
এমপি হলে বন্দরও পাওয়া যায়। জানতেন?
আওয়ামী আমলে বন্দরখেকোরা ছিল আ জ ম নাছির, সামশুল হক আর লতিফদের ছায়ায়। হাসিনার প্রটোকল অফিসারের আশীর্বাদে চলত বিএনপি এমপি সেলিমের ‘এভারেস্ট’। আর তরফদারের সাইফ পাওয়ারটেক? শর্ত না মেনেই গেজেটে নাম উঠিয়ে ১৮ বছর একচেটিয়া খেয়ে গেছে বন্দর।
এখন সরকার বিএনপির। আওয়ামী আমলের ‘বন্দরখেকো’ এখন ‘দেশপ্রেমিক বিনিয়োগকারী’। দুবাইয়ের ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে সরকার-টু-সরকার চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার মুহূর্তে তরফদারের নেতৃত্বে মাঠে নামল বিএনপির দুই এমপির প্রতিষ্ঠান। সঙ্গে হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজানের ছেলে, সামনে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে শূন্য অভিজ্ঞতার একটি কোম্পানি।
সরকারের লোক হয়ে সরকারের সঙ্গে ব্যবসা। আরপিও বলছে বেআইনি। সব জেনেও গণমাধ্যমগুলো চুপ মেরে বসে আছে।
একটা বন্দর। একটা দেশের শ্বাস-প্রশ্বাস। বন্দর কারও বাপের সম্পত্তি নয়।
চুপ থাকলেও দামটা আপনার পকেট থেকেই উঠবে।





















