ফরিদপুরের সালথায় জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় মো. আমিন খন্দকার (৪৫) নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চান্দাখোলা মোন্তারমোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আমিন খন্দকার উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চান্দাখোলা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি উপজেলা আওয়ামী কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক।
জানা গেছে, জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বড় বাংরাইল এলাকার মনির বিশ্বাস সঙ্গে মিশরু মিয়ার বিরোধ চলছিল। এরই জেরে মঙ্গলবার বিকেলে উভয়পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে।
এ সময় বেশ কয়েকজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জড়ো হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী ধরে চলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ।সংঘর্ষের পর পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়ে উভয়পক্ষের অন্তত আটটি বসতবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।
এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে গুরুতর আহত ছয়জনকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সালথা থানার ওসি বাবলুর রহমান খান বলেন, ‘মঙ্গলবার সকালে অভিযান চালিয়ে কৃষক লীগ নেতা আমিন খন্দকারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে সোনাপুর ইউনিয়নের বড় বাংরাইল গ্রামে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি ছিলেন তিনি।
ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।’
সম্পাদক ও প্রকাশক : এম জি কিবরিয়া চৌধুরী
দৈনিক বাংলাদেশ অর্থনীতি ৮৫, নয়াপল্টন (৪র্থ তলা) ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১২-৭১৪৪৯৩, ০১৫৩৪-৬৪৬১৪১