হচ্ছে সে সময় একটা ডিজিটাল ক্যামেরা হাতে পেয়েছিল। তার পর নাম করা কাউকে পেলেই পাশে গিয়ে নিজের ক্যামেরা অন্যের হাতে ধরিয়ে ক্লিক। এভাবে ফ্লিকারে জমিয়েছে আবুল মাল মুহিত, শমি কায়সার, মইন খানের সাথে তেলতেলে ভোম্বল মার্কা, ক্লাউনের ছবি।
আমার মনে হচ্ছে তারেক রহমান আমলের আসল প্ল্যান হলো, এসব ক্লাউনদের দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গ্রহণযোগ্যতা একেবারে জিরোতে নিয়ে আসা। যাতে জামাতের ইয়ার-বকসিরা বলতে পারে, দেখেন এই সার্কাস-ট্রাইব্যুনাল আমাদের পরহেজগার নেতাদের ফাঁ
এই আমল যদি এক দেহে তিন ছ্যাঁচড়ার ককটেল তাহাজো-কে মাঠে নামাতে পারে, অপরাধ ট্রাইবুনাল কেন, পুরো দেশকে নিলামে ওঠাতে পারে। বিদ্যুতের টুকুটুকু চড়া দাম, রংপুরের জামাতি এসপির হাতে তদন্তের আগে হত্যাকারী নির্ণয় ঢাকতে সাগর রুনি হত্যায় জড়িয়ে "সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের" নাম বাজারে ফাটালো ইউনুসের প্রেস সচিব। আমল বটে!
এক ধরনের স্টকার আছে, যার পেছনে লাগে, তাকে হত্যা করতে চায়, তার মুখে এসিড ছুড়ে মারে। বিএনপি যদি জেকিল হয়, তানভীর হোসেন জোহা কি তাহলে সেই হাইড?
বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার জন্য শেখ হাসিনা সারা বাংলাদেশকেই দায়ী করেছিল। তার মন্ত্রণা ছিল, আমি তোমাদের উন্নতি দিচ্ছি, সাথে প্রতি মুহূর্তে তোমাদের টিট করতে থাকবো। ইউনুস এবং তারেক আমল হচ্ছে, আমরা প্রতি মুহূর্তে আপনাদের টিট করতে থাকবো, সব দোষ রোকেয়া প্রাচীর।
কেন রোকেয়া ২০২৪এর ১৪, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে গেলো, মোমবাতি জ্বালালো? কেন সে আমাদের দল-নিরপেক্ষ রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম থেকে শিখে নিতে পারলো না যে শেখ মুজিব বলে কেউ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেয় নাই।
কেন রোকেয়া প্রাচীর ঐ ডিজিটাল-এক্সপার্টের সাথে ছবি নাই? কেন ইউনুস আমলের আইন উপদেষ্টা তাকে লুকায়ে হুমায়ুন আহমেদের বিবাহিতা মেয়ের সাথে ফষ্টিনষ্টি করতো? রোকেয়া প্রাচী আবার কি ধরনের নাম, নিশ্চয় হিন্দু? তাকে ফাঁসাতে পারলেই কেবল আমাদের মোকামে পৌঁছানোর পথ সুগম হবে।
পাঠক, বাংলাদেশের রাস্তাঘাটে নারী-বিদ্বেষী দানব কিলবিল করছে, আর সংসদে বসে আছে নারী-বিদ্বেষী পিশাচেরা। এরা যুদ্ধাপরাধী খুনি, ধর্ষকদের মুক্তি দেয়, ফাঁসানো নারীদের জামিন আবেদন শোনার সময় পায় না। এদেরকে আপনি বলছেন গণতন্ত্রের রক্ষক। প্রত্যেক স্বৈরাচারের পতনের পর, আরো বিকট-ভাবে অবিচার আমাদের ওপর, বিশেষ করে বাংলাদেশের নারীদের ওপর চেপে বসছে।
লুবনা ইয়াসমিন Photos are from Tanvir Hasan Johas flicker account.
Lubna Yasmin's Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।