অনলাইন রবিবার, ০২ আগস্ট,
মিডিয়ায় রিপোর্ট হচ্ছে শিবিরের এজিএসের রুমে সমকামীআটক! আসল ঘটনা কি এসব আলোচনা নেই। জামায়াত শিবিরের বাড়ির পাশের গন্ধ পাইলেও মিডিয়া হামলে পড়ছে। অন্যদের আসল মেশিন দেখা যাচ্ছে সেগুলো নিয়ে সাড়াশব্দ নেই।
নোয়াখালী মাদানিয়া কওমি মাদ্রাসার তালেবুলইলম হল এজিএস ইব্রাহিম খলিলের পরিচিত। ২৬ তারিখে ফোন দিয়ে জানায় পিজি হসপিটালে ডাক্তার দেখাতে আসবে কিন্তু ঢাকায় থাকার মতো কোন জায়গা নেই।
স্বাভাবিকভাবে হল এজিএস বলে ঠিক আছে আমার এখানে থাকতে পারো।
২৭ তারিখ রাত আনুমানিক ১২.৪৭ এর দিকে সেই মাদ্রাসার ছাত্র এবং সাথে আর একজন সহপাঠী নিয়ে আসে৷ তখন এজিএস ইব্রাহিম খলিল বলে, আমার এখানে সর্বোচ্চ দুইজন ঘুমানো যায়! তুমি আরেকজন নিয়ে আসছো আমারে বলবে না?
ওরা বললো একজন ওরা নিচে ঘুমাবে তখন তারা একজন নিচে ঘুমায়।
সকালে উঠে ইব্রাহিম খলিল ক্লাসে চলে যায়। সেখান থেকে এসে এক বন্ধুকে সাথে নিয়ে বাইরে চলে যায়। তাদের সাথে ২৭ তারিখ পুরোদিনে ইব্রাহিম খলিলের একবারের জন্যও দেখা হয়নি।
সেই ২৭ তারিখ ইব্রাহিম খলিল বাইরে থাকাকালীন এই ঘটণা ঘটে। যাওয়ার আগে সেদিন তারা ফোন দিয়ে জানায়, ডাক্তার দেখানোর জন্য চলে যাচ্ছে। মাঝের ধরা খাওয়ার ঘটনা কিছু জানায়নি। এমনকি ইব্রাহিম খলিলের রুমমেট বা যারা সেদিন এমন জঘন্য কাজ দেখেছে তারাও সে রুমে ফেরার পরে জানায়নি। হটাৎ আজকে এই পোস্ট দেওয়া হয়।
এই হলো মুল ঘটনা। সেটাকে শিবির নাম দিয়ে চালায় দিচ্ছে!
ভাই কতো সুন্দর ভাবে লেখা, একটা পরিচিত লোক আসে রাতে থাকে ইত্যাদি। আর তারা সমস্যা হওয়ার পরে বলে আমি কিছু জানি না ইত্যাদি। যাইহোক ১টা সত্য থাকতে হাজারো মিথ্যা বলা কি ভালো ভাই।
Salim Ullah Munir
পরিস্থিতি এমন পর্যায় গিয়ে দাড়িয়েছে, কওমি মাদ্রাসায় পড়ে এমন কাজিন, আত্মীয় স্বজনদের সাথে সম্পর্ক রাখাটাও কঠিন হয়ে যাচ্ছে৷
Sunny Khan's Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।