, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

·এরা ইসলাম, মুসলিম, দেশ ও জাতির জন্য ভয়ঙ্কর অভিশাপ

  • প্রকাশের সময় : ১০:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • ৩৬ পড়া হয়েছে

সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দিন সমর্থক ·
·এরা ইসলাম, মুসলিম, দেশ ও জাতির জন্য ভয়ঙ্কর অভিশাপ। কারণ…
আল্লাহর রাসূলের উপরে নাজিলকৃত রাসূলের রেখে যাওয়া ইসলামের আসল বিধান পবিত্র কুরআনের বাণী জাতির মাতৃভাষায় বুঝিয়ে প্রচার করতে সবচেয়ে বড়ো বাঁধা কুরআনের আয়াত গোপনকারী প্রতিষ্ঠান মাদ্রাসা সমূহ থেকে ডেলিভারি দেওয়া কর্মহীন ভন্ড ধর্ম ব্যবসায়ী ধর্মজীবি পীর, বক্তা হুজুর, মোল্লা মৌলবী সম্প্রদায়। কারণ…
মাদ্রাসা সমূহে কুরআন মাতৃভাষায় শব্দ অর্থ শহ বুঝিয়ে শিক্ষা না দিয়ে, অর্থাৎ কুরআনের বাণী গোপন করে, মানব রচিত বুখারী, মুসলিম, তিরমিজি ইত্যাদি নকল হাদিস, ফতোয়া মাতৃভাষায় বুঝিয়ে শিক্ষা দেয়। যার কারণে আল্লাহর রাসূলের আসল হাদিস কুরআন গোপন থাকে। প্রমাণঃ
[ —- আমি (রাসূল) তো শুধু সেই হুকুমই মেনে চলছি, যা আমার কাছে কুরআনের মাধ্যমে ওহী যোগে পৌঁছে থাকে। সূরা নং-০৬, আয়াত -৫০, আল কুরআন। —- নিশ্চয়ই এই কুরআন হচ্ছে সন্মানীত রাসূলের মুখের বাণী। রাব্বুল আল-আমিনের নিকট থেকে নাজিল করা। সূরা নং -৬৯, আয়াত – ৪০/৪৩, আল কুরআন ] তো..
উক্ত আয়াত সমূহ থেকে প্রমাণিত হলো যে, মহান আল্লাহর নাজিল করা বিধান সমূহ হচ্ছে রাসূলের আসল হাদিস। অর্থাৎ কুরআন। কিন্তু…
এ সব কুরআনের আয়াত মাতৃভাষায় বুঝিয়ে ধর্মের লেবাসধারী ভন্ড ধর্ম ব্যবসায়ীদের মুখোশ খুলে দিতে চাইলে, আয়াত গোপনকারী ভন্ড ধর্ম ব্যবসায়ীরা তাদের অন্ধ অনুসারীদের জড়ো করে হুংকার ছেড়ে হুমকি ধুমকি দেয়, দলিল ছাড়া কাফির নাস্তিক ফতোয়া দেয়, ইহুদি খ্রিস্টানদের দালাল উপাধি দেয় ইত্যাদি ইত্যাদি। অথচ…
এই কর্মহীন ভন্ড ধর্মজীবি মোল্লা সম্প্রদায় দেশে লাখ লাখ মাদ্রাসা খুলে কোটি কোটি শিক্ষার্থীদের দুনিয়া ও চিরস্থায়ী আখিরাতের জীবন ধ্বংস করে দিচ্ছে, কর্মমুখী জেনারেল শিক্ষা না-দিয়ে এবং কুরআন মাতৃভাষায় শব্দ অর্থ শহ বুঝিয়ে শিক্ষা না-দিয়ে। যার কারণে…
কোটি কোটি বেকার সুস্থ সবল (কর্মযোগ্য) কর্মহীন ধর্মজীবি মোল্লারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে মানব রচিত নকল হাদিস ফতোয়া বিক্রি করে কর্ম না করে, দান, খয়রাত ও যাকাতের টাকা হাতিয়ে নিয়ে হারাম খাচ্ছে। ফলে…
কুরআন মতে প্রাপ্য এতিম মিসকিন,অভাবী আত্মীয় স্বজন, ঋণগ্রস্ত, ঘরবাড়িহীন অসহায় নিরুপায় মানুষেরা দান, খয়রাত ও যাকাতের টাকা থেকে বঞ্চিত হয়ে ধুঁকে ধুঁকে মরছে।
সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দিন সমর্থক ·
Golam Mahbub
Syed Shah Noor সালাম, গোমরাহীর পথে আপনি হাটছেন। বিধানদাতা একমাত্র আল্লাহতালা। রাসুলকে মান্য করা মানে — রাসুলের মাধ্যমে যে কিতাব নাযিল হয়েছে ( কোরআন) তার অনুসরন করা, বোখারী, মুসলিম, তিরমিজি ইত্যাদি অনুসরন নয়। কোরআনের আয়াতকে ” আহসানুল হাদীস ” বা উওম হাদীস বলা হয়েছে( সুরা যুমারঃ২৩)। রাসুলের কোন হাদীস নেই, এগুলো রাসুলের নামে বানানো ও মিথ্যা, আর এসমস্ত মানব রচিত হাদীসকে বলে লাহুয়াল হাদীস যা মানতে আল্লাহতালা নিষেধ করেছেন( সুরা লোকমানঃ ৬, সুরা জাসিয়াহঃ ৬, সুরা মুরসালাতঃ ৫০, আরও অনেক আয়াত আছে)। আল্লাহর বিধান ও রাসুলের বিধান যদি দু’ রকম হয়ে তবে “ইলাহ” হবে দু’জন অর্থাৎ শিরক। মোহাম্মদ সঃ এর মাধ্যমে কোরআন নাযিল হওয়ার কারনে মোহাম্মদ সঃ রাসুল। কোরআন নবী মোহাম্মদসঃ ও সমগ্র মানব জাতীকে মানতে হবে, এ কোরআনের মাধ্যমে আল্লাহর বানী প্রচার করতে হবে( সুরা আনআমঃ ১৯), অন্য কোন আউলিয়ার অনুসরন করা যাবে না( সুরা আরাফঃ৩) । রাসুল কোরআনের বাইরে কোন কথা আল্লাহর নামে চালাতে পারবে না, চালালে কি হবে সে ব্যাপারে নবীকে হুশিয়ার করে দেওয়া হয়েছ (সুরা হাক্কাহঃ ৪৪-৪৮)। এ মহা গ্রন্থই একমাত্র গ্রন্থ যাতে কোন সন্দেহ নেই ( সুরা বাকারাহঃ ০২)। অথচ পৃথিবীর সব গ্রন্থের মধ্যে সন্দেহ আছে( সহী, জাল, জয়ীফ, হাসান,ইত্যাদি) , বিতর্ক আছে। সুতরাং কোরআন জীবনে একবারের জন্য হলেও প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত অর্থ সহ নিজ মাতৃভাষায় পড়ার চেষ্টা করুন, সত্য জানতে পারবেন। এ কোরআনকে” ফুরকান ” বলা হয়েছে অর্থাৎ সত্য মিথ্যার যাচাইকারী। আমি /আপনি / হুজুর/ মোল্লা কি বলে বলে / বলি —- তা যাচাই করবেন এ কোরআন দিয়ে। এ কোরআন সম্মন্ধে প্রস্ন করা হবে ( সুরা যুখরুফঃ৪৪) । এ কোরআন না মানার কারনে নবী আপনার / আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করবেন ( সুরা ফুরকানঃ৩০) । ভাল থাকবেন, আল্লাহতালা আমাদের সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুন।
সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দিন সমর্থক ·
3d
Reply

