বিরোধীদলীয় নেতারা বলছেন, সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের উদ্দেশ্য গণভোটের ম্যান্ডেটকে পাশ কাটানোর চেষ্টা। তাঁদের ভাষায়, সংস্কার পরিষদই বৈধ প্ল্যাটফর্ম। সংসদীয় কমিটি তৈরি করে মূল প্রক্রিয়াকে দুর্বল করা হচ্ছে।
তবে সরকারি দল বিএনপি এখনো আশাবাদী, বিরোধী দল শেষ পর্যন্ত বিশেষ কমিটিতে তাদের প্রতিনিধিদের নাম যুক্ত করবে। সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে জুলাই সনদের প্রস্তাবের আলোকে সংবিধান সংশোধন হবে।
এ বিষয়ে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন জুলাই সনদের প্রতিটি পর্ব অক্ষরে অক্ষরে পূরণ করবেন। সেই আলোকে জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিরোধী দল পাঁচজনের নাম জমা দিলে বিশেষ কমিটির কার্যক্রম শুরু হবে।’
এ বিষয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, সংসদ এবং কমিটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সরকারি দল যা চাইবে তাই হবে। তাই এ ধরনের কমিটিতে অংশগ্রহণ অর্থহীন এবং বৈধতা দেওয়া ছাড়া আর কিছু নয়। তিনি বলেন, জামায়াত বা ১১ দলের নিজস্ব কোনো দাবি নেই। গণভোটের ফলাফল যেভাবে হয়েছে, সেভাবেই সংবিধান সংস্কার করতে হবে।’
সম্পাদক ও প্রকাশক : এম জি কিবরিয়া চৌধুরী
দৈনিক বাংলাদেশ অর্থনীতি ৮৫, নয়াপল্টন (৪র্থ তলা) ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১২-৭১৪৪৯৩, ০১৫৩৪-৬৪৬১৪১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত