
অনলাইন মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
ডিপষ্ট্রেটের গুপ্ত দালাল…
চ্যানেল আই বড় একটি ভূমিকা রেখেছিল মেটিকুলাস ডিজাইনের হয়ে। গোলাম মাওলা রনি প্রকাশ না করলে অজানা থাকতো। বিচারপতি মানিককে ফাঁসাতেই দীপ্তি চৌধুরী সেদিন টকশো শেষ হওয়ার পর এমন কিছু বলেছিলেন যে মানিক সাহেব রাজাকারের বাচ্চা বলতে বাধ্য হন। টকশো শেষ হবার পর গোলাম মাওলা রনি উঠে চলে যাবার পর, মানিক সাহেবকে দীপ্তি চৌধুরী এমন কিছু বলে তারপর সেই বিখ্যাত “আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান” বলে কান্না জড়ানো আহাজারি। শো শেষ হবার পরের এরকম একটি ঘটনার ভিডিও চ্যানেল আই লিক করে। এই ভিডিও পরে জুলাইয়ের সময় ভাইরাল করে আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের যাবতীয় আবদানকে সাময়িক সময়ের জন্য মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষের কাছেও বিরক্তিকর করে তোলে। এটা চ্যানেল আইয়ের একটা বড় অবদান।
গণভবনই শুধু নয়, হোয়াইট হাউস, বাকিংহাম প্যালেসের মত ভবনগুলোর ভেতরের নকশা কোথায় কি আছে সবটা সাধারণ্যে জানানো হয় না সিকিউরিটির অংশ হিসেবে। কিন্তু চ্যানেল আই গণভবনে গিয়ে শেখ হাসিনার বাগান, মাছ চাষ, হাঁস মুরগী পালন, তার আটপৌরে জীবনযাপনের উপর শাইখ সিরাজ অনুষ্ঠান তৈরি করে। গণভবনে ৫ আগস্ট কথিত ছাত্রজনতার সাবলীলভাবে প্রবেশ দেখে সেদিন লিখেছিলাম ভবনের ভেতরের পুরো নকশা জানা না থাকলে এভাবে সম্ভব ছিল না। কাজেই সেরকম ভিডিও কেউ সরবরাহ করেছিল। এখন দুয়ে দুয়ে চার মেলানো যায়।
চ্যানেল আইকে এসবের জন্য বছরের পর বছর বিশ্বাস অর্জন করতে হয়েছে। বঙ্গবন্ধু, রবীন্দ্রনাথ থেকে নির্মলেন্দু গুণের জন্মদিন পালন, জয় বাংলা পন্থী লেখক বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে একটা পরিবার গঠন করতে হয়েছে। না হলে শেখ হাসিনা আর কোন টেলিভিশনকে সুযোগ বা বিশ্বাস না করে তাদের কেন করতে গেলো?
রাজনীতিতে একটা পর্যায় পর্যন্ত অবিশ্বাস জারি রাখতেই হয়। একটা এরিয়ার পর প্রবেশ নিষেধ রাখতে হয়। অন্তত যে দেশে স্বাধীনতার পক্ষে ও বিপক্ষে বলতে দুটি শক্তি বিরাজমান!
-সুষুপ্ত পাঠক
১১ অক্টোবর, ২০২৬
Rubel Khan’s Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।




















