
অনলাইন মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬,
অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ গুলশান আরাকে গ্রেফতার করেছে বিএনপি ও জামায়াতের নব্য হিটলারের গেস্টাপো পুলিশ। ৪৫০ টা থানায় আগুন দেওয়ার ক্ষত এত সহজে পুলিশ ভুলে গেল?
গত কয়েক মাস ধরে পুলিশ আমাকেও খুঁজছে। আমাদের বাড়িতে কয়েকবার খুঁজে এসেছে।আমার খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে। এইভাবে গত প্রায় তিনটি বছর ধরে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা বুক ভরা সাহস নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। মৃত্যু তাদের ভয় দেখাতে পারেনি। বিএনপি ও জামায়াতের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে মানুষ মুখ খুলতে শুরু করে দিয়েছে।ওরা যত গ্রেফতার করবে , আমরা সংখ্যায় ততই বেশি হবো।এই বাংলাদেশ আমাদের ।এটা বিহারী ও কাঙালীদের দেশ নয়। এই বাংলাদেশ বাঙালিদের।
গুলশান আরার গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে বিএনপি ও জামায়াত নিজেদের স্বৈরাচারী শাসনের আরেকটি নমুনা দেখালো। যুগে যুগে স্বৈরাচারী শাসকদের জন্ম হয়েছে।ওরা অস্ত্রের মুখে প্রীতিলতাদের ভয় দেখাতে চেয়েছে। এভাবেই ব্রিটিশের দুর্গের পতন হয়েছে, পাকিস্তানীরাও একদিন লেজ গুটিয়ে বাংলাদেশ ছেড়েছে।প্রীতিলতারাই কখনোই সাহস হারায়নি।যুগে যুগে ওদের নবজন্ম হয়েছে। এভাবেই বাঙালি বারবার স্বৈরশাসন মুক্ত হয়ে নতুন ইতিহাস লিখে।বিজয় সবসময় বাঙালিদের হয়েছে।বিহারী ও কাঙালীরা এই দেশে ক্ষণিকের অতিথিই ছিল। দিনশেষে আবারও বিজয় আমাদের হবে।
আচ্ছা, নোবেলকে পুলিশ কেন খুঁজছে?
সে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে নিজের জীবনের চাইতেও বেশী ভালোবাসে।
ও , দেশকে ভালোবাসাও আজকাল বাংলাদেশে অপরাধ?
তা এই দেশটা এখন কারা চালাচ্ছে?
উত্তর: পাকিস্তানের হানাদার ক্যান্টনমেন্ট।
বিএনপি ও জামায়াতের বুকে ভয় ধরে গেছে। ওদের নির্যাতনের মাত্রা যত বেশি হবে, ততই ঐক্যবদ্ধ হবে দেশের মানুষ। একদিন এই দেশ বাঁচাতে মা ও বোনেরা দলে দলে ঝাড়ু হাতে রাজপথে নামবে।শ্রমিক ও কৃষকের দল নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচাতে রাস্তায় নেমে আসবে। দলে দলে তরুণ ও তরুণীরা তাদের মা ও বোনের সম্ভ্রম বাঁচাতে রাস্তায় নামবে। রাজপথ পরিণত হবে জয় বাংলার মিছিলের নগরীতে। সেইদিন আপনাদের সাথে সেই রাজপথে একজন আলফ্রেড নোবেলও থাকবে। অলিতে গলিতে ডিনামাইট বিস্ফোরণ হবে। ভাবছেন, আওয়ামীলীগ ভয় পেয়েছে?
না, ওরা ধেয়ে আসছে রাজধানীর দিকে। মহাপ্রলয়ের ও সুনামির সতর্কবার্তা দেওয়ার আগেই হঠাৎ করে বিএনপি ও জামায়াত উধাও হয়ে যাবে। ইউনূস ও আলী রিয়াজরা পালিয়েছে । বিএনপি ও জামায়াতেরও শেষ রক্ষা হবে না। বাংলাদেশে সবসময় বিজয় বাঙালিদের হবে। বুকের রক্তের কালি দিয়ে যারা এই দেশের লাল সবুজের পতাকার ইতিহাস লিখেছে , তাদের উত্তরসুরীরা ধেয়ে আসছে রাজধানীর দিকে।।এই মহাপ্রলয় আগামীর বাংলাদেশের নতুন এক ইতিহাস লিখবে।
ভালো থাকবেন, গুলশান আরা।।
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।





















