, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

একজন ধোয়া তুলসী পাতা তুল‍্য সাবেক সেনাপ্রধান- জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া।

  • প্রকাশের সময় : ০৬:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৩ পড়া হয়েছে

অনলাইন মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 🦊 একজন ধোয়া তুলসী পাতা তুল‍্য সাবেক সেনাপ্রধান- জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া।🦊🦊
সুত্রঃ Revealing Fact Fact Revealing এর পোস্ট থেকে নেওয়া। অনেক চমকপ্রদ তথ‍্য রয়েছে।
🦊 সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়ার (আইকেবি) ০৫ আগস্ট ২০২৪ পরবর্তী এবং বিশেষ করে সাম্প্রতিক তার বিভিন্ন বক্তব্য জাতির সামনে সেনাবাহিনীর সার্বিক ভাবমূর্তি এক চরম সংকটে তৈরী করছে বলে অনেকেই মনে করছে। অতি কাছ থেকে দেখা এবং জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়ার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের স্বাক্ষি হিসাবে আমার কথা বলা নৈতিক দায়িত্ব মনে করে এই লেখা।
🦊 জেনারেল আইকেবি বলেছেন, “শেখ হাসিনা মনে করতেন, দুর্নীতিগ্রস্ত সেনাকর্মকর্তারা তার সরকারের জন‍্য নিরাপদ”।
তার এই বক্তব্যের মাধ‍্যমে জেনারেল জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া স্বীকার করে নিলেন, তিনি নিজে একজন দুর্নীতিগ্রস্ত জেনারেল ছিলেন বলেই শেখ হাসিনা তাঁকে যোগ‍্যতা না থাকা সত্বেও (HSC পাশ) সেনাপ্রধান বানিয়ে চাকুরীর শেষ দিন পর্যন্ত রেখেছিলেন।
🦊 র‍্যাব এ সেনা অফিসাররা দশ হাজার টাকার বিনিময়েও মানুষ হত‍্যা করতো।
একজন সাবেক সেনাপ্রধান কিকরে এমন একটি মন্তব্য করতে পারলেন সেনাবাহিনীর ঐ সকল অফিসারের নিয়ে যারা বিভিন্ন সময় র‍্যাব এ চাকুরী করেছে? তার তিন বছর সেনাপ্রধানের দায়িত্বকালে কতজন মেজরকে র‍্যবে মানুষ হত‍্যার দল‍্য সাজা দিয়েছেন??
🦊 “তরুন অফিসার রা র‍্যাব থেকে এমন চরিত্র নিয়ে ফিরতো যেন পেশাদার খুনি”।
তিন বছর জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া সেনাপ্রধান ছিলেন। তার ভাষার কয়জন ঐ তথাকথিত পেশাদার খুনি অফিসারকে তিনি বিচারের আওতায় এনেছেন? বরং তিনি তাদেরকে প্রমোশন দিয়ে পুরস্কৃত করেছেন। জিয়াউল আহসানকে তিনি লেফটেন্যান্ট কর্নেল হতে কর্নেল এবং কর্নেল হতে ব্রিগেডিয়ার র‍্যাংকে প্রমোশন দিয়েছেন। তার সময় খুনি মকসুরুল ছিল তার খুবই বিশ্বস্ত যাকে তিনি বিভিন্ন সিনিয়র অফিসারদের পেছনে লাগিয়ে রাখতেন গোয়েন্দাগীরি করতে।
🦊 বেগম খালেদা জিয়াকে মঈনুল রোডের বাড়ি থেকে উচ্ছেদের কুবুদ্ধিদাতা এই ইকবাল করিম ভুঁইয়া।
উচ্চাভিলাষী লেঃ জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া (কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল) আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় আসলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামরিক সচিব ব্রিগেডিয়ার (পরে মেজর জেনারেল) সালাহউদ্দিন মিয়াজী এবং তখনকার ডিজি এসএসএফ মেজর জেনারেল জয়নুল আবেদিন এর সাহায‍্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সন্নিকটে আসার সুযোগ করতে তৎপর হয়ে উঠেন। এরই অংশ হিসাবে খালেদা জিয়া কে সেনানিবাসের মঈনুল রোডের বাসা থেকে উচ্ছেদ করতে ছক আকেন এবং সেই ছক প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল সালাহউদ্দিন মিয়াজী, ডিজি এসএসএফ মেজর জেনারেল জয়নুল আবেদিন এবং ডিজি ডিজিএফআই এর মাধ‍্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গোচরীভুত