, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

এক দিন গর্ভে নয় সন্তানের জন্ম :পাঁচ বছর পর কেমন তারা

  • প্রকাশের সময় : ০৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
  • ৩৫ পড়া হয়েছে
·অনলাইন মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, পাঁচ বছর বয়সে নয় ভাই-বোনই বেশ বড় হয়ে উঠেছে।

এক গর্ভে নয় সন্তানের জন্ম দিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়া মালির হালিমা সিসের সেই নয় সন্তান এখন পাঁচ বছর বয়সি। পাঁচ মেয়ে কাদিদিয়া, ফাতুমা, হাওয়া, আদামা ও উমু এবং চার ছেলে মোহাম্মদ ষষ্ঠ, এলহাদজি, উমর ও বাহ এখন সুস্থ-সবল।

২০২১ সালের ৪ মে মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কায় ৩০ সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তাদের জন্ম হয়। জন্মের সময় শিশুদের ওজন ছিল মাত্র ৫০০ গ্রাম থেকে ১ কেজির মধ্যে। অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেওয়ায় তাদের দীর্ঘ সময় বিশেষায়িত চিকিৎসা ও নিবিড় পরিচর্যার প্রয়োজন হয়। জন্মের পর প্রায় ১৯ মাস মরক্কোতেই চিকিৎসকদের

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের স্বীকৃতি অনুযায়ী, একসঙ্গে জন্ম নিয়ে বেঁচে থাকা সর্বাধিক সন্তান হিসেবে তারা বিশ্বরেকর্ডের অধিকারী। বর্তমানে বাবা আবদেলকাদের আরবি, মা হালিমা সিসে এবং বড় বোন আরবির সঙ্গে মালিতে বসবাস করছে নয় ভাই-বোন।

হালিমার গর্ভাবস্থার শুরুতে চিকিৎসকেরা ধারণা করেছিলেন, তার গর্ভে সাতটি শিশু রয়েছে। পরে বিশেষায়িত পরীক্ষায় জানা যায়, সেখানে রয়েছে আরও দুটি শিশু। ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থার কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মরক্কোতে নেওয়া হয়। সেখানেই শেষ পর্যন্ত নয় শিশুর জন্ম হয়।

পঞ্চম জন্মদিন উপলক্ষে হালিমা সিসে বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, বাচ্চারা সবাই সুস্থ, এবং আনন্দে আছে। খুব শিগগিরই তারা স্কুলে যাবে। তাদের শিক্ষার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। পাশাপাশি শৈশবটাও যেন আনন্দময় থাকে, সেটিও নিশ্চিত করছি।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি সন্তানের স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্ব রয়েছে। কেউ বেশি চঞ্চল ও প্রাণবন্ত, আবার কেউ শান্ত ও পর্যবেক্ষণপ্রবণ। তারা একে অপরকে খুব ভালোবাসে। ছোটখাটো মতবিরোধ হলেও ভাই-বোনদের মধ্যে বন্ধন অনেক গভীর।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, পাঁচ বছর বয়সে নয় ভাই-বোনই বেশ বড় হয়ে উঠেছে। কখনো সবাই একসঙ্গে, আবার কখনো ছেলে ও মেয়েরা আলাদাভাবে ছবি তুলেছে। তাদের বেড়ে ওঠার এসব ছবি বিশ্বজুড়ে নতুন করে মানুষের আগ্রহ তৈরি করেছে।

এক গর্ভে নয় সন্তানের জন্ম, জন্মের পর নয়জনেরই বেঁচে থাকা এবং পাঁচ বছর পরও সুস্থভাবে বেড়ে ওঠা চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে বিরল এক ঘটনা

\

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

এক দিন গর্ভে নয় সন্তানের জন্ম :পাঁচ বছর পর কেমন তারা

প্রকাশের সময় : ০৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
·অনলাইন মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, পাঁচ বছর বয়সে নয় ভাই-বোনই বেশ বড় হয়ে উঠেছে।

এক গর্ভে নয় সন্তানের জন্ম দিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়া মালির হালিমা সিসের সেই নয় সন্তান এখন পাঁচ বছর বয়সি। পাঁচ মেয়ে কাদিদিয়া, ফাতুমা, হাওয়া, আদামা ও উমু এবং চার ছেলে মোহাম্মদ ষষ্ঠ, এলহাদজি, উমর ও বাহ এখন সুস্থ-সবল।

২০২১ সালের ৪ মে মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কায় ৩০ সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তাদের জন্ম হয়। জন্মের সময় শিশুদের ওজন ছিল মাত্র ৫০০ গ্রাম থেকে ১ কেজির মধ্যে। অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেওয়ায় তাদের দীর্ঘ সময় বিশেষায়িত চিকিৎসা ও নিবিড় পরিচর্যার প্রয়োজন হয়। জন্মের পর প্রায় ১৯ মাস মরক্কোতেই চিকিৎসকদের

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের স্বীকৃতি অনুযায়ী, একসঙ্গে জন্ম নিয়ে বেঁচে থাকা সর্বাধিক সন্তান হিসেবে তারা বিশ্বরেকর্ডের অধিকারী। বর্তমানে বাবা আবদেলকাদের আরবি, মা হালিমা সিসে এবং বড় বোন আরবির সঙ্গে মালিতে বসবাস করছে নয় ভাই-বোন।

হালিমার গর্ভাবস্থার শুরুতে চিকিৎসকেরা ধারণা করেছিলেন, তার গর্ভে সাতটি শিশু রয়েছে। পরে বিশেষায়িত পরীক্ষায় জানা যায়, সেখানে রয়েছে আরও দুটি শিশু। ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থার কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মরক্কোতে নেওয়া হয়। সেখানেই শেষ পর্যন্ত নয় শিশুর জন্ম হয়।

পঞ্চম জন্মদিন উপলক্ষে হালিমা সিসে বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, বাচ্চারা সবাই সুস্থ, এবং আনন্দে আছে। খুব শিগগিরই তারা স্কুলে যাবে। তাদের শিক্ষার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। পাশাপাশি শৈশবটাও যেন আনন্দময় থাকে, সেটিও নিশ্চিত করছি।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি সন্তানের স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্ব রয়েছে। কেউ বেশি চঞ্চল ও প্রাণবন্ত, আবার কেউ শান্ত ও পর্যবেক্ষণপ্রবণ। তারা একে অপরকে খুব ভালোবাসে। ছোটখাটো মতবিরোধ হলেও ভাই-বোনদের মধ্যে বন্ধন অনেক গভীর।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, পাঁচ বছর বয়সে নয় ভাই-বোনই বেশ বড় হয়ে উঠেছে। কখনো সবাই একসঙ্গে, আবার কখনো ছেলে ও মেয়েরা আলাদাভাবে ছবি তুলেছে। তাদের বেড়ে ওঠার এসব ছবি বিশ্বজুড়ে নতুন করে মানুষের আগ্রহ তৈরি করেছে।

এক গর্ভে নয় সন্তানের জন্ম, জন্মের পর নয়জনেরই বেঁচে থাকা এবং পাঁচ বছর পরও সুস্থভাবে বেড়ে ওঠা চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে বিরল এক ঘটনা

\