, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে জামিনের জন্য কোটি টাকা ঘুষের অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • ১২৭ পড়া হয়েছে

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে জামিনের জন্য কোটি টাকা ঘুষের অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়টি সুরাহা না হওয়া এবং তদন্ত প্রতিবেদন না দেওয়া পর্যন্ত ট্রাইবুনালের সামগ্রিক বিচার কার্যক্রম বন্ধ রাখা এবং অবিলম্বে রাজবন্দিদের জামিনে মুক্তি দেওয়া উচিত।
একজন আইনজীবী হিসেবে আমার সুস্পষ্ট অভিমত হলো এমনিতেই এই ট্রাইবুনাল ১৯৭১ সালে সংঘটিত অপরাধের বিচার ছাড়া অন্য কোন অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার রাখে না। একমাত্র আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ সালের সময়ে সংঘটিত অপরাধের বিচার করার জন্য ১৯৭৩ সালে পাশ কৃত আইনে এই ট্রাইবুনাল গঠিত। এর বাহিরে অন্য কিছু হলে সেটা ‘নাল এন্ড ভয়েড’।
কেন তিন মাসেও প্রতিবেদন দিলো না? কেন এসব গুরুতর অভিযোগের সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্ত না করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ না নিয়ে এখনও পর্যন্ত বিচার কার্য অব্যাহত রেখেছে মাননীয় ট্রাইবুনাল? কেন নিরপরাধ দেশের নাগরিকদের জামিন দিচ্ছে না ট্রাইবুনাল? বছরের পর বছর কেন বিনা বিচারে আটক রাখছে অসুস্থ নিরীহ দেশের সিনিয়র সিটিজেনদের?
এসব প্রশ্নের উত্তর জাতি কোন সময়ে ঠিকই খোঁজে নিবে। সেই সময়টি জাস্ট নকিং।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে জামিনের জন্য কোটি টাকা ঘুষের অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে জামিনের জন্য কোটি টাকা ঘুষের অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়টি সুরাহা না হওয়া এবং তদন্ত প্রতিবেদন না দেওয়া পর্যন্ত ট্রাইবুনালের সামগ্রিক বিচার কার্যক্রম বন্ধ রাখা এবং অবিলম্বে রাজবন্দিদের জামিনে মুক্তি দেওয়া উচিত।
একজন আইনজীবী হিসেবে আমার সুস্পষ্ট অভিমত হলো এমনিতেই এই ট্রাইবুনাল ১৯৭১ সালে সংঘটিত অপরাধের বিচার ছাড়া অন্য কোন অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার রাখে না। একমাত্র আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ সালের সময়ে সংঘটিত অপরাধের বিচার করার জন্য ১৯৭৩ সালে পাশ কৃত আইনে এই ট্রাইবুনাল গঠিত। এর বাহিরে অন্য কিছু হলে সেটা ‘নাল এন্ড ভয়েড’।
কেন তিন মাসেও প্রতিবেদন দিলো না? কেন এসব গুরুতর অভিযোগের সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্ত না করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ না নিয়ে এখনও পর্যন্ত বিচার কার্য অব্যাহত রেখেছে মাননীয় ট্রাইবুনাল? কেন নিরপরাধ দেশের নাগরিকদের জামিন দিচ্ছে না ট্রাইবুনাল? বছরের পর বছর কেন বিনা বিচারে আটক রাখছে অসুস্থ নিরীহ দেশের সিনিয়র সিটিজেনদের?
এসব প্রশ্নের উত্তর জাতি কোন সময়ে ঠিকই খোঁজে নিবে। সেই সময়টি জাস্ট নকিং।