প্রিন্ট এর তারিখঃ অক্টোবর ১২, ২০২৬, ৮:৪২ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ৯:১৩ পি.এম
শেখ হাসিনার উচিত ছিল আমেরিকা যা চায় দিয়ে দেওয়া?
অনলাইন বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শেখ হাসিনার উচিত ছিল আমেরিকা যা চায় দিয়ে দেওয়া। দেশপ্রেম এই দেশে একটা বালের জিনিস। এইসব দেখাতে গিয়ে তার নাম হয়েছে ফ্যাসিস্ট! দেশেও ঠাঁই মিলেনি। আর যারা রাতদিন শেখ হাসিনা দেশ বিক্রির জিকির করত, ভারতের কাছে স্বাধীন সার্বভ্রৌমত্ব বিকিয়ে দেয়ার অভিযোগ করতো তারা আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি নিয়ে কথা তো বলেই না- উল্টো বলে বাংলাদেশ আর কারোর কাছে নতজানু হবে না! চীনের থেকে বেশি দামে বিদ্যুত কিনলেও সেটা দেশপ্রেম! ১৪টি বোয়িং বিমান কিনলেও সেটা দেশপ্রেম! এদেশের মোল্লাদের এত কিছু দিলো শেখ হাসিনা, তাদের খুশি করতে দেশের প্রগতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলে দিলো তবু তাদের কাছে সে হয়ে গেলো ফেরাউন! কেউ ইনুসকে গ্রেফতার করতে বলছে এতগুলো শিশু হামে মারা যাবার জন্য? কেউ খলিলুর রহমান প্রতিহতের ডাক দিয়েছে? ভারতের সঙ্গে একটাও গোলামী চুক্তি দেখাতে না পারলেও কি শেখ হাসিনা কেউ বাহবা দিয়েছে? একটা দলকে নিষিদ্ধ করে রেখেছে যারা মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিল, এ জন্য কোন খনিকের ছেলে ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়েছে বলেছে? শেখ হাসিনা হুদাই দেশপ্রেম মারাইছে! এই দেশের মানুষের কোন নীতি আদর্শ বিবেক নেই। দেশটাকে পাকিস্তানের কাছে বেচে দেন কেউ শব্দ করবে না। বার্মা চীন আমেরিকা পাকিস্তান এই দেশকে তাদের করদরাজ্য বানাক কেউ শব্দ করবে না। চুলকানি তাদের ভারত নিয়ে। আসলে এই চুলকানিটা হিন্দুদের নিয়ে। ভারত হিন্দুদের দেশ। এই দেশ থেকে পাইপলাইন দিয়ে তেল কিনে আনলেও সেটার নাম হয় হাসিনা গ্যাস দিয়ে দিচ্ছে ভারতকে। ভারত করিডর দিলেও বলা হয় বাংলাদেশকে ভারত একটা রাজ্য করে নিয়েছে। সৌদিরা মিসকিন ডাকলে এই দেশের মানুষের কানে মধুর মত লাগে। কিন্তু কোন ভারতীয় এসে এইদেশকে নিজের দেশের মত লাগছে বললেও সেটার তিন রকম অর্থ করা হয়!
এই দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত অংশগ্রহণ করেও শুনতে হয় তাদের স্বার্থ ছিল! আর পাকিস্তান ক্রিকেটে হারলে রাতে ভাত খায় না! ইন্দিরা গান্ধী নয়, স্বাধীনতার সাড়ে তিন বছর পর গণহত্যাকারী ভূট্টো এই দেশে জনপ্রিয় হয়।
শেখ হাসিনা আপনি আসুন। যে যা চায় দিয়ে দিবেন। খালি বলাতকারী কওমি, কমিউনিস্ট, রাজাকার আল বদর, লাল বদর প্রো-পাকিস্তানীদের বোতলে ভরে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিবেন!
-সুষুপ্ত পাঠক
১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সুষুপ্ত পাঠক's Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : এম জি কিবরিয়া চৌধুরী
দৈনিক বাংলাদেশ অর্থনীতি ৮৫, নয়াপল্টন (৪র্থ তলা) ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১২-৭১৪৪৯৩, ০১৫৩৪-৬৪৬১৪১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত