, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আন্তর্জাতিক ৩ সমীকরণে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • ৩৬ পড়া হয়েছে

অনলাইন১০ জুলাই, ২০২৬

আন্তর্জাতিক রাজনীতির যে ৩ সমীকরণে আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র!
এক. যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য নিয়ে বাংলাদেশে যে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী জোট ক্ষমতা দখল করেছিলো ক্রমেই তারা তাদের পুরনো মিত্র চায়না, ইরান, তুরস্ক ও পাকিস্তানের হাতের মুঠোয় চলে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রকে ধোকা দিয়ে বোকা বানিয়ে চীনকে করিডোর দিয়ে এই মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী জোট কোনভাবেই টিকতে পারবে না। অন্যদিকে চীনও শর্ত দিয়ে রেখেছে করিডোর ছাড়া কোন ইনভেস্টমেন্ট নয়! কোন দিকে যাবা?
দুই. আরেক ভাই ভারতের সাথে সরাসরি বিট্রে করেছে। যে অঙ্গিকারে তিনি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেছিলেন তার কোন অঙ্গীকারই তিনি রাখেননি। এই সরকার পুরোপুরি পাকিস্তান ও চীন পন্থী সরকার। ভারত তার নিজের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থের কথা ভেবে এখানে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী জঙ্গিগোষ্ঠীর সরকারকে সমর্থন দিবে না। তারা জোড়ালোভাবে ইনক্লুসিভ ডেমোক্রেসির কথা বলবে।
তিন. বদলে যাওয়া পরিস্থতির কারণে খুব দ্রুতই ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাংলাদেশ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত হবে। ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্র যদি এখানে জঙ্গি ও পাকিস্তান পন্থীদের ভাগাভাগির বেসরকারের পরিবর্তে গণতান্ত্রিক সরকার চায় তাই হবে। সেনাবাহিনী নিরপেক্ষ অবস্থানে যেতে বাধ্য হবে। তখন কি হবে? বাপ বাপ করে আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিবে আরেক ভাই।
লিখে রাখুন। আগামী ৬ মাস থেকে সর্বোচ্চ ১ বছরের মধ্যে এরকম কিছুই ঘটতে শুরু করবে। এবং আগামী ১২-১৬ মাসের মধ্যে বাংলাদেশে ইনক্লুসিভ ইলেকশন হবে।
ভারত যুক্তরাষ্ট্র কোনদিনও বাংলাদেশ – মিয়ানমার- চায়না করিডোর মেনে নিবে না। আবার করিডোর না পেলে চায়নাও বড়ো কোন বিনিয়োগ করবে না। গেলো ২ বছরে আমাদের আলাভোলা তথাকথিত লাল বিপ্লবীদের অনেকেরই ঘুম ভেঙে যাবে। যারা উপলব্ধি করবেন- দিল্লি না ঢাকা বলে আমরিকার কাছে দেশ বিক্রি করা বাটপারদের চেয়ে শেখ হাসিনার সরকারই ভালো ছিলো।

Md Azizul Islam’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

আন্তর্জাতিক ৩ সমীকরণে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন

প্রকাশের সময় : ০৬:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

অনলাইন১০ জুলাই, ২০২৬

আন্তর্জাতিক রাজনীতির যে ৩ সমীকরণে আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র!
এক. যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য নিয়ে বাংলাদেশে যে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী জোট ক্ষমতা দখল করেছিলো ক্রমেই তারা তাদের পুরনো মিত্র চায়না, ইরান, তুরস্ক ও পাকিস্তানের হাতের মুঠোয় চলে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রকে ধোকা দিয়ে বোকা বানিয়ে চীনকে করিডোর দিয়ে এই মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী জোট কোনভাবেই টিকতে পারবে না। অন্যদিকে চীনও শর্ত দিয়ে রেখেছে করিডোর ছাড়া কোন ইনভেস্টমেন্ট নয়! কোন দিকে যাবা?
দুই. আরেক ভাই ভারতের সাথে সরাসরি বিট্রে করেছে। যে অঙ্গিকারে তিনি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেছিলেন তার কোন অঙ্গীকারই তিনি রাখেননি। এই সরকার পুরোপুরি পাকিস্তান ও চীন পন্থী সরকার। ভারত তার নিজের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থের কথা ভেবে এখানে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী জঙ্গিগোষ্ঠীর সরকারকে সমর্থন দিবে না। তারা জোড়ালোভাবে ইনক্লুসিভ ডেমোক্রেসির কথা বলবে।
তিন. বদলে যাওয়া পরিস্থতির কারণে খুব দ্রুতই ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাংলাদেশ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত হবে। ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্র যদি এখানে জঙ্গি ও পাকিস্তান পন্থীদের ভাগাভাগির বেসরকারের পরিবর্তে গণতান্ত্রিক সরকার চায় তাই হবে। সেনাবাহিনী নিরপেক্ষ অবস্থানে যেতে বাধ্য হবে। তখন কি হবে? বাপ বাপ করে আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিবে আরেক ভাই।
লিখে রাখুন। আগামী ৬ মাস থেকে সর্বোচ্চ ১ বছরের মধ্যে এরকম কিছুই ঘটতে শুরু করবে। এবং আগামী ১২-১৬ মাসের মধ্যে বাংলাদেশে ইনক্লুসিভ ইলেকশন হবে।
ভারত যুক্তরাষ্ট্র কোনদিনও বাংলাদেশ – মিয়ানমার- চায়না করিডোর মেনে নিবে না। আবার করিডোর না পেলে চায়নাও বড়ো কোন বিনিয়োগ করবে না। গেলো ২ বছরে আমাদের আলাভোলা তথাকথিত লাল বিপ্লবীদের অনেকেরই ঘুম ভেঙে যাবে। যারা উপলব্ধি করবেন- দিল্লি না ঢাকা বলে আমরিকার কাছে দেশ বিক্রি করা বাটপারদের চেয়ে শেখ হাসিনার সরকারই ভালো ছিলো।

Md Azizul Islam’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।