, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিরোধী দলের নেতাদের চায়ের আমন্ত্রণ রাহুল গান্ধীর

  • প্রকাশের সময় : ৫৬ মিনিট আগে
  • ১ পড়া হয়েছে

অনলাইন মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

বিরোধী দলের নেতাদের মঙ্গলবার চায়ের আমন্ত্রণ করেছেন লোকসভায় বিরোধী দলের নেতা ও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

ইন্সটাগ্রামে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আজ আমি আমার বাড়িতে ইন্ডিয়া অ্যালায়েন্সের নেতাদের, বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের, ছাত্র সংগঠনগুলোকে এবং সুশীল সমাজের বন্ধুদের চায়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘গণতন্ত্র রক্ষার এই গণআন্দোলনে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ এবং এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’

চা পানের এই অনুষ্ঠানের পর নেতারা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গেও কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন রাহুল গান্ধী।

রাহুল গান্ধী এবং ককরোচ জনতা পার্টিসহ বিরোধী দলগুলো প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করে আসছে।

‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’এর একটি প্রতিবেদনের প্রেক্ষাপটে এই দাবি তুলেছেন তারা।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, গত বছর বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা (এসআইআর) অভিযানের সময় নির্বাচন কমিশনারদের অনেক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জানানো হয়নি এবং দুই নির্বাচন কমিশনারই বারবার এই সিদ্ধান্তগুলোর বিরোধিতা করেছিলেন।

 

জনপ্রিয়

বিরোধী দলের নেতাদের চায়ের আমন্ত্রণ রাহুল গান্ধীর

প্রকাশের সময় : ৫৬ মিনিট আগে

অনলাইন মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

বিরোধী দলের নেতাদের মঙ্গলবার চায়ের আমন্ত্রণ করেছেন লোকসভায় বিরোধী দলের নেতা ও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

ইন্সটাগ্রামে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আজ আমি আমার বাড়িতে ইন্ডিয়া অ্যালায়েন্সের নেতাদের, বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের, ছাত্র সংগঠনগুলোকে এবং সুশীল সমাজের বন্ধুদের চায়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘গণতন্ত্র রক্ষার এই গণআন্দোলনে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ এবং এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’

চা পানের এই অনুষ্ঠানের পর নেতারা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গেও কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন রাহুল গান্ধী।

রাহুল গান্ধী এবং ককরোচ জনতা পার্টিসহ বিরোধী দলগুলো প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করে আসছে।

‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’এর একটি প্রতিবেদনের প্রেক্ষাপটে এই দাবি তুলেছেন তারা।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, গত বছর বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা (এসআইআর) অভিযানের সময় নির্বাচন কমিশনারদের অনেক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জানানো হয়নি এবং দুই নির্বাচন কমিশনারই বারবার এই সিদ্ধান্তগুলোর বিরোধিতা করেছিলেন।