
আইএমএফ বলেছে, চলতি বছর নামমাত্র মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) নিরিখে জাপান চতুর্থ বৃহত্তম দেশ হিসেবেই থাকবে। কিন্তু ২০২৭ সালে ভারত ৪.৫২ ট্রিলিয়ন ডলারের জিডিপি নিয়ে জাপানের স্থান দখল করতে চলেছে।
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও ভারত সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি দেখিয়েছে।
এই সপ্তাহে আইএমএফ ২০২৬ সালের জন্য ভারতের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.০ শতাংশে উন্নীত করেছে।
আইএমএফ-এর এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বর্তমান জ্বালানি সংকটে ভারত একটি শক্তিশালী অবস্থান থেকে মোকাবেলা করেছে।
তিনি বলেন, চলতি বছর ভারতের অর্থনীতির মৌলিক ভিত্তিগুলো বেশ মজবুত ছিল।
তাদের প্রবৃদ্ধি বেশ শক্তিশালী। রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিচক্ষণতার পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ করেছে। ফলে চলমান ধাক্কা তারা ভালোভাবে সামাল দিতে পেরেছে।
দীর্ঘদিন ধরে মুদ্রা সংকোচনের সমস্যায় জর্জরিত জাপানে ২০২২ সালের বসন্তকাল থেকে ভোক্তাপণ্যের দামে ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেখা গেছে এবং ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের আকাশছোঁয়া দাম এই বৃদ্ধিকে আরো ত্বরান্বিত করেছে।




















