, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাত্র ১১ বছর আগের ইউনুসপ্রেমী আনিসুল হক

  • প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে
  • ২ পড়া হয়েছে

অনলাইন  বুধবার ১৪ অক্টোবর ২০২৬

মাত্র ১১ বছর আগের ইউনুসপ্রেমী আনিসুল হক
কাশিমপুর এক নম্বর জেলের ফাঁসির সেলে (ত্রিশ সেল হিসেবে পরিচিত) ২০১৫ সালের ১০ জুলাই আনিসুল হকের লেখাটা পড়ে মনেমনে আচ্ছাকরে গালি দিলাম – দালাল কোথাকার। বুঝতে কষ্ট হলোনা ওই দীর্ঘ লেখার উদ্দেশ্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেক নজরে পড়ে সুযোগ-সুবিধা আদায়। ধান্দাবাজদের অভ্যেস এমনই। অথচ এখন ওই আনিসুলই বিশাল আওয়ামীলীগ বিদ্বেষী। নিউ ইয়র্ক জেএফকে বিমানবন্দরে ইউনুসের উপর দিয়ে মৃদু দমকা হাওয়া বয়ে যাওয়াতে আনিসুলের ভীষণ গোস্বা। দীর্ঘ বিবৃতিও দিয়ে দিয়েছেন। বাই দ্যা ওয়ে। আনিসুলের স্ত্রী, মেরিনা ইয়াসমিন বহুবছর মার্কিন দূতাবাসের ইনফরমেশন সেন্টারে চাকরি করেছেন। খুবই ভালো মানুষ। এখন তিনি কোথায় জানিনা। আমেরিকান নাগরিকত্ব নিয়েছেন নিশ্চিত। সেই সূত্রে আনিসুলেরও মার্কিন নাগরিকত্ব না থাকার কোনো কারণ নেই। মানে, চব্বিশের অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বিদেশী পাসপোর্টধারী বর্গীদস্যুদের যে কবলে পড়েছে – ওই লুটেরা বাহিনী আনিসুলের বিপক্ষের কেউ নয়।
যাই হোক। একসময়ের কট্টর আওয়ামী সমর্থক আনিসুল হকের ২০১০ সালে লেখাটা খুঁজে পেলাম জাতীয় সংসদের আর্কাইভে। প্রথম আলো সম্ভবত ওটা ডিলিট করে ফেলেছে। লিঙ্কটা কমেন্ট বক্সে দেখুন।

Shoeb Chowdhury’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

মাত্র ১১ বছর আগের ইউনুসপ্রেমী আনিসুল হক

প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে

অনলাইন  বুধবার ১৪ অক্টোবর ২০২৬

মাত্র ১১ বছর আগের ইউনুসপ্রেমী আনিসুল হক
কাশিমপুর এক নম্বর জেলের ফাঁসির সেলে (ত্রিশ সেল হিসেবে পরিচিত) ২০১৫ সালের ১০ জুলাই আনিসুল হকের লেখাটা পড়ে মনেমনে আচ্ছাকরে গালি দিলাম – দালাল কোথাকার। বুঝতে কষ্ট হলোনা ওই দীর্ঘ লেখার উদ্দেশ্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেক নজরে পড়ে সুযোগ-সুবিধা আদায়। ধান্দাবাজদের অভ্যেস এমনই। অথচ এখন ওই আনিসুলই বিশাল আওয়ামীলীগ বিদ্বেষী। নিউ ইয়র্ক জেএফকে বিমানবন্দরে ইউনুসের উপর দিয়ে মৃদু দমকা হাওয়া বয়ে যাওয়াতে আনিসুলের ভীষণ গোস্বা। দীর্ঘ বিবৃতিও দিয়ে দিয়েছেন। বাই দ্যা ওয়ে। আনিসুলের স্ত্রী, মেরিনা ইয়াসমিন বহুবছর মার্কিন দূতাবাসের ইনফরমেশন সেন্টারে চাকরি করেছেন। খুবই ভালো মানুষ। এখন তিনি কোথায় জানিনা। আমেরিকান নাগরিকত্ব নিয়েছেন নিশ্চিত। সেই সূত্রে আনিসুলেরও মার্কিন নাগরিকত্ব না থাকার কোনো কারণ নেই। মানে, চব্বিশের অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বিদেশী পাসপোর্টধারী বর্গীদস্যুদের যে কবলে পড়েছে – ওই লুটেরা বাহিনী আনিসুলের বিপক্ষের কেউ নয়।
যাই হোক। একসময়ের কট্টর আওয়ামী সমর্থক আনিসুল হকের ২০১০ সালে লেখাটা খুঁজে পেলাম জাতীয় সংসদের আর্কাইভে। প্রথম আলো সম্ভবত ওটা ডিলিট করে ফেলেছে। লিঙ্কটা কমেন্ট বক্সে দেখুন।

Shoeb Chowdhury’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।