, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কমিশনার ফারুক ও তাঁর স্ত্রীর ১ কোটি ৪৭ টাকা এবং প্রায় ৩ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ

  • প্রকাশের সময় : ২ ঘন্টা আগে
  • ১ পড়া হয়েছে
অনলাইন  বুধবার ১৪ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক ও তাঁর স্ত্রী শারমিন আক্তার খানের নামে থাকা স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আয়েশা আক্তার আজ বুধবার এই আদেশ দেন। দুদকের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

খন্দকার গোলাম ফারুক ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে ২০২২ সালের ২২ অক্টোবর ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার হন। এক বছরের মতো এই দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, খন্দকার গোলাম ফারুক ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার খানের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। অনুসন্ধানকালে সংগৃহীত রেকর্ডপত্র, সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্যাদি এবং আয়কর নথি পর্যালোচনা করা হয়েছে।

খন্দকার গোলাম ফারুকের নামে দায়বাদে নিট সম্পদের মূল্য ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকা এবং পারিবারিক ব্যয় ৩৬ লাখ ৭৯ হাজার টাকাসহ তার অর্জিত মোট সম্পদের মূল্য ৪ কোটি ১৩ লাখ ২৩ হাজার টাকা। এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ ২ কোটি ৮৫ লাখ ৪১ হাজার টাকা। এক্ষেত্রে তার আয়ের চেয়ে অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ২৭ লাখ ৮২ হাজার টাকা বেশি, যা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ বলে প্রতীয়মান হয়।

জনপ্রিয়

কমিশনার ফারুক ও তাঁর স্ত্রীর ১ কোটি ৪৭ টাকা এবং প্রায় ৩ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ

প্রকাশের সময় : ২ ঘন্টা আগে
অনলাইন  বুধবার ১৪ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক ও তাঁর স্ত্রী শারমিন আক্তার খানের নামে থাকা স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আয়েশা আক্তার আজ বুধবার এই আদেশ দেন। দুদকের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

খন্দকার গোলাম ফারুক ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে ২০২২ সালের ২২ অক্টোবর ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার হন। এক বছরের মতো এই দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, খন্দকার গোলাম ফারুক ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার খানের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। অনুসন্ধানকালে সংগৃহীত রেকর্ডপত্র, সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্যাদি এবং আয়কর নথি পর্যালোচনা করা হয়েছে।

খন্দকার গোলাম ফারুকের নামে দায়বাদে নিট সম্পদের মূল্য ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকা এবং পারিবারিক ব্যয় ৩৬ লাখ ৭৯ হাজার টাকাসহ তার অর্জিত মোট সম্পদের মূল্য ৪ কোটি ১৩ লাখ ২৩ হাজার টাকা। এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ ২ কোটি ৮৫ লাখ ৪১ হাজার টাকা। এক্ষেত্রে তার আয়ের চেয়ে অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ২৭ লাখ ৮২ হাজার টাকা বেশি, যা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ বলে প্রতীয়মান হয়।