করেন এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে প্রধানমন্ত্রীর সুনজরে আসেন। শুধু তাই নয়, খালেদা জিয়াকে উচ্ছেদ করে অতি দ্রুত সেই ঐতিহ্যবাহী বাড়িটি ডেমোলিশ করে সেখানে বহুতল বিশিস্ট অফিসারদের আবাসিক ভবন তৈরীর পরিকল্পনাও করেন কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেঃ জেনারেল ইকবাল করিম ভুইয়া। অর্থাৎ মঈনুল রোডের বাড়ি থেকে সহিদ রাস্ট্রপতি জিয়ার পরিবারকে উচ্ছেদ করে সেখানে দ্রুত বহুতল ভবন নির্মানের মাস্টার মাইন্ড (Master mind) ছিল এই চতুর সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া। তার এই কাজের পুরস্কার স্বরুপ সে জেনারেল মুবিনের পর সেনাপ্রধান হিসাবে নিয়োগ পান।
🦊 সেনাবাহিনীতে যেসব অফিসার বেশী মেধাবী এবং স্বাধীনচেতা তাদেরকে বিএনপি বা জামায়াতপন্থী বলে চিহ্নিত করে সরিয়ে দেন শেখ হাসিনা” ।
জনার ইকবাল করিম আপনাকে প্রশ্ন করি যে “আপনি ইন্টারমিডিয়েট পাশ হয়ে, কোর্সের মধ‍্যম মানের অফিসার হয়ে, আপনার থেকে মেধাবী ও স্বাধীন চেতা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোল্লা ফজলে আকবর, মেজর জেনারেল রফিক, মেজর জেনারেল তাজুল, ব্রিগেডিয়ার মেহবুব এদেরকে বাদ দিয়ে আপনাকে জিওসি ৯ম পদাতিক ডিভিশন, জিওসি ২৪ পদাতিক ডিভিশন, কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল এবং জেনারেল হিসাবে সেনাপ্রধান বানাইলেন শেখ হাসিনা। কারন আপনি না মেধাবী ছিলেন, না স্বাধীনচেতা ছিলেন। আপনি ছিলেন অনুগত ভৃত্যের মত, তাই নয় কি??
🦊 নিজে সেনাপ্রধান থাকাকালীন গুম-খুনের বিরুদ্ধে তার কিছু করার ছিল না”।
জেনারেল ইকবাল করিম আপনি সত‍্যিটাই বলেছেন। কারন আপনিও যে একই দোষে দোষী। মনে পড়ে জলসিড়ি প্রকল্পের চেয়ারম্যান হিসাবে ২৪ অক্টোবর ২০১০ সালে নারায়নগন্জের রুপগঞ্জ উপজেলার মুসুরী-পুর্বগ্রাম-বারিয়াচনি এলাকার মোস্তফা জামাল হত‍্যা এবং লাশ গুমের কথা? ঐ এলাকার জনগন জোড় করে জনগনের জমি সেনাবাহিনী ক্রয়ের প্রতিবাদে নারায়নগন্জের রুপগঞ্জ উপজেলার মুসুরী আর্মি ক‍্যাম্প প্রত‍্যাহারের দাবিতে জড়ো হলে এক পর্যায়ে সেনাবাহিনী উত্তেজিত জনতার উপর গুলি করলে মোস্তফা জামাল সহ ০৩ জন নিহত হয় এবং কয়েকজন আহত হয়। এবিষয় কোন হত‍্যা মামলা হয় নাই। টাকা দিয়ে পরিবারের মুখ বন্ধ করা হয়। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও কোন তদন্ত হয় নাই। কারন তদন্ত হলে তখনকার জলশিড়ির চেয়ারম্যান ইকবাল করিম ভুঁইয়া নিশ্চিত চাকুরী হারাতেন তার ব‍্যার্থতার জন‍্য। তখনকার সেনাপ্রধান জেনারেল মুবিন কোর্সমেট হওয়ায় এই হত‍্যার জন‍্য জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়ার কোন সাজা হয় নাই। সেই মোস্তফা জামাল সহ ০৩ জনের হত‍্যরা জন‍্য আইকেবির কি বিচার হবে না?? জেনারেল ইকবাল করিম ভুইয়াকে মানুষ হত‍্যার হুকুমদাতা, লাশ গুম এবং ভয় দেখিয়ে নিহতদের পরিবারকে হত‍্যা মামলা না করতে দেওয়ার দায়ে গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।
🦊 সেনাবাহিনীর সিনিয়র অফিসাররা জিয়া- এরশাদের আমল থেকে দুর্নীতিতে জড়িয়ে যায়। জেনারেল মঈন ইউ আহমেদের ১/১১ এর পর সিনিয়র অফিসারদের পাশাপাশি মধ‍্যম এবং জুনিয়র অফিসাররাও ব‍্যাপক ভারে দুর্নীতিতে জড়িয়ে যায়।
জেনারেল ইকবাল করিম, আপনি বেগম খালেদা জিয়াকে সেনানিবাসের বাসা থেকে উচ্ছেদের মাস্টার মাইন্ড (Master mind) তখনকার কিউএমজি ইকবাল করিম ভুঁইয়া। পুরস্কার স্বরুপ হয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান বেসামরিক শিক্ষাগত যোগ্যতা ইন্টারমিডিয়েট হওয়া সত‍্যেও। মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি দ্রুততার সাথে নিশ্চিহ্ন (demolish) করে স্বল্প সময়ে সেখানে ১৪ তলা একাধির কোয়ার্টার নির্মানেরও মাস্টার মাইন্ড তিনি।
