তখন অঘোষিত আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল মালেক উকিল ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক ভাইরা নেতৃত্বেদেন তারা দুজনে ভাগ করে নেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কমিটি। তখন মূলত ছাত্রলীগের জনপ্রিয় নেতা ছিলেন কিশোরগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান ভাই তারই হবার কথা ছিল বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি। কিন্তু রাজ্জাক ভাই এবং মালেক ভাই কমিটি ভাগ করে নেন। একজন নোয়াখালীর সভাপতি তিনি সভাপতি তৈরি করেন এবং রাজ্জাক ভাই ছিলেন সাধারণ সম্পাদক তিনি তার ফরিদপুর অঞ্চলে সাধারণ সম্পাদক তৈরি করেন। সেখানের সুত্র ধরে বললে রাজনৈতিক যোগ্যতায় কাদের ভাই সভাপতি হয়েছে, সেটা বলা সুযোগ নাই। তাই অনেকেই বলে থাকেন কাদের ভাই দুঃসময়ের নেতা তাতে কোন সন্দেহ বা আপত্তি নেই। কিন্তু তখন যদি সঠিকভাবে কমিটি করা হতো তাহলে ফজলুর রহমান ভাই হতেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের তখনকার সভাপতি, কাদের ভাই হতেন না। এই লবিং ও গ্রুপিং এ সভাপতি হওয়ার কারণে কাদের ভাইয়ের মধ্যে এই লোভিং গ্রুপিংটা রয়ে গেছে। সব সময় এ কারণেই তিনি সবসময় তার মাইমেন খুঁজে কমিটি দেওয়ার চেষ্টা করতেন। আমি যদি ভুল বলে থাকি এখনো ফজলুর রহমান ভাই জীবিত আছেন তাকে জিজ্ঞেস করুন। আমার তথ্য যদি ভুল হয়ে থাকে আমি সকলের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেব এবং কথা দিচ্ছি জীবনে আর কোন দিন আওয়ামী লীগ নিয়ে কোন কথা বলবো না।
সম্পাদক ও প্রকাশক : এম জি কিবরিয়া চৌধুরী
দৈনিক বাংলাদেশ অর্থনীতি ৮৫, নয়াপল্টন (৪র্থ তলা) ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১২-৭১৪৪৯৩, ০১৫৩৪-৬৪৬১৪১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত