, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

শেখ হাসিনাকে আসতে হবে না, ধরে আনতে চাই: তথ্য উপদেষ্টা

  • প্রকাশের সময় : ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪৯ পড়া হয়েছে

অনলাইন,মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ 

রতে অবস্থানরত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবি নিয়ে সরকারের অবস্থান অত্যন্ত দৃঢ় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। শেখ হাসিনার আসতে হবে না, সরকার তাকে ‘ধরে’ দেশে ফিরিয়ে আনতে চায় বলেও মন্তব্য করেন এ উপদেষ্টা।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের কর্মকাণ্ড জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকার শুধু ভারতের ওপর চাপ তৈরির কৌশল হিসেবে বিষয়টি ব্যবহার করছে- এমন আলোচনা নাকচ করে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমরা একটা কথা খুব ক্লিয়ারলি বলতে চাই, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সঙ্গে যখন এটাকে (শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ) কন্ডিশন (শর্ত) হিসেবে দেওয়া হয়েছে। এজন্য আমরা প্রায়ই বলছি—শেখ হাসিনা, আপনার আসতে হবে না, আপনাকে আমরা ধরে নিয়ে আসতে চাই। আপনি আসামি, আপনি পলাতক আসামি, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি এবং চিফ প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, তার এখন আর আপিল করার সুযোগ নেই। যে, উনি এসে আপিল করে আবার তিনি তার যে বিচার হয়েছে, সেটা পুনর্বিবেচনা করাবেন সে সময়ও নেই।’

‘তার মানে ব্যাপারটা এখন এরকম, তিনি আসবেন এবং তার জন্য মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে। আমরা তাকে ধরে আনতে চাই,’ যোগ করেন তথ্য উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ‘আমরা তাকে প্রত্যর্পণের পরের আগ পর্যন্ত অন্তত তিনি যেন এগুলো করতে না পারেন, আমরা এক্সপেক্ট (প্রত্যাশা) করেছিলাম। ভারত সরকার এই ব্যাপারে তাকে একটা বার দেবেন। তার স্ট্যাটাসটাও আমরা জানি না যে, তিনি রাইটগুলো আসলে এনজয় করতে পারেন কি না। এগুলোরও ক্লারিফিকেশন নেই।’

‘আমি মনে করি যে, এটা তাদের দিক থেকে সঠিক হচ্ছে না। আর আমরা তাকে আনতে চাইছি প্রত্যার্পণের দাবিটা স্ট্রং। উনি আসুন তিনি নিজে আসুন বা আমরা আনি; আমরা এটা করতেই চাই। এর মধ্যে কোনো কৌশল নেই,’ যোগ করেন উপদেষ্টা।

দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘আর ইন্ডিয়ান সরকার কেন এই যে সম্পর্কটা যে জায়গায় চলে গিয়েছিল তাকে উন্নতি করার জন্য অন্তত একটা স্টেপ কিন্তু ইমিডিয়েটলি তারা নিতে পারতেন। সেটা হচ্ছে, তার মুখ বন্ধ রাখা।’

উপদেষ্টা সাংবাদিকদের ভারতীয় হাইকমিশনারের কাছে প্রশ্ন রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সেটা কেন নিচ্ছেন না, আমি আশা করব আপনারা (সাংবাদিকরা) আমাদের এখানকার হাইকমিশনার যিনি আছেন তাকে এটুকু জিজ্ঞেস করুন যে—শেখ হাসিনার ব্যাপারে তো আমাদের সেনসিটিভিটি আছে। তিনি যেসব কথা বলে বেড়াচ্ছেন আমাদের জন্য কতটুকু ইরিটেটিং।’

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘কতটুকু আমাদের ক্ষুব্ধ করে সেটা তো তাদের বোঝা উচিত। তো আমি আমি এক্সপেক্ট (প্রত্যাশা) করব আপনারা হাইকমিশনারকে এই প্রশ্ন করবেন যে, তারা কি মনে করেন যে এটা একটা পজিটিভ জেসচার (ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি) হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি মুখে বলছি কিছু কিছু সিগনালও দিচ্ছি। কিন্তু একইসঙ্গে এমন কিছু করছি, যেটা আসলে নেগেটিভ করে ফেলে। শেখ হাসিনা যখন সংবাদ সম্মেলন করেছিল, আমাদের যে প্রতিবাদলিপি ছিল সে প্রতিবাদ লিপিতে এই কথাটাই বলা হয়েছে—একটা এনভারনমেন্ট আসলে লাগবে, আস্থার এনভারনমেন্ট; আমাকে কনভিন্স হতে হবে, আপনি আসলে আমার সঙ্গে যথেষ্ট এনগেজ (যুক্ত) করতে চাইছেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তীব্র গণঅভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে অবস্থান করা শেখ হাসিনা সম্প্রতি আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন।