🦊 অযোগ‍্য অফিসারদেরকে কোন বিবেচনায় সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভুঁইয়া প্রমোশন দিয়েছিলেন?
জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া তার সেনাপ্রধানের তিন বছর মেয়াদকালে অনেক অযোগ‍্য অফিসারকে তার ব‍্যাক্তিস্বার্থ রক্ষার জন‍্য প্রমোশন দিয়েছিলেন
# মেজর জেনারেল আব্দুল কাদের, ইন্জিনায়ার কোরের অফিসার যিনি চোরা কাদের নামে সেনাবাহিনীতে পরিচিত। ব্রিগেডিয়ার হওয়ার যোগ‍্যতা যার ছিনা, তাকে বানিয়েছনেন মেজর জেনারেল। ছিলেন। জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়ার ডিওএইচএস এর বাড়ি এই কাদের বানিয়ে দেয় অর্ধেকের চেয়েও কম দামে। সেনাবাহিনীতে কাজ করতো এমন ঠিকাদারদেরকে বাঁধ‍্য করতো কম মুল্যে ইট, রড, সিমেন্ট, বালু সরবরাহ করতে।
@ মেজর জেনারেল সাঈদ মাসুদ ইন্জিনিয়ার কোরের অফিসার যাকে জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া মেজর জেনারেল বানান। যেই অফিসার ৭% ট‍্যাক্স দিয়ে ২৫০ কোটি টাকা সাদা করেছিল। আইকেবি এই চরম দুর্নীতিবাজ অফিসারকে দিয়ে বিভিন্ন প্রজেক্ট থেকে কেবল আর্থিক সুবিধাই নেন নাই, তাকে প্রমোশন
@ মেজর জেনারেল দিয়াউল আহসান। সিরিয়াল কিলার হিসাবে পরিচিত এই অফিসারকে জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া লেফটেন্যান্ট কর্নেল থেকে কর্নেল এবং কর্নেল থেকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে প্রমোশন দেন।
@ লেফটেন্যান্ট কর্নেল মকসুরুল। তাকে মেজর থেকে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে প্রমোশন দেন জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া।
@ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাশেদ। র‍্যাব-১ এর অধিনায়ক হিসাবে শতকোটি টাকা বানানো, অনেক ক্রস ফায়ার/ গুমের হোতা, তারেক সিদ্দিকীর অতি আস্থাভাজন এই রাশেদকে মেজর থেকে লেফটেন্যান্ট কর্নেল প্রমোশন পায় জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়ার সময়।
এমন অনেক অযোগ্য অফিসারকে জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া প্রমোশন দেয়। আর এখন নীতির বুলি আওরায়। ভন্ড, ক্ষমতালোভী এবং দুর্নীতিবাজ এই সাবেক সেনাবাহিনী প্রধান। দুদকের উচিত হবে তার দুর্নীতির তদন্ত করা।
🦊 গিরগিটির মত রং বদলায় জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া।
সেনাপ্রধান হবার পরই তিনি ভারত সফর করেছিলেন জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া। ভারত থেকে উপহারসরুপ শেখ মুজিবের মূর্তি নিয়ে এসেছিলেন,এবং কুর্মিটোলায় সেটা স্থাপন করেছেন। ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সময়ে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজত ইসলামের উপর অপারেশন সার্চলাইট নামে হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। ২০১৪ সালের অবৈধ নির্বাচনের সহযোগী তিনি ছিলেন। তিনি জেনারেল মইনের নীতি অনুসরণ করে ভারতের আনুগত্য করেছিলেন। ডিজিএফআই এর বন্দিশালা আয়নাঘর গুম খু’ন এ বিষয়ে তিনি ভালোই অবগত ছিলেন। হাসিনাকে সব রকমের সহযোগিতা করেছেন। কিন্তু তখন রাষ্ট্রের পক্ষে অবস্থান নেননি। এখন তিনি দেশে বেশ ভালো আছেন।
🦊 কেমন দুর্নীতিবাজ ছিলেন জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া?
নীতির বুলি আউরানো এই জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া সেনাপ্রধান হিসাবে কানাডায় বসবাসকারী তার ছোটভাই এর মধ‍্যস্ততাকারী এক বিদেশী কোম্পানীকে বাংলাদেশের মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (MRP) এর contract দিতে তখনকার ডিজি পাসপোর্ট মেজর জেনারেল মাসুদ রেজোয়ানকে চাপ দেয়। কিন্তু IKB এর ছোট ভাই এর ঐ বিদেশী কোম্পানী Criteria meet না করায় এবং Lowest bidder না হওয়ায় ঐ contact না পেলে সেনাপ্রধান IKB তার অফিসে ডিজি পাসপোর্ট মেজর জেনারেল মাসুদ রেজোয়ানকে ডেকে তার ছোটভাই এর সামনে চার্জ করে। ডিজি পাসপোর্ট মেজর জেনারেল মাসুদ রেজোয়ান কারন ব‍্যাক্ষা করার পরও তাকে জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া তার ছোট ভাই এর উপস্থিতিতে অপমান করে এবং ক্ষোভের বহিপ্রকাশ হিসাবে ঐ দিনই পাসপোর্ট অফিসে ডেপুটেশনে নিয়োজিত থাকা ০৫ সেনা কর্মকর্তাকে এক বদলির আদেশে প্রত‍্যাহার করে নিয়ে আসে।
🦊 জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া শেখ হাসিনা শাসনামলে গুন-খুন এবং দুর্নীতির জন‍্য অভিযুক্ত সেনা অফিসারদের বিচার চেয়েছেন।
কেবল তিনি কেন, সেনাবাহিনীর সকল সদস‍্যই তাদের বিচার চায়। তবে জনাব ইকবাল করিম ভুঁইয়া কি আয়নায় নিজের চেহারা দেখেছেন এই পোস্ট দেওয়ার আগে??? অবসরে যাওয়ার সময় শেখ হাসিনার নিকট থেকে উপঢৌকন হিসাবে একটি ২৫০ মেগাওয়াটের power plant এবং একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন নেন গোলামীর পুরস্কারস্বরুপ। ঐ Power Plant “Winnievision Power Ltd” যার মালিক জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া, মালয়েশিয়ার “Erda Power Holding Sdn Bhd”এর সাথে একটি চুক্তি করে কয়েক মিলিয়ন ডলারে নগদ লাভ করেন IKB এবং প্রতি বছর নিয়মিত একটি নির্ধারিত অংকের সম্মানী পাচ্ছেন । এই পাওয়ার প্লান্টের ব‍্যাপারে ডাঃ জাহেদের “ জাহেদ,স টক”, মন্জুরুল ইসলাম পান্না, গোলাম মাওলা রনি, তাজ হাসমী কথা এবং একটি বিদেশী পত্রিকাও তাদের একটি রিপোর্টে উল্লেখ করেছে। এটা কি দুর্নীতি না?? তাহলে এই দুর্নীতির জন‍্য জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়ার বিচার দুদক কেন করবে না? আমরা তার বিচারের দাবী করছি।

Veteran BD’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

একজন ধোয়া তুলসী পাতা তুল‍্য সাবেক সেনাপ্রধান- জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া।

প্রকাশের সময় : ০৬:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 🦊 একজন ধোয়া তুলসী পাতা তুল‍্য সাবেক সেনাপ্রধান- জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া।🦊🦊
সুত্রঃ Revealing Fact Fact Revealing এর পোস্ট থেকে নেওয়া। অনেক চমকপ্রদ তথ‍্য রয়েছে।
🦊 সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়ার (আইকেবি) ০৫ আগস্ট ২০২৪ পরবর্তী এবং বিশেষ করে সাম্প্রতিক তার বিভিন্ন বক্তব্য জাতির সামনে সেনাবাহিনীর সার্বিক ভাবমূর্তি এক চরম সংকটে তৈরী করছে বলে অনেকেই মনে করছে। অতি কাছ থেকে দেখা এবং জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়ার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের স্বাক্ষি হিসাবে আমার কথা বলা নৈতিক দায়িত্ব মনে করে এই লেখা।
