, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

জাতিসংঘ অধিবেশনে তারেক রহমানের অর্জন কি?

  • প্রকাশের সময় : ০৯:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৬ পড়া হয়েছে

অনলাইন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

১। জাতিসংঘ অধিবেশনে তারেক রহমানের অর্জন কি? আসলে এখান থেকে তেমন কোন কিছু অর্জন করার নেই। সেই অর্থে এখান থেকে কোন দেশই তেমন কোন কিছু অর্জন করে এমনও নয়। কিন্তু এমন আলোচনা সামনে আসে যখন তাঁর অফিসের লোকজন এটাকে অতিকথনের মাধ্যমে মহিমান্বিত করেন। বাস্তবে কি তেমন কোন কিছু হয়েছে?
২। তবে জাতিসংঘ অধিবেশনকে ঘিরে এর সাইডলাইনে অনেক কিছুই ঘটে, ঘটতে পারে। সেখানেই যোগ হতে পারে কোন নেতার-দেশের ভাল-মন্দ। সেটার জন্য চাই নেতৃত্বের দক্ষতা, যোগ্যতা ও ভাবমূর্তি। কেননা বাৎসরিক এই অধিবেশনে বিশ্বের সকল দেশের নেতৃত্ব ও সরকার সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত হন। অধিবেশনের ফাকে তাদের সাথে আলাপ-বৈঠকে দেশের জন্য ভাল কিছু/সম্ভবনা হতে পারে।
৩। কিন্তু সেখানেও কি তারেক রহমান আহা মরি কিছু করতে পেরেছেন? পাকিস্তান, তুরস্ক ও তেহরানের নেতৃত্বের সাথে দেখা ও বৈঠক করা ছাড়া? ইউনূসের সময় থেকেই তুরস্ক-পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের ঘনিষ্টতা দৃশ্যমান। শুধু ইরানের বিষয়টিই ভিন্ন কিন্তু ইরান নিয়ে সরকারের অবস্থান তো আমেরিকার লাইনেই। কিন্তু তাদের সাথে কি কথা হলো? কোন বিশেষ কোন কিছু কি? কি সেটা?
৪। তারেক রহমানের ভাষনের সময় ছিল বিকেল সারে ৫টায়। যে সময়টি ছিল অধিবেশনের অলস সময়। অধিকাংশ দেশের প্রতিনিধিই আরলি ডিনারের জন্য চলে যান। আর যে সময় তিনি বক্তব্য প্রদান করেন তখন বাংলাদেশ রাত সারে ৩টা। এই সময় জাতিসংঘ মহাসচিবও ছিলেন না। তাঁর বক্তব্যের সময় সেখানে যারা উপস্থিত ছিলেন তারাও তেমন মনোযোগী ছিলেন না।
৫। সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিল। তিনি কেন তারেক রহমানের জন্য এমন একটি সময় নির্ধারণ করলেন? তার কি কিছুই করার ছিল না? না তিনি তা করতে গা করেন নি? কিন্তু কেন? এটা তো তাঁরই দায়িত্ব ছিল? সরকারের উচিত তাঁর কাছে বিষয়টির ব্যাখ্যা চাওয়া।
৬। ড. ইউনূস কেন তার তথাকথিত সামাজিক ব্যবসার সভার জন্য এই সময়টিকে বেছে নিলেন? সেটা কি তারেক রহমানকে ছোট করার জন্য? তার এই ঘটনা স্পষ্টত প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করা ও নিজের ক্ষমতাবাজি প্রমাণ প্রচেষ্ট!
আর খলিল সাহেবরা সেখানে তার সাথে যেভাব ফটো সেশন করলেন তা ছিল রীতিমত দৃষ্টিকটু ও উদ্দেশ্যমুলক। এটা ছিল ইউনূসের ফাতরামি ও বাটপারি। তিনি বোকা বাঙালিকে বোঝাতে চেয়েছিলেন যে, তিনিও জাতিসংঘে আমন্ত্রিত? সেখানে তারেক রহমানের কোন গুরুত্ব নেই। তাঁকে ম্লান করতেই তিনি এই কাজ করেছেন।
