তার চরিত্রে অনর্গল অবিস্মরণীয় মুহূর্তের মালা গেঁথে গেছে, কী সহজ সাবলীল উপচেপড়া প্রতিভার প্রবুদ্ধ প্রকাশে প্রসেনজিৎ! এবং প্রসেনজিৎ প্রতিটি মুহূর্তে আগের মুহূর্তের সীমানা ছাড়িয়ে, আরও গভীর, আরও প্রসারী, আরও স্পর্শময়, আরও সংবেদী! এই ছবির গূঢ়তম অভিমান প্রসেনজিৎ। শেষ পর্যন্ত অনির্ণেয় রহস্য প্রসেনজিৎ। এবং ক্রমাগত প্রসারিত আকাশ প্রসেনজিৎ। আমি বিস্মিত। মুগ্ধ। তার প্রতিভার কাছে কৃতজ্ঞ। এই ছবির গল্প লিখেছে যিশু, যিশু সেনগুপ্ত, বিখ্যাত অভিনেতা। সে গল্পটা ভেবেছে, লিখেছে, ক্যামেরায় চোখ রেখে, সিনেমার ইডিয়ামে। সিম্পলি ব্রিলিয়ান্ট, যেভাবে সে গল্পে মিশিয়ে খোলা ছাদে অসংখ্য মোমবাতির গলন তার আর শুভশ্রীর (ছবিতে শুধু ‘শ্রী’ সন্ধ্যারাগ অর্থে) হৃদয় গলনের সঙ্গে। এবং যিশুর সমস্ত গল্প জুড়ে এক ম্যাজিক তারল্য, অভিমানের।