🦊 জেনারেল আইকেবি বলেছেন, “শেখ হাসিনা মনে করতেন, দুর্নীতিগ্রস্ত সেনাকর্মকর্তারা তার সরকারের জন‍্য নিরাপদ”।
তার এই বক্তব্যের মাধ‍্যমে জেনারেল জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া স্বীকার করে নিলেন, তিনি নিজে একজন দুর্নীতিগ্রস্ত জেনারেল ছিলেন বলেই শেখ হাসিনা তাঁকে যোগ‍্যতা না থাকা সত্বেও (HSC পাশ) সেনাপ্রধান বানিয়ে চাকুরীর শেষ দিন পর্যন্ত রেখেছিলেন।
🦊 র‍্যাব এ সেনা অফিসাররা দশ হাজার টাকার বিনিময়েও মানুষ হত‍্যা করতো।
একজন সাবেক সেনাপ্রধান কিকরে এমন একটি মন্তব্য করতে পারলেন সেনাবাহিনীর ঐ সকল অফিসারের নিয়ে যারা বিভিন্ন সময় র‍্যাব এ চাকুরী করেছে? তার তিন বছর সেনাপ্রধানের দায়িত্বকালে কতজন মেজরকে র‍্যবে মানুষ হত‍্যার দল‍্য সাজা দিয়েছেন??
🦊 “তরুন অফিসার রা র‍্যাব থেকে এমন চরিত্র নিয়ে ফিরতো যেন পেশাদার খুনি”।
তিন বছর জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া সেনাপ্রধান ছিলেন। তার ভাষার কয়জন ঐ তথাকথিত পেশাদার খুনি অফিসারকে তিনি বিচারের আওতায় এনেছেন? বরং তিনি তাদেরকে প্রমোশন দিয়ে পুরস্কৃত করেছেন। জিয়াউল আহসানকে তিনি লেফটেন্যান্ট কর্নেল হতে কর্নেল এবং কর্নেল হতে ব্রিগেডিয়ার র‍্যাংকে প্রমোশন দিয়েছেন। তার সময় খুনি মকসুরুল ছিল তার খুবই বিশ্বস্ত যাকে তিনি বিভিন্ন সিনিয়র অফিসারদের পেছনে লাগিয়ে রাখতেন গোয়েন্দাগীরি করতে।
🦊 বেগম খালেদা জিয়াকে মঈনুল রোডের বাড়ি থেকে উচ্ছেদের কুবুদ্ধিদাতা এই ইকবাল করিম ভুঁইয়া।
উচ্চাভিলাষী লেঃ জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া (কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল) আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় আসলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামরিক সচিব ব্রিগেডিয়ার (পরে মেজর জেনারেল) সালাহউদ্দিন মিয়াজী এবং তখনকার ডিজি এসএসএফ মেজর জেনারেল জয়নুল আবেদিন এর সাহায‍্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সন্নিকটে আসার সুযোগ করতে তৎপর হয়ে উঠেন। এরই অংশ হিসাবে খালেদা জিয়া কে সেনানিবাসের মঈনুল রোডের বাসা থেকে উচ্ছেদ করতে ছক আকেন এবং সেই ছক প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল সালাহউদ্দিন মিয়াজী, ডিজি এসএসএফ মেজর জেনারেল জয়নুল আবেদিন এবং ডিজি ডিজিএফআই এর মাধ‍্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গোচরীভুত করেন এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে প্রধানমন্ত্রীর সুনজরে আসেন। শুধু তাই নয়, খালেদা জিয়াকে উচ্ছেদ করে অতি দ্রুত সেই ঐতিহ্যবাহী বাড়িটি ডেমোলিশ করে সেখানে বহুতল বিশিস্ট অফিসারদের আবাসিক ভবন তৈরীর পরিকল্পনাও করেন কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেঃ জেনারেল ইকবাল করিম ভুইয়া। অর্থাৎ মঈনুল রোডের বাড়ি থেকে সহিদ রাস্ট্রপতি জিয়ার পরিবারকে উচ্ছেদ করে সেখানে দ্রুত বহুতল ভবন নির্মানের মাস্টার মাইন্ড (Master mind) ছিল এই চতুর সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া। তার এই কাজের পুরস্কার স্বরুপ সে জেনারেল মুবিনের পর সেনাপ্রধান হিসাবে নিয়োগ পান।
🦊 সেনাবাহিনীতে যেসব অফিসার বেশী মেধাবী এবং স্বাধীনচেতা তাদেরকে বিএনপি বা জামায়াতপন্থী বলে চিহ্নিত করে সরিয়ে দেন শেখ হাসিনা” ।
জনার ইকবাল করিম আপনাকে প্রশ্ন করি যে “আপনি ইন্টারমিডিয়েট পাশ হয়ে, কোর্সের মধ‍্যম মানের অফিসার হয়ে, আপনার থেকে মেধাবী ও স্বাধীন চেতা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোল্লা ফজলে আকবর, মেজর জেনারেল রফিক, মেজর জেনারেল তাজুল, ব্রিগেডিয়ার মেহবুব এদেরকে বাদ দিয়ে আপনাকে জিওসি ৯ম পদাতিক ডিভিশন, জিওসি ২৪ পদাতিক ডিভিশন, কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল এবং জেনারেল হিসাবে সেনাপ্রধান বানাইলেন শেখ হাসিনা। কারন আপনি না মেধাবী ছিলেন, না স্বাধীনচেতা ছিলেন। আপনি ছিলেন অনুগত ভৃত্যের মত, তাই নয় কি??
🦊 নিজে সেনাপ্রধান থাকাকালীন গুম-খুনের বিরুদ্ধে তার কিছু করার ছিল না”।
জেনারেল ইকবাল করিম আপনি সত‍্যিটাই বলেছেন। কারন আপনিও যে একই দোষে দোষী। মনে পড়ে জলসিড়ি প্রকল্পের চেয়ারম্যান হিসাবে ২৪ অক্টোবর ২০১০ সালে নারায়নগন্জের রুপগঞ্জ উপজেলার মুসুরী-পুর্বগ্রাম-বারিয়াচনি এলাকার মোস্তফা জামাল হত‍্যা এবং লাশ গুমের কথা? ঐ এলাকার জনগন জোড় করে জনগনের জমি সেনাবাহিনী ক্রয়ের প্রতিবাদে নারায়নগন্জের রুপগঞ্জ উপজেলার মুসুরী আর্মি ক‍্যাম্প প্রত‍্যাহারের দাবিতে জড়ো হলে এক পর্যায়ে সেনাবাহিনী উত্তেজিত জনতার উপর গুলি করলে মোস্তফা জামাল সহ ০৩ জন নিহত হয় এবং কয়েকজন আহত হয়। এবিষয় কোন হত‍্যা মামলা হয় নাই। টাকা দিয়ে পরিবারের মুখ বন্ধ করা হয়। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও কোন তদন্ত হয় নাই। কারন তদন্ত হলে তখনকার জলশিড়ির চেয়ারম্যান ইকবাল করিম ভুঁইয়া নিশ্চিত চাকুরী হারাতেন তার ব‍্যার্থতার জন‍্য। তখনকার সেনাপ্রধান জেনারেল মুবিন কোর্সমেট হওয়ায় এই হত‍্যার জন‍্য জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়ার কোন সাজা হয় নাই। সেই মোস্তফা জামাল সহ ০৩ জনের হত‍্যরা জন‍্য আইকেবির কি বিচার হবে না?? জেনারেল ইকবাল করিম ভুইয়াকে মানুষ হত‍্যার হুকুমদাতা, লাশ গুম এবং ভয় দেখিয়ে নিহতদের পরিবারকে হত‍্যা মামলা না করতে দেওয়ার দায়ে গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।
🦊 সেনাবাহিনীর সিনিয়র অফিসাররা জিয়া- এরশাদের আমল থেকে দুর্নীতিতে জড়িয়ে যায়। জেনারেল মঈন ইউ আহমেদের ১/১১ এর পর সিনিয়র অফিসারদের পাশাপাশি মধ‍্যম এবং জুনিয়র অফিসাররাও ব‍্যাপক ভারে দুর্নীতিতে জড়িয়ে যায়।
জেনারেল ইকবাল করিম, আপনি বেগম খালেদা জিয়াকে সেনানিবাসের বাসা থেকে উচ্ছেদের মাস্টার মাইন্ড (Master mind) তখনকার কিউএমজি ইকবাল করিম ভুঁইয়া। পুরস্কার স্বরুপ হয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান বেসামরিক শিক্ষাগত যোগ্যতা ইন্টারমিডিয়েট হওয়া সত‍্যেও। মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি দ্রুততার সাথে নিশ্চিহ্ন (demolish) করে স্বল্প সময়ে সেখানে ১৪ তলা একাধির কোয়ার্টার নির্মানেরও মাস্টার মাইন্ড তিনি।
🦊 অযোগ‍্য অফিসারদেরকে কোন বিবেচনায় সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভুঁইয়া প্রমোশন দিয়েছিলেন?
জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া তার সেনাপ্রধানের তিন বছর মেয়াদকালে অনেক অযোগ‍্য অফিসারকে তার ব‍্যাক্তিস্বার্থ রক্ষার জন‍্য প্রমোশন দিয়েছিলেন
# মেজর জেনারেল আব্দুল কাদের, ইন্জিনায়ার কোরের অফিসার যিনি চোরা কাদের নামে সেনাবাহিনীতে পরিচিত। ব্রিগেডিয়ার হওয়ার যোগ‍্যতা যার ছিনা, তাকে বানিয়েছনেন মেজর জেনারেল। ছিলেন। জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়ার ডিওএইচএস এর বাড়ি এই কাদের বানিয়ে দেয় অর্ধেকের চেয়েও কম দামে। সেনাবাহিনীতে কাজ করতো এমন ঠিকাদারদেরকে বাঁধ‍্য করতো কম মুল্যে ইট, রড, সিমেন্ট, বালু সরবরাহ করতে।
@ মেজর জেনারেল সাঈদ মাসুদ ইন্জিনিয়ার কোরের অফিসার যাকে জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া মেজর জেনারেল বানান। যেই অফিসার ৭% ট‍্যাক্স দিয়ে ২৫০ কোটি টাকা সাদা করেছিল। আইকেবি এই চরম দুর্নীতিবাজ অফিসারকে দিয়ে বিভিন্ন প্রজেক্ট থেকে কেবল আর্থিক সুবিধাই নেন নাই, তাকে প্রমোশন
@ মেজর জেনারেল দিয়াউল আহসান। সিরিয়াল কিলার হিসাবে পরিচিত এই অফিসারকে জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া লেফটেন্যান্ট কর্নেল থেকে কর্নেল এবং কর্নেল থেকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে প্রমোশন দেন।
@ লেফটেন্যান্ট কর্নেল মকসুরুল। তাকে মেজর থেকে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে প্রমোশন দেন জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া।
@ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাশেদ। র‍্যাব-১ এর অধিনায়ক হিসাবে শতকোটি টাকা বানানো, অনেক ক্রস ফায়ার/ গুমের হোতা, তারেক সিদ্দিকীর অতি আস্থাভাজন এই রাশেদকে মেজর থেকে লেফটেন্যান্ট কর্নেল প্রমোশন পায় জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়ার সময়।
এমন অনেক অযোগ্য অফিসারকে জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া প্রমোশন দেয়। আর এখন নীতির বুলি আওরায়। ভন্ড, ক্ষমতালোভী এবং দুর্নীতিবাজ এই সাবেক সেনাবাহিনী প্রধান। দুদকের উচিত হবে তার দুর্নীতির তদন্ত করা।
🦊 গিরগিটির মত রং বদলায় জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া।
সেনাপ্রধান হবার পরই তিনি ভারত সফর করেছিলেন জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া। ভারত থেকে উপহারসরুপ শেখ মুজিবের মূর্তি নিয়ে এসেছিলেন,এবং কুর্মিটোলায় সেটা স্থাপন করেছেন। ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সময়ে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজত ইসলামের উপর অপারেশন সার্চলাইট নামে হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। ২০১৪ সালের অবৈধ নির্বাচনের সহযোগী তিনি ছিলেন। তিনি জেনারেল মইনের নীতি অনুসরণ করে ভারতের আনুগত্য করেছিলেন। ডিজিএফআই এর বন্দিশালা আয়নাঘর গুম খু’ন এ বিষয়ে তিনি ভালোই অবগত ছিলেন। হাসিনাকে সব রকমের সহযোগিতা করেছেন। কিন্তু তখন রাষ্ট্রের পক্ষে অবস্থান নেননি। এখন তিনি দেশে বেশ ভালো আছেন।
🦊 কেমন দুর্নীতিবাজ ছিলেন জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া?
