প্রিন্ট এর তারিখঃ অগাস্ট ২৫, ২০২৬, ৮:১২ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ অগাস্ট ৪, ২০২৬, ১০:৫৯ পি.এম
৫ আগস্ট আগেই…শেখ হাসিনা কে রেখেই এয়ারপোর্ট দিয়ে নেতা মন্ত্রী এম পি দেশের বাইরে
অনলাইন মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
২০২৪ সালের আজকের এই দিনে এই সময়ে আমরা লড়ে যাচ্ছিলাম ধানমন্ডি এলাকায়। অথচ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির অনেক নেতা মন্ত্রী এম পি দেশরত্ন শেখ হাসিনা কে রেখেই এয়ারপোর্ট দিয়ে দেশের বাইরে চলে গিয়েছিল। ৫ আগস্টের আগেই যারা দেশত্যাগ করেছিলো সে সমস্ত অমানুষদের জবাবদিহিতার আওতায় এনে জবাব না চাইলে এটা তৃনমূলের সাথে প্রতারণার শামিল ।
আর যারা এখন সরকারের সাথে আতাত করে নিজেদের ব্যবসা বানিজ্য বাংলাদেশে চালাচ্ছে এবং যাদের আত্মীয় স্বজনরা স্বাভাবিক জীবন যাপন করতেছে ঘুরে বেড়াচ্ছে আওয়ামীলীগ দেখলে না চেনার ভান করছে আর যাই হউক তাদের খবরদারি মানবোনা চলবেনা ।
শেখ হাসিনা একমাত্র ঐক্যের প্রতীক । শেখ হাসিনার সরকার কে যারা লুটপাটের হাতিয়ার হিসেবে ব্যব্যবহার করেছে তাদের খবরদারি এবং নতুন করে দলের মধ্যে চাঁদাবাজি চলবেনা মানবোনা ।
কথা পরিষ্কার শেখ হাসিনা ছাড়া কোন নেতা নাই………….
শেখ হাসিনা ছাড়া কোন গান্ডুদের অযাচিত খবরদারি চলবেনা
যারা ৫ তারিখের আগে দেশ ছেড়েছে অবশ্যই তাদেরকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে।৫ তারিখের পর এবার প্রেক্ষাপট ভিন্ন যেতেই পারে তবে তাদের ৫ তারিখ পর্যন্ত এক্টিভিটি কি সেটাও দেখতে হবে।আর যারা বর্তমানে নিজের এলাকায় অবস্থান করছে সেটাও এই মহুর্তে কম কিছু নয় আমার দেখা কয়েকজন আছে যাদেরকে কোন অপশক্তি অথবা পুলিশ গিয়ে ধরে নিয়ে আসারো ক্ষমতা নেই তাদেরকে আমি সেলুট জানাই।এমনকি আমি নিজেও আমার এলাকায় অবস্থান করার মতো ক্ষমতা রাখি তাই বলে আপোষ করে নয় কারো কলিজায় গুদ্ধা হয়নি আমাকে কিছু বলার।৫ তারিখের পর নিজের অবস্থানেই ছিলাম একটা কারণ বশত দেশের বাইরে ছিলাম কিছুদিন যাওয়ার আগে গুলিস্তান পার্টি অফিসে সর্বপ্রথম মিছিলটাও আমরা করেছিলা ৫ তারিখের পর।কারণ শেষ আবারো চলে এসেছি।
রাজপথের অপেক্ষায় আছি।
Didar Husen Saju
নেত্রী কে যাহারা ভূল ইনফরমেশন দিয়ে তৃণমূলের কাছ থেকে অনেক দূরে ঠেল দিয়েছিল তাহারা সবাই বিদেশে বসে লম্বা ভূলি দিচ্ছে, প্রকৃত আওয়ামীলীগরা কষ্টে দিন যাপন করছে,,আবারও সময় মত তাহারা লাভবান হবে।
জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলাম সেদিন। অথচ তারাই আজ অনলাইনে সবচেয়ে বেশি বক্তব্য দেয়।
ভাই ঐদিন আপনিসহ ধানমন্ডি ৩/এ তে সকাল দশটার দিকে সময় হাতে গোনা ১০-১২ জন লোক ছিলাম আমরা।
লাস্ট দিন পর্যন্ত রাত ১১ টা পর্যন্ত আপনি, মাহবুব ভাই সহ এক সাথে ছিলাম, ধানমন্ডি তে।
আমরা পালিয়েছি আমাদের কোন অবদান নাই আর
৪ই আগস্ট ধানমন্ডি ও গুলিস্তান পার্টি অফিসে যখন সাধারণ ও অসহায় কর্মীরা মাঠে টিকে থাকার জন্য লড়াই করছিলেন, তখন দলের শীর্ষ ও সিনিয়র নেতারা তাদেরকে বিপদের মুখে ফেলে গোপনে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। সাধারণ কর্মীদের এই চরম সংকটে ফেলে পালিয়ে যাওয়া নেতাদের প্রতি রইলো তীব্র ধিক্কার ও "সালাম"।
সবচেয়ে বড় প্রহসন হলো, চরম সংকটের মুহূর্তে যখন স্বয়ং নেত্রী দেশে অবস্থান করছিলেন, তখন এই সুবিধাবাদী নেতারা নেত্রীকে একা রেখেই দেশ ছেড়েছেন। অথচ আজ তারাই দূর দেশে নিরাপদে বসে "নেত্রীর হাতকে শক্তিশালী করার" ফাঁকা বুলি আওড়াচ্ছেন এবং নেত্রীর জন্য "জীবন দিতে প্রস্তুত" বলে ভণ্ডামি করছেন। এই দ্বিমুখী নীতি ও কাপুরুষতা কেবলই এক হাস্যকর নাটক।
Jasmin Akter
ভাই আমরা রাসেল স্কয়ার সকাল থেকে কারফিউ শুরু হওয়া পর্যন্ত ছিলাম,লিলিআপুর নেতৃত্বে যুবমহিলা লীগের আমরা ২০-৫০ জন মেয়ে ছিলাম।জীবনটা হাতে নিয়ে আমরা ফিরে ছিলাম
বঙ্গবন্ধুর রক্ত,,,, এত সহজেই দাবানো সম্ভব না।
সকল সংসদ সদস্যের ভেরিফাইড ফেইসবুক আইডি ও পেইজ এবং ইউটিউব চ্যানেল থেকে লাইভ প্রচার হবে। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এবং বাংলাদেশ যুবলীগ সহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের ফেইসবুক আইডি ও পেইজ থেকে লাইভ শেয়ার করে সর্বসাধারনের কাছে পৌঁছে দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হইছে।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু,,,,,
-
Siddique Nazmul Alam's Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : এম জি কিবরিয়া চৌধুরী
দৈনিক বাংলাদেশ অর্থনীতি ৮৫, নয়াপল্টন (৪র্থ তলা) ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১২-৭১৪৪৯৩, ০১৫৩৪-৬৪৬১৪১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত