, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

একজন ওসির আর্তনাদ থানায়

  • প্রকাশের সময় : ০৬:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • ১১৪ পড়া হয়েছে

অনলাইন১০ জুলাই, ২০২৬

একজন ওসির চোখের জল—এটি শুধু একজন ব্যক্তির কান্না নয়, এটি দায়িত্বের ভারে ন্যুব্জ একজন রাষ্ট্রের কর্মচারীর নীরব আর্তনাদ।

আগৈলঝাড়া থানার সাম্প্রতিক ঘটনায় একজন ওসিকে চোখের পানি ফেলতে দেখা গেছে। সেই অশ্রুর মূল্য কতজন বুঝবেন? কতটা অসহায়, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এবং দায়িত্বের চাপে বিধ্বস্ত হলে একজন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রকাশ্যে কেঁদে ফেলতে পারেন—সেটি উপলব্ধি করা সহজ নয়।
একজন পুলিশ কর্মকর্তা প্রতিদিন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অসংখ্য ঝুঁকি নেন। কিন্তু গুজব, উত্তেজনা ও সহিংসতা যখন পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যায়, তখন তারাও মানুষ—তাদেরও অনুভূতি আছে, কষ্ট আছে, পরিবার আছে।
কোনো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার আগেই গুজব ছড়িয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কখনোই সমাধান হতে পারে না। এতে শুধু রাষ্ট্রের সম্পদই ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, আহত হন কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরাও, ক্ষতিগ্রস্ত হয় জনগণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
আসুন, আমরা গুজব নয়—সত্যকে অনুসরণ করি। উত্তেজনা নয়—আইনের প্রতি আস্থা রাখি। কারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দুর্বল করা মানে শেষ পর্যন্ত নিজেদের নিরাপত্তাকেই দুর্বল করা।
একজন ওসির চোখের পানি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—পুলিশের পোশাকের আড়ালেও একজন রক্ত-মাংসের মানুষ আছেন। সেই মানুষটির মানবিক মর্যাদা ও সম্মান রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব।

Md Shahidullah 

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

একজন ওসির আর্তনাদ থানায়

প্রকাশের সময় : ০৬:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

অনলাইন১০ জুলাই, ২০২৬

একজন ওসির চোখের জল—এটি শুধু একজন ব্যক্তির কান্না নয়, এটি দায়িত্বের ভারে ন্যুব্জ একজন রাষ্ট্রের কর্মচারীর নীরব আর্তনাদ।

আগৈলঝাড়া থানার সাম্প্রতিক ঘটনায় একজন ওসিকে চোখের পানি ফেলতে দেখা গেছে। সেই অশ্রুর মূল্য কতজন বুঝবেন? কতটা অসহায়, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এবং দায়িত্বের চাপে বিধ্বস্ত হলে একজন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রকাশ্যে কেঁদে ফেলতে পারেন—সেটি উপলব্ধি করা সহজ নয়।
একজন পুলিশ কর্মকর্তা প্রতিদিন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অসংখ্য ঝুঁকি নেন। কিন্তু গুজব, উত্তেজনা ও সহিংসতা যখন পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যায়, তখন তারাও মানুষ—তাদেরও অনুভূতি আছে, কষ্ট আছে, পরিবার আছে।
কোনো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার আগেই গুজব ছড়িয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কখনোই সমাধান হতে পারে না। এতে শুধু রাষ্ট্রের সম্পদই ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, আহত হন কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরাও, ক্ষতিগ্রস্ত হয় জনগণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
আসুন, আমরা গুজব নয়—সত্যকে অনুসরণ করি। উত্তেজনা নয়—আইনের প্রতি আস্থা রাখি। কারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দুর্বল করা মানে শেষ পর্যন্ত নিজেদের নিরাপত্তাকেই দুর্বল করা।
একজন ওসির চোখের পানি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—পুলিশের পোশাকের আড়ালেও একজন রক্ত-মাংসের মানুষ আছেন। সেই মানুষটির মানবিক মর্যাদা ও সম্মান রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব।

Md Shahidullah 

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।