নীতির বুলি আউরানো এই জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া সেনাপ্রধান হিসাবে কানাডায় বসবাসকারী তার ছোটভাই এর মধ‍্যস্ততাকারী এক বিদেশী কোম্পানীকে বাংলাদেশের মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (MRP) এর contract দিতে তখনকার ডিজি পাসপোর্ট মেজর জেনারেল মাসুদ রেজোয়ানকে চাপ দেয়। কিন্তু IKB এর ছোট ভাই এর ঐ বিদেশী কোম্পানী Criteria meet না করায় এবং Lowest bidder না হওয়ায় ঐ contact না পেলে সেনাপ্রধান IKB তার অফিসে ডিজি পাসপোর্ট মেজর জেনারেল মাসুদ রেজোয়ানকে ডেকে তার ছোটভাই এর সামনে চার্জ করে। ডিজি পাসপোর্ট মেজর জেনারেল মাসুদ রেজোয়ান কারন ব‍্যাক্ষা করার পরও তাকে জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া তার ছোট ভাই এর উপস্থিতিতে অপমান করে এবং ক্ষোভের বহিপ্রকাশ হিসাবে ঐ দিনই পাসপোর্ট অফিসে ডেপুটেশনে নিয়োজিত থাকা ০৫ সেনা কর্মকর্তাকে এক বদলির আদেশে প্রত‍্যাহার করে নিয়ে আসে।
🦊 জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া শেখ হাসিনা শাসনামলে গুন-খুন এবং দুর্নীতির জন‍্য অভিযুক্ত সেনা অফিসারদের বিচার চেয়েছেন।
কেবল তিনি কেন, সেনাবাহিনীর সকল সদস‍্যই তাদের বিচার চায়। তবে জনাব ইকবাল করিম ভুঁইয়া কি আয়নায় নিজের চেহারা দেখেছেন এই পোস্ট দেওয়ার আগে??? অবসরে যাওয়ার সময় শেখ হাসিনার নিকট থেকে উপঢৌকন হিসাবে একটি ২৫০ মেগাওয়াটের power plant এবং একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন নেন গোলামীর পুরস্কারস্বরুপ। ঐ Power Plant “Winnievision Power Ltd” যার মালিক জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া, মালয়েশিয়ার “Erda Power Holding Sdn Bhd”এর সাথে একটি চুক্তি করে কয়েক মিলিয়ন ডলারে নগদ লাভ করেন IKB এবং প্রতি বছর নিয়মিত একটি নির্ধারিত অংকের সম্মানী পাচ্ছেন । এই পাওয়ার প্লান্টের ব‍্যাপারে ডাঃ জাহেদের “ জাহেদ,স টক”, মন্জুরুল ইসলাম পান্না, গোলাম মাওলা রনি, তাজ হাসমী কথা এবং একটি বিদেশী পত্রিকাও তাদের একটি রিপোর্টে উল্লেখ করেছে। এটা কি দুর্নীতি না?? তাহলে এই দুর্নীতির জন‍্য জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়ার বিচার দুদক কেন করবে না? আমরা তার বিচারের দাবী করছি।

Veteran BD’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।