, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

রাজনীতির মঞ্চটা বড় অদ্ভুতদুই বাংলার দুই নেত্রী

  • প্রকাশের সময় : ১১:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • ৯৭ পড়া হয়েছে
Hammad Ali Johan
রাজনীতির মঞ্চটা বড় অদ্ভুত। এখানে ক্ষমতার আলো যখন নেভে, তখনই চেনা যায় আসল রূপ। দুই বাংলার দুই নেত্রী—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শেখ হাসিনা—দুজনেই নিজ নিজ ভূখণ্ডে দীর্ঘ সময় ধরে রাজত্ব করেছেন, তৈরি করেছেন নিজেদের একচ্ছত্র প্রভাব। কিন্তু ক্ষমতার পালাবদল বা সংকটের মুহূর্তে তাদের দলের নেতাকর্মীদের আচরণ ইতিহাসের পাতায় দুটি ভিন্ন ভিন্ন গল্পের জন্ম দিয়েছে।
একদিকে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি, আর অন্যদিকে বাংলাদেশের মাটি। একপাশে ক্ষমতার লোভে পিঠটান দেওয়ার গল্প, অন্যপাশে বুক পেতে গুলি নিয়েও শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে নেত্রীর প্রতি বিশ্বস্ত থাকার মহাকাব্য।
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে আমরা দেখছি এক চরম বাস্তববাদী ও স্বার্থান্বেষী চিত্র। ক্ষমতার গদিতে সামান্য টান লাগতেই কীভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের ‘তৃণমূল’ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়তে দেখা যাচ্ছে।
যে দলটিকে তিনি নিজের রক্ত-ঘামে গড়ে তুলেছিলেন, সেই দলেরই প্রথম সারির নেতারা, তার অতি বিশ্বস্ত সহচররা রাতারাতি ভোল বদলে ফেললো।
তাকে দল থেকে উচ্ছেদ করার চক্রান্ত করে, তার হাত ছেড়ে দিয়ে তারা অবলীলায় হাত মেলালো বিরোধী শিবির বিজেপির সঙ্গে।
কাল যে নেত্রীকে ‘দিদি’ বলে স্লোগান দিয়েছিল, আজ ক্ষমতার লোভে তাকেই একলা ফেলে তারা চলে গেল নতুন প্রভুর খোঁজে।
এই রাজনীতি আবেগের নয়, এই রাজনীতি স্রেফ হিসেব-নিকেশের। এখানে নেত্রীর প্রতি আনুগত্যের চেয়ে চেয়ারের মোহই বড়।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

রাজনীতির মঞ্চটা বড় অদ্ভুতদুই বাংলার দুই নেত্রী

প্রকাশের সময় : ১১:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
Hammad Ali Johan
রাজনীতির মঞ্চটা বড় অদ্ভুত। এখানে ক্ষমতার আলো যখন নেভে, তখনই চেনা যায় আসল রূপ। দুই বাংলার দুই নেত্রী—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শেখ হাসিনা—দুজনেই নিজ নিজ ভূখণ্ডে দীর্ঘ সময় ধরে রাজত্ব করেছেন, তৈরি করেছেন নিজেদের একচ্ছত্র প্রভাব। কিন্তু ক্ষমতার পালাবদল বা সংকটের মুহূর্তে তাদের দলের নেতাকর্মীদের আচরণ ইতিহাসের পাতায় দুটি ভিন্ন ভিন্ন গল্পের জন্ম দিয়েছে।
একদিকে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি, আর অন্যদিকে বাংলাদেশের মাটি। একপাশে ক্ষমতার লোভে পিঠটান দেওয়ার গল্প, অন্যপাশে বুক পেতে গুলি নিয়েও শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে নেত্রীর প্রতি বিশ্বস্ত থাকার মহাকাব্য।
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে আমরা দেখছি এক চরম বাস্তববাদী ও স্বার্থান্বেষী চিত্র। ক্ষমতার গদিতে সামান্য টান লাগতেই কীভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের ‘তৃণমূল’ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়তে দেখা যাচ্ছে।
যে দলটিকে তিনি নিজের রক্ত-ঘামে গড়ে তুলেছিলেন, সেই দলেরই প্রথম সারির নেতারা, তার অতি বিশ্বস্ত সহচররা রাতারাতি ভোল বদলে ফেললো।
তাকে দল থেকে উচ্ছেদ করার চক্রান্ত করে, তার হাত ছেড়ে দিয়ে তারা অবলীলায় হাত মেলালো বিরোধী শিবির বিজেপির সঙ্গে।
কাল যে নেত্রীকে ‘দিদি’ বলে স্লোগান দিয়েছিল, আজ ক্ষমতার লোভে তাকেই একলা ফেলে তারা চলে গেল নতুন প্রভুর খোঁজে।
এই রাজনীতি আবেগের নয়, এই রাজনীতি স্রেফ হিসেব-নিকেশের। এখানে নেত্রীর প্রতি আনুগত্যের চেয়ে চেয়ারের মোহই বড়।