 

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

শেখ হাসিনাকে আসতে হবে না, ধরে আনতে চাই: তথ্য উপদেষ্টা

প্রকাশের সময় : ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন,মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ 

রতে অবস্থানরত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবি নিয়ে সরকারের অবস্থান অত্যন্ত দৃঢ় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। শেখ হাসিনার আসতে হবে না, সরকার তাকে ‘ধরে’ দেশে ফিরিয়ে আনতে চায় বলেও মন্তব্য করেন এ উপদেষ্টা।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের কর্মকাণ্ড জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকার শুধু ভারতের ওপর চাপ তৈরির কৌশল হিসেবে বিষয়টি ব্যবহার করছে- এমন আলোচনা নাকচ করে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমরা একটা কথা খুব ক্লিয়ারলি বলতে চাই, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সঙ্গে যখন এটাকে (শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ) কন্ডিশন (শর্ত) হিসেবে দেওয়া হয়েছে। এজন্য আমরা প্রায়ই বলছি—শেখ হাসিনা, আপনার আসতে হবে না, আপনাকে আমরা ধরে নিয়ে আসতে চাই। আপনি আসামি, আপনি পলাতক আসামি, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি এবং চিফ প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, তার এখন আর আপিল করার সুযোগ নেই। যে, উনি এসে আপিল করে আবার তিনি তার যে বিচার হয়েছে, সেটা পুনর্বিবেচনা করাবেন সে সময়ও নেই।’

‘তার মানে ব্যাপারটা এখন এরকম, তিনি আসবেন এবং তার জন্য মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে। আমরা তাকে ধরে আনতে চাই,’ যোগ করেন তথ্য উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ‘আমরা তাকে প্রত্যর্পণের পরের আগ পর্যন্ত অন্তত তিনি যেন এগুলো করতে না পারেন, আমরা এক্সপেক্ট (প্রত্যাশা) করেছিলাম। ভারত সরকার এই ব্যাপারে তাকে একটা বার দেবেন। তার স্ট্যাটাসটাও আমরা জানি না যে, তিনি রাইটগুলো আসলে এনজয় করতে পারেন কি না। এগুলোরও ক্লারিফিকেশন নেই।’

‘আমি মনে করি যে, এটা তাদের দিক থেকে সঠিক হচ্ছে না। আর আমরা তাকে আনতে চাইছি প্রত্যার্পণের দাবিটা স্ট্রং। উনি আসুন তিনি নিজে আসুন বা আমরা আনি; আমরা এটা করতেই চাই। এর মধ্যে কোনো কৌশল নেই,’ যোগ করেন উপদেষ্টা।

দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘আর ইন্ডিয়ান সরকার কেন এই যে সম্পর্কটা যে জায়গায় চলে গিয়েছিল তাকে উন্নতি করার জন্য অন্তত একটা স্টেপ কিন্তু ইমিডিয়েটলি তারা নিতে পারতেন। সেটা হচ্ছে, তার মুখ বন্ধ রাখা।’

উপদেষ্টা সাংবাদিকদের ভারতীয় হাইকমিশনারের কাছে প্রশ্ন রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সেটা কেন নিচ্ছেন না, আমি আশা করব আপনারা (সাংবাদিকরা) আমাদের এখানকার হাইকমিশনার যিনি আছেন তাকে এটুকু জিজ্ঞেস করুন যে—শেখ হাসিনার ব্যাপারে তো আমাদের সেনসিটিভিটি আছে। তিনি যেসব কথা বলে বেড়াচ্ছেন আমাদের জন্য কতটুকু ইরিটেটিং।’

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘কতটুকু আমাদের ক্ষুব্ধ করে সেটা তো তাদের বোঝা উচিত। তো আমি আমি এক্সপেক্ট (প্রত্যাশা) করব আপনারা হাইকমিশনারকে এই প্রশ্ন করবেন যে, তারা কি মনে করেন যে এটা একটা পজিটিভ জেসচার (ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি) হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি মুখে বলছি কিছু কিছু সিগনালও দিচ্ছি। কিন্তু একইসঙ্গে এমন কিছু করছি, যেটা আসলে নেগেটিভ করে ফেলে। শেখ হাসিনা যখন সংবাদ সম্মেলন করেছিল, আমাদের যে প্রতিবাদলিপি ছিল সে প্রতিবাদ লিপিতে এই কথাটাই বলা হয়েছে—একটা এনভারনমেন্ট আসলে লাগবে, আস্থার এনভারনমেন্ট; আমাকে কনভিন্স হতে হবে, আপনি আসলে আমার সঙ্গে যথেষ্ট এনগেজ (যুক্ত) করতে চাইছেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তীব্র গণঅভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে অবস্থান করা শেখ হাসিনা সম্প্রতি আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন।