
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে জামিনের জন্য কোটি টাকা ঘুষের অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়টি সুরাহা না হওয়া এবং তদন্ত প্রতিবেদন না দেওয়া পর্যন্ত ট্রাইবুনালের সামগ্রিক বিচার কার্যক্রম বন্ধ রাখা এবং অবিলম্বে রাজবন্দিদের জামিনে মুক্তি দেওয়া উচিত।
একজন আইনজীবী হিসেবে আমার সুস্পষ্ট অভিমত হলো এমনিতেই এই ট্রাইবুনাল ১৯৭১ সালে সংঘটিত অপরাধের বিচার ছাড়া অন্য কোন অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার রাখে না। একমাত্র আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ সালের সময়ে সংঘটিত অপরাধের বিচার করার জন্য ১৯৭৩ সালে পাশ কৃত আইনে এই ট্রাইবুনাল গঠিত। এর বাহিরে অন্য কিছু হলে সেটা ‘নাল এন্ড ভয়েড’।
কেন তিন মাসেও প্রতিবেদন দিলো না? কেন এসব গুরুতর অভিযোগের সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্ত না করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ না নিয়ে এখনও পর্যন্ত বিচার কার্য অব্যাহত রেখেছে মাননীয় ট্রাইবুনাল? কেন নিরপরাধ দেশের নাগরিকদের জামিন দিচ্ছে না ট্রাইবুনাল? বছরের পর বছর কেন বিনা বিচারে আটক রাখছে অসুস্থ নিরীহ দেশের সিনিয়র সিটিজেনদের?
এসব প্রশ্নের উত্তর জাতি কোন সময়ে ঠিকই খোঁজে নিবে। সেই সময়টি জাস্ট নকিং।





















