প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ১১, ২০২৬, ৩:০৯ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুলাই ৯, ২০২৬, ১২:৪৮ এ.এম
জাপান একটা সুশৃঙখল জাতি।
:অনলাইন: ০৮ জুলাই, ২০২৬
গত ত্রিশ বছরের মধ্যে কোনো দূর্নীতি নেইজাপানে রাস্তার মোড়ে মোড়ে কোনো মসজিদ নেই, রাত জেগে ওয়াজ নেই, নসিহত নেই, ধর্মীয় স্কলার নেই, মাজার নেই, ওরশ নেই, পীর নেই, মুরিদ নেই, কুতুব নেই, আবদাল নেই, তাবলীগ নেই, আমরা শ্রেষ্ঠ জাতি বলেও কোনো কিছুই নেই। এগুলো ছাড়াই , কোনো ঘুষ নেই, কোনো ধর্ষণ নেই, স্কুলে কোনো ছাত্রকে বেত্রাঘাতের রেকর্ড নেই। কোনো কাজের জন্য কোনো ফাইল আটকে পড়ার নজির নেই। কারো সুপারিশ ছাড়া কোনো ছাত্র স্কুলে ভর্তি হতে পারছেনা, কারো প্রমোশন হচ্ছেনা- এমন দৃষ্টান্তও নেই। দলীয় ভাবে জাপানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষকের নিয়োগের নজিরও নেই। রাস্তায় পড়ে থাকা বুভুক্ষু মানুষও নেই। আছে শুধু কর্মনিষ্ঠা, শৃঙখলা।
ভূমিকম্পের সময় সব খাবার ক্যাম্পে রেখে দেয়া হয়েছিলো। নিজের প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কেউ একটা রুটিও নিয়ে যায়নি। ত্রান কেন্দ্রে একজন প্রহরীকেও পাহারাদার রাখতে হয়নি। লাইন দাঁড়িয়ে সবাই যার যার মতো প্রয়োজনীয় খাবার নিয়ে গেছে। লাইন দাঁড়ানো শেষ ছেলেটির হাতে খাবার প্যাকেট দেয়ায় -সে সেই প্যাকেট আবার লাইনের সামনে রেখে এসেছে। যদি তার সামনে দাঁড়ানো কারো খাবার কম পড়ে যায়।
জাপানে কোনো কালো বাজারি দ্রব্যের দাম বাড়িয়ে মানুষকে জিম্মি করেনা। কেউ খাবারে ভেজাল মেশায় না। রাস্তাঘাট গুলো এতো ঝকঝকে পরিষ্কার। নিজের চেহারা রাস্তায় দেখা যায়। শুধু বয়স্ক কিংবা যুবকরা না একজন শিশুও জাপানের রাস্তায় যেখানে সেখানে ময়লা ফেলে রাখেনা। কোনো প্রোগ্রাম এক মিনিট দেরিতে শুরু হয় না। এক মিনিট ট্রেন লেট করেছিলো বলে - পত্রিকার পাতায় ক্ষমা চাওয়া হয়েছিলো।
টেকনোলজি আর ডেভেলপমেন্টে জাপান পৃথিবী থেকে দশ বছর এগিয়ে আছে। পুরো পৃথিবীর খাবার ফুরিয়ে গেলেও জাপানে আগামি ত্রিশ বছরের জন্য খাবার মজুদ আছে। বোমায় কয়লা হয়ে যাওয়া জাপান পুরো দুনিয়ার গাড়ীর বাজারে নেতৃত্ব দিচ্ছে। অথচ, জাপানে ভার্চুয়ালি কোনো ন্যাচারাল রিসোর্স বলতে কিছুই নেই।
জাপানের মানুষের মাঝে আছে শুধু বিনয় আর বিনয়। আর ক্ষমা প্রার্থনা। অবসরে যাওয়া জাপানি প্রধানমন্ত্রী বারবার বলছেন- কি করতে পেরেছি তার জন্য দয়া করে গুণ কীর্তন করবেন না। বরং যা করতে পারিনি সেটার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি। দু হাত একসাথে করে- জনগনের সামনে মাথা নীচু করে- (যেটা জাপানি কালচার) - বারবার ক্ষমা চাচ্ছিলেন জাপানের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী সিনজো আবে। (সংগৃহীত)
লেখাটা সেয়ার করা এজন্য যে , এখান থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।আমি চেষ্টা করবো যতটা সম্ভব জীবনে অনুসরণ করতে । ইনশাআল্লাহ।
সবার জন্য শুভকামনা।
Author Adv Umme Salma Sumi's Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এলেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
Mizanur Rahman Liton
কথাগুলো অবশ্যই বাস্তবতা নয়। কারণ এর অধিকাংশই জাপানে সংগঠিত হয়। ব্যভিচারে নিমজ্জিত একটা দেশ নিয়ে এত গর্ব করার কিছুই নেই। বাংলাদেশ যদি অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ থাকতো, তাহলে বাংলাদেশও বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারতো। কথায় আছে না অভাবে স্বভাব নষ্ট, তাই আর কি। ইনশাআল্লাহ আপনি আমি সবাই যদি যার যার অবস্থান থেকে সঠিক হওয়ার চিন্তাভাবনা করি। তাহলে এই দেশও একদিন ঘুরে দাঁড়াবে। আমরা এ প্রত্যাশা করতেই পারি। ইনশাআল্লাহ
AB Jalil Akon
আমরা মুসলিম আমরাই পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি কিন্তু আমাদের পিছনে পড়ে আছে পশ্চিমা সংস্কৃতি যারা আমাদের চির শত্রু তারা আমাদেরকে সামনে পিছন থেকে ডান থেকে বাম থেকে দুর্নীতির ইনজেকশন পুশ করে যার কারনে আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারি না আমরা যেখানেই হাত দেই সেখানেই আমাদের উপরে আঘাত করে আমরা চতুর্দিক থেকে বেরিবাদের মতোবন্দী জীবন নিয়ে বসবাস করছি ওরা আমাদের ভালো কোন একটি দিককে তুলে ধরতে দেয় না ওদের পৃথিবীতে আধুনিকতার সকল চাবি কাঠি ওদের নিয়ন্ত্রণে যার কারণে মিডিয়া থেকে শুরু করে যাবতীয় যা কিছু পৃথিবীতে আবিষ্কার হয়েছে ছবি ওদের নিয়ন্ত্রণে ওরা আমাদের কিছু লোভী চরিত্রহীন মানুষের চরিত্রকে সারা পৃথিবীর বুকে খারাপ জাতি হিসেবে তুলে ধরে তাই আমরা ওদের সঙ্গে পারছি না যেদিন স্বয়ং আল্লাহ তা'আলা ওদের গলা চিপে ধরবে সেদিনই আমরা আমাদের আদর্শ চরিত্র সৌন্দর্য পৃথিবীর মানচিত্রে ঘুম থেকে উঠবে ইনশাআল্লাহ।
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এলেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : এম জি কিবরিয়া চৌধুরী
দৈনিক বাংলাদেশ অর্থনীতি ৮৫, নয়াপল্টন (৪র্থ তলা) ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১২-৭১৪৪৯৩, ০১৫৩৪-৬৪৬১৪১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত