সোমবার দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ড. আহমদ কায়কাউসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাওয়া যায়। অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়। পরিপ্রেক্ষিতে পাওয়া প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, একই ধরনের অভিযোগে কায়কাউসের বিরুদ্ধে দুদকের মানিলন্ডারিং অনুবিভাগের নথি নং-০০.০১.০০০০.৪০৩.০১.১০০.২৫-এর মাধ্যমে অনুসন্ধান চলছে।
অন্যদিকে, সাবেক সংসদ সদস্য আলিউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিমের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জমি দখল, নিয়োগ বাণিজ্য, দলীয় পদ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ এবং হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগও করা হয়েছে।
দুদকের নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, নাসিমের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, নোয়াখালীর নথি নং-০০.০১.৩০০০.৬২৪.০২.০১৫.২৫-এর মাধ্যমে ইতোমধ্যে তদন্ত চলছে। নতুন করে পাওয়া অভিযোগটিও ওই নথির সঙ্গে সংযুক্ত করে তদন্তের সুপারিশ করা হয়েছে।
গোয়েন্দা প্রতিবেদন ও গোয়েন্দা ইউনিটের সুপারিশের ভিত্তিতে অভিযোগটি চলমান তদন্তের সঙ্গে যুক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দুদকের মহাপরিচালক (তদন্ত-২) বরাবর পত্র পাঠানোর অনুমোদনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই ও চলমান অনুসন্ধান-তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগের সত্যতা তদন্তে প্রমাণিত হওয়ার আগে কোনো ব্যক্তিকে অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে না।
সম্পাদক ও প্রকাশক : এম জি কিবরিয়া চৌধুরী
দৈনিক বাংলাদেশ অর্থনীতি ৮৫, নয়াপল্টন (৪র্থ তলা) ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১২-৭১৪৪৯৩, ০১৫৩৪-৬৪৬১৪১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত