, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

ওয়ার্ল্ড পলিটিক্সের উর্বর ভূমি  এখন বাংলাদেশ

  • প্রকাশের সময় : ০২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • ১৪৭ পড়া হয়েছে

অনলাইন

ওয়ার্ল্ড পলিটিক্সের উর্বর ভূমি  এখন বাংলাদেশ। তাই আওয়ামী লীগে এখন সেই ধরনের উপযোগী যোগ্য নেতৃত্ব দরকার। নেত্রীর সাথে যারা আছেন তাদের ক’জনের এই যোগ্যতা আছে? নেই তো। ওবায়দুল কাদের সাহেবেরও নেই। বাকিরা তেলাপোকা। যে ক’জন আছে তাদের সম্পর্কে কাদের সাহেব ভয় দেখাচ্ছেন। সেই মেধাবী সৎ ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে পারদর্শী কিছু স্মার্টনেতা আছেন, তাদের ব্যপারে ভীতি প্রদর্শন করছেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কোনো বামপন্থী বিপ্লবী সশস্ত্র সংগঠন নয়। এই সংগঠনে ‘মাল্টিক্লাস পিপুল’র সমাহার। তবে ‘মিডলক্লাস ক্যারেকটার’ এই সংগঠনের চালিকাশক্তি। আওয়ামী লীগ দলটি অবশ্যই সুস্থ ধারার পুঁজিবাদী অর্থনীতি বিকাশে বিশ্বাসী একটি অসাম্প্রদায়িক, জাতীয়তাবাদী, সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদ বিরোধী বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক দল।
উল্লেখ্য যে, বিগত তিন দশকে বাংলাদেশের অর্থনীতির বিকাশে সুস্থ স্বাভাবিক পুঁজি  বিকাশের পাশাপাশি একটি লুটেরা ধান্দাবাজি, চান্দাবাজি, কমিশনবাজি পুঁজিরও বিকাশ ঘটেছে। সেই লুটেরা পুঁজি আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলিতে অনুপ্রবেশ করেছে। আওয়ামী লীগ এই ছোবল থেকে বাদ যায়নি। আওয়ামী লীগের মতো একটি গণমুখী ঐতিহ্যবাহী বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক সুস্থ সুন্দর গতিপথে এই লুটেরা পুঁজি অন্তরায় সৃষ্টি করেছে।
তাই এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হবে লুটেরা পুঁজিওয়ালাদের প্রতি যারা আওয়ামী লীগের রাজনীতি ও সংগঠনকে কলুষিত করেছিল। যারা রাজনীতিকে এই গণবিরোধী পুঁজিওয়ালাদের কাছে বিকিয়ে দিয়েছিল এবং এভাবে দলটিকে ধ্বংস করেছিল।
আওয়ামী লীগ প্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে দেশ পরিচালনা করেছিলেন তা সঠিক ছিল, শুধু লুটেরা কতিপয় বুর্জোয়াকে সামাল দিতে পারলেই তিনি শতভাগ সফল হতেন।
তাহলেই দলের অভ্যন্তরে লুটপাটে নিয়োজিত পারভার্টেড বুর্জোয়াদের প্রতিনিধিরা কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতা হতে পারতো না, বড় বড় পদে আসতে পারতো না এবং মন্ত্রী এমপি হতে পারতো না। সংগঠন ও সরকারের প্রতি গণ-আস্থা নষ্ট হতো না এবং কেউ ষড়যন্ত্র করে সরকার ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করে সফলও হতে পারতো না।
কাদের সাহেবরা যে ভয় দেখাচ্ছেন এটা অমূলক। তাঁর সঙ্গীয় ব্যর্থ বাগাড়ম্বরকারী উজবুক কমিশনভোগী নেতারা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার অপকৌশলের আশ্রয় নিয়ে সিন্ডিকেট প্রধান কাদের সাহেবের মুখ দিয়ে তা প্রকাশ করেছেন। কাদের সাহেব এবং তার সঙ্গিরা নিজেদের পদ হারানোর ভয় পেয়েছেন বলে নেত্রীকে ভয় দেখাচ্ছেন।
কাদের সাহেব একটা কথা সত্য বলেছেন। “অবজেক্টিভ কন্ডিশন” (জনসমর্থন) যতই পক্ষে থাকুক, যদি “সাবজেক্টিভ প্রিপারেশন” (সাংগঠনিক প্রস্তুতি) না থাকে তবে আন্দোলন কিংবা বিপ্লব সফল হয় না। এ কথা সঠিক। তাই সাংগঠনিক প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।
আর সেটা নেত্রী নিচ্ছেন বলেই জনাব ওবায়দুল কাদের নেত্রীকে কোনো কোনো মেধাবী এবং তুলনামূলক তরুণ, ইংরেজি বাংলায় দুর্দান্ত স্মার্ট বাগ্মী, প্রজ্ঞাবান বিশ্লেষক নেতাদের প্রতি ভয় পেয়ে নেত্রীকে সতর্ক করছেন, যেন এদেরকে সংগঠনে নানক রহমান, হানিফ, নাসিম, হাসান, আযম, আহাম্মদ, কামাল, স্বপন, গোলাপ,আফজাল, নাদেল,অসীমসহ আরো কতিপয়ের স্থলে দায়িত্ব দিয়ে বসিয়ে না দেন।
কিন্তু কাদের সাহেবের ভাষণে মনে হচ্ছে নেত্রী সংগঠনকে পুনর্গঠন করবেন। নতুন রক্ত সঞ্চালন করবেনই। আর এটা কোটি কোটি মুজিব প্রেমিকের চাওয়া।  ahmad sir
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

ওয়ার্ল্ড পলিটিক্সের উর্বর ভূমি  এখন বাংলাদেশ

প্রকাশের সময় : ০২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

অনলাইন

ওয়ার্ল্ড পলিটিক্সের উর্বর ভূমি  এখন বাংলাদেশ। তাই আওয়ামী লীগে এখন সেই ধরনের উপযোগী যোগ্য নেতৃত্ব দরকার। নেত্রীর সাথে যারা আছেন তাদের ক’জনের এই যোগ্যতা আছে? নেই তো। ওবায়দুল কাদের সাহেবেরও নেই। বাকিরা তেলাপোকা। যে ক’জন আছে তাদের সম্পর্কে কাদের সাহেব ভয় দেখাচ্ছেন। সেই মেধাবী সৎ ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে পারদর্শী কিছু স্মার্টনেতা আছেন, তাদের ব্যপারে ভীতি প্রদর্শন করছেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কোনো বামপন্থী বিপ্লবী সশস্ত্র সংগঠন নয়। এই সংগঠনে ‘মাল্টিক্লাস পিপুল’র সমাহার। তবে ‘মিডলক্লাস ক্যারেকটার’ এই সংগঠনের চালিকাশক্তি। আওয়ামী লীগ দলটি অবশ্যই সুস্থ ধারার পুঁজিবাদী অর্থনীতি বিকাশে বিশ্বাসী একটি অসাম্প্রদায়িক, জাতীয়তাবাদী, সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদ বিরোধী বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক দল।
উল্লেখ্য যে, বিগত তিন দশকে বাংলাদেশের অর্থনীতির বিকাশে সুস্থ স্বাভাবিক পুঁজি  বিকাশের পাশাপাশি একটি লুটেরা ধান্দাবাজি, চান্দাবাজি, কমিশনবাজি পুঁজিরও বিকাশ ঘটেছে। সেই লুটেরা পুঁজি আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলিতে অনুপ্রবেশ করেছে। আওয়ামী লীগ এই ছোবল থেকে বাদ যায়নি। আওয়ামী লীগের মতো একটি গণমুখী ঐতিহ্যবাহী বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক সুস্থ সুন্দর গতিপথে এই লুটেরা পুঁজি অন্তরায় সৃষ্টি করেছে।
তাই এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হবে লুটেরা পুঁজিওয়ালাদের প্রতি যারা আওয়ামী লীগের রাজনীতি ও সংগঠনকে কলুষিত করেছিল। যারা রাজনীতিকে এই গণবিরোধী পুঁজিওয়ালাদের কাছে বিকিয়ে দিয়েছিল এবং এভাবে দলটিকে ধ্বংস করেছিল।
আওয়ামী লীগ প্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে দেশ পরিচালনা করেছিলেন তা সঠিক ছিল, শুধু লুটেরা কতিপয় বুর্জোয়াকে সামাল দিতে পারলেই তিনি শতভাগ সফল হতেন।
তাহলেই দলের অভ্যন্তরে লুটপাটে নিয়োজিত পারভার্টেড বুর্জোয়াদের প্রতিনিধিরা কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতা হতে পারতো না, বড় বড় পদে আসতে পারতো না এবং মন্ত্রী এমপি হতে পারতো না। সংগঠন ও সরকারের প্রতি গণ-আস্থা নষ্ট হতো না এবং কেউ ষড়যন্ত্র করে সরকার ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করে সফলও হতে পারতো না।
কাদের সাহেবরা যে ভয় দেখাচ্ছেন এটা অমূলক। তাঁর সঙ্গীয় ব্যর্থ বাগাড়ম্বরকারী উজবুক কমিশনভোগী নেতারা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার অপকৌশলের আশ্রয় নিয়ে সিন্ডিকেট প্রধান কাদের সাহেবের মুখ দিয়ে তা প্রকাশ করেছেন। কাদের সাহেব এবং তার সঙ্গিরা নিজেদের পদ হারানোর ভয় পেয়েছেন বলে নেত্রীকে ভয় দেখাচ্ছেন।
কাদের সাহেব একটা কথা সত্য বলেছেন। “অবজেক্টিভ কন্ডিশন” (জনসমর্থন) যতই পক্ষে থাকুক, যদি “সাবজেক্টিভ প্রিপারেশন” (সাংগঠনিক প্রস্তুতি) না থাকে তবে আন্দোলন কিংবা বিপ্লব সফল হয় না। এ কথা সঠিক। তাই সাংগঠনিক প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।
আর সেটা নেত্রী নিচ্ছেন বলেই জনাব ওবায়দুল কাদের নেত্রীকে কোনো কোনো মেধাবী এবং তুলনামূলক তরুণ, ইংরেজি বাংলায় দুর্দান্ত স্মার্ট বাগ্মী, প্রজ্ঞাবান বিশ্লেষক নেতাদের প্রতি ভয় পেয়ে নেত্রীকে সতর্ক করছেন, যেন এদেরকে সংগঠনে নানক রহমান, হানিফ, নাসিম, হাসান, আযম, আহাম্মদ, কামাল, স্বপন, গোলাপ,আফজাল, নাদেল,অসীমসহ আরো কতিপয়ের স্থলে দায়িত্ব দিয়ে বসিয়ে না দেন।
কিন্তু কাদের সাহেবের ভাষণে মনে হচ্ছে নেত্রী সংগঠনকে পুনর্গঠন করবেন। নতুন রক্ত সঞ্চালন করবেনই। আর এটা কোটি কোটি মুজিব প্রেমিকের চাওয়া।  ahmad sir