৭। এই সময়েই ইউনূস ট্রাম্পের প্রতিপক্ষ ক্লিনটন ও হিলারির সাথে নিজের ছবি প্রকাশ করেছেন! সেটা কি আসলে ট্রাম্পকে বিরক্ত করা ও নিজের প্রভাব দেখানোর জন্য? এই ছবির প্রকাশও তারেক রহমান ও মার্কিন প্রশাসনের সাথে সম্পর্ককে অস্বস্তিতে ফেলতেই কি?
৮। আচ্ছা ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার পর বিশ্বের কোন প্রভাবশালী বা সাধারণ কোন মিডিয়া কি তার কোন সাক্ষাৎকার নিয়েছে? না ডাকেনি। কেন ডাকেনি? কারণ তার বাটপারি তারা বুঝে গেছে। কিন্তু ফ্যাসিস্ট (?) হাসিনার সাক্ষাৎকার তো ক্রমাগত বিশ্ব মিডিয়ায় প্রকাশ পাচ্ছে। তার কারণ কি? তার পিআর টিম এখানে কোন কাজে লাগছে না?
৯। ড. খলিল তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানকে তাঁর অফিসের লিগ্যাল অফিসার নিয়োগ করে তারেক রহমানের ভাবমূর্তির ক্ষতি করলেন। এতে জিয়া পরিবারের সন্মান কোনভাবেই উজ্জল হয়নি। এর মাধ্যমে স্বজনপ্রীতির বৈশ্বিক চরিত্র দিয়েছেন। তারেক রহমানেরও তাঁর মেয়ের এই পদায়নকে সমর্থন করা ঠিক হয়নি। এর মাধ্যমে ড. খলিল জিয়া পরিবারের ঘনিষ্টতা ও আনুগত্য প্রমাণ করতে চেয়েছেন নাকি অন্য কোন গভীর উদ্দেশ্য ও সমীকরণ আছে?
১০। তারেক রহমান যে বক্তৃতা দিয়েছেন তা গতানুগতিক। সেগুলো কোন প্রভাব আছে বলে মনে হয় না। তবে তিনি রোহিঙ্গা ও জলাবায়ুর বিষয়টি স্পষ্ট ও জোড় দিয়ে বলেছেন সেটা প্রশংসার। কিন্তু রোহিঙ্গা বিষয় হাইপ্রোফাইল সাবেক উপদেষ্টা এখন তিনি জাতিসংঘেই আছে তিনি কি করলেন? একজন রোহিঙ্গাকে কি ফেরাতে পেরেছেন?
১১। সেটা না করতে পারলেও, কোন ব্যবস্যা-বিনিয়োগ না আনতে পারলেও মার্কিনের সাথে ১১টি বোয়িং কেনার চুক্তি ঠিকই করেছেন। যার মূল্য প্রায় ৩৮ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু ব্যবস্যা দিয়েও তো ট্রাম্পের সাথে একটি ছবিও তুলতে পারলেন না? তাহলে ড. খলিলের কেরামতি কোথায়? তিনি শুধু কোন ফাকে ট্রাম্পের সাথে একটা হাত কচলানো ছবি জাতিকে উপহার দিলেন?
১২। জাতিসংঘের অধিবেশনে ট্রাম্প, পুতিন, শি, মোদী, ফ্রিডরিখসহ ৫০ জন রাষ্ট্র্র নায়ক উপস্থিত ছিলেন না। কেন ছিলেন না? ছিলেন না কারণ তারা এর গুরুত্ব তেমন উপলব্ধি করেন না। সে কারণই বলি জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন রাষ্ট্রগুলোর বাৎসরিক বনভোজন বৈ অন্য কিছু নয়। পরিষদের সভাতেই আর্জেন্টিনা, ইরানের নেতারা এ সব কথা বলেছেন। সে কারণেই জাতিসংঘের পূণর্গঠনের কথা আবারো উচ্চারিত হয়েছে

Monjure Khoda Torik’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন। https://jatvbd.com/login-door

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

জাতিসংঘ অধিবেশনে তারেক রহমানের অর্জন কি?

প্রকাশের সময় : ০৯:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

১। জাতিসংঘ অধিবেশনে তারেক রহমানের অর্জন কি? আসলে এখান থেকে তেমন কোন কিছু অর্জন করার নেই। সেই অর্থে এখান থেকে কোন দেশই তেমন কোন কিছু অর্জন করে এমনও নয়। কিন্তু এমন আলোচনা সামনে আসে যখন তাঁর অফিসের লোকজন এটাকে অতিকথনের মাধ্যমে মহিমান্বিত করেন। বাস্তবে কি তেমন কোন কিছু হয়েছে?
২। তবে জাতিসংঘ অধিবেশনকে ঘিরে এর সাইডলাইনে অনেক কিছুই ঘটে, ঘটতে পারে। সেখানেই যোগ হতে পারে কোন নেতার-দেশের ভাল-মন্দ। সেটার জন্য চাই নেতৃত্বের দক্ষতা, যোগ্যতা ও ভাবমূর্তি। কেননা বাৎসরিক এই অধিবেশনে বিশ্বের সকল দেশের নেতৃত্ব ও সরকার সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত হন। অধিবেশনের ফাকে তাদের সাথে আলাপ-বৈঠকে দেশের জন্য ভাল কিছু/সম্ভবনা হতে পারে।
৩। কিন্তু সেখানেও কি তারেক রহমান আহা মরি কিছু করতে পেরেছেন? পাকিস্তান, তুরস্ক ও তেহরানের নেতৃত্বের সাথে দেখা ও বৈঠক করা ছাড়া? ইউনূসের সময় থেকেই তুরস্ক-পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের ঘনিষ্টতা দৃশ্যমান। শুধু ইরানের বিষয়টিই ভিন্ন কিন্তু ইরান নিয়ে সরকারের অবস্থান তো আমেরিকার লাইনেই। কিন্তু তাদের সাথে কি কথা হলো? কোন বিশেষ কোন কিছু কি? কি সেটা?
৪। তারেক রহমানের ভাষনের সময় ছিল বিকেল সারে ৫টায়। যে সময়টি ছিল অধিবেশনের অলস সময়। অধিকাংশ দেশের প্রতিনিধিই আরলি ডিনারের জন্য চলে যান। আর যে সময় তিনি বক্তব্য প্রদান করেন তখন বাংলাদেশ রাত সারে ৩টা। এই সময় জাতিসংঘ মহাসচিবও ছিলেন না। তাঁর বক্তব্যের সময় সেখানে যারা উপস্থিত ছিলেন তারাও তেমন মনোযোগী ছিলেন না।
৫। সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিল। তিনি কেন তারেক রহমানের জন্য এমন একটি সময় নির্ধারণ করলেন? তার কি কিছুই করার ছিল না? না তিনি তা করতে গা করেন নি? কিন্তু কেন? এটা তো তাঁরই দায়িত্ব ছিল? সরকারের উচিত তাঁর কাছে বিষয়টির ব্যাখ্যা চাওয়া।
৬। ড. ইউনূস কেন তার তথাকথিত সামাজিক ব্যবসার সভার জন্য এই সময়টিকে বেছে নিলেন? সেটা কি তারেক রহমানকে ছোট করার জন্য? তার এই ঘটনা স্পষ্টত প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করা ও নিজের ক্ষমতাবাজি প্রমাণ প্রচেষ্ট!
আর খলিল সাহেবরা সেখানে তার সাথে যেভাব ফটো সেশন করলেন তা ছিল রীতিমত দৃষ্টিকটু ও উদ্দেশ্যমুলক। এটা ছিল ইউনূসের ফাতরামি ও বাটপারি। তিনি বোকা বাঙালিকে বোঝাতে চেয়েছিলেন যে, তিনিও জাতিসংঘে আমন্ত্রিত? সেখানে তারেক রহমানের কোন গুরুত্ব নেই। তাঁকে ম্লান করতেই তিনি এই কাজ করেছেন।
৭। এই সময়েই ইউনূস ট্রাম্পের প্রতিপক্ষ ক্লিনটন ও হিলারির সাথে নিজের ছবি প্রকাশ করেছেন! সেটা কি আসলে ট্রাম্পকে বিরক্ত করা ও নিজের প্রভাব দেখানোর জন্য? এই ছবির প্রকাশও তারেক রহমান ও মার্কিন প্রশাসনের সাথে সম্পর্ককে অস্বস্তিতে ফেলতেই কি?
৮। আচ্ছা ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার পর বিশ্বের কোন প্রভাবশালী বা সাধারণ কোন মিডিয়া কি তার কোন সাক্ষাৎকার নিয়েছে? না ডাকেনি। কেন ডাকেনি? কারণ তার বাটপারি তারা বুঝে গেছে। কিন্তু ফ্যাসিস্ট (?) হাসিনার সাক্ষাৎকার তো ক্রমাগত বিশ্ব মিডিয়ায় প্রকাশ পাচ্ছে। তার কারণ কি? তার পিআর টিম এখানে কোন কাজে লাগছে না?
৯। ড. খলিল তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানকে তাঁর অফিসের লিগ্যাল অফিসার নিয়োগ করে তারেক রহমানের ভাবমূর্তির ক্ষতি করলেন। এতে জিয়া পরিবারের সন্মান কোনভাবেই উজ্জল হয়নি। এর মাধ্যমে স্বজনপ্রীতির বৈশ্বিক চরিত্র দিয়েছেন। তারেক রহমানেরও তাঁর মেয়ের এই পদায়নকে সমর্থন করা ঠিক হয়নি। এর মাধ্যমে ড. খলিল জিয়া পরিবারের ঘনিষ্টতা ও আনুগত্য প্রমাণ করতে চেয়েছেন নাকি অন্য কোন গভীর উদ্দেশ্য ও সমীকরণ আছে?
১০। তারেক রহমান যে বক্তৃতা দিয়েছেন তা গতানুগতিক। সেগুলো কোন প্রভাব আছে বলে মনে হয় না। তবে তিনি রোহিঙ্গা ও জলাবায়ুর বিষয়টি স্পষ্ট ও জোড় দিয়ে বলেছেন সেটা প্রশংসার। কিন্তু রোহিঙ্গা বিষয় হাইপ্রোফাইল সাবেক উপদেষ্টা এখন তিনি জাতিসংঘেই আছে তিনি কি করলেন? একজন রোহিঙ্গাকে কি ফেরাতে পেরেছেন?
১১। সেটা না করতে পারলেও, কোন ব্যবস্যা-বিনিয়োগ না আনতে পারলেও মার্কিনের সাথে ১১টি বোয়িং কেনার চুক্তি ঠিকই করেছেন। যার মূল্য প্রায় ৩৮ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু ব্যবস্যা দিয়েও তো ট্রাম্পের সাথে একটি ছবিও তুলতে পারলেন না? তাহলে ড. খলিলের কেরামতি কোথায়? তিনি শুধু কোন ফাকে ট্রাম্পের সাথে একটা হাত কচলানো ছবি জাতিকে উপহার দিলেন?
১২। জাতিসংঘের অধিবেশনে ট্রাম্প, পুতিন, শি, মোদী, ফ্রিডরিখসহ ৫০ জন রাষ্ট্র্র নায়ক উপস্থিত ছিলেন না। কেন ছিলেন না? ছিলেন না কারণ তারা এর গুরুত্ব তেমন উপলব্ধি করেন না। সে কারণই বলি জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন রাষ্ট্রগুলোর বাৎসরিক বনভোজন বৈ অন্য কিছু নয়। পরিষদের সভাতেই আর্জেন্টিনা, ইরানের নেতারা এ সব কথা বলেছেন। সে কারণেই জাতিসংঘের পূণর্গঠনের কথা আবারো উচ্চারিত হয়েছে

Monjure Khoda Torik’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন। https://jatvbd.com/login-door