Golam Mahbub

Syed Shah Noor সালাম, গোমরাহীর পথে আপনি হাটছেন। বিধানদাতা একমাত্র আল্লাহতালা। রাসুলকে মান্য করা মানে — রাসুলের মাধ্যমে যে কিতাব নাযিল হয়েছে ( কোরআন) তার অনুসরন করা, বোখারী, মুসলিম, তিরমিজি ইত্যাদি অনুসরন নয়। কোরআনের আয়াতকে ” আহসানুল হাদীস ” বা উওম হাদীস বলা হয়েছে( সুরা যুমারঃ২৩)। রাসুলের কোন হাদীস নেই, এগুলো রাসুলের নামে বানানো ও মিথ্যা, আর এসমস্ত মানব রচিত হাদীসকে বলে লাহুয়াল হাদীস যা মানতে আল্লাহতালা নিষেধ করেছেন( সুরা লোকমানঃ ৬, সুরা জাসিয়াহঃ ৬, সুরা মুরসালাতঃ ৫০, আরও অনেক আয়াত আছে)। আল্লাহর বিধান ও রাসুলের বিধান যদি দু’ রকম হয়ে তবে “ইলাহ” হবে দু’জন অর্থাৎ শিরক। মোহাম্মদ সঃ এর মাধ্যমে কোরআন নাযিল হওয়ার কারনে মোহাম্মদ সঃ রাসুল। কোরআন নবী মোহাম্মদসঃ ও সমগ্র মানব জাতীকে মানতে হবে, এ কোরআনের মাধ্যমে আল্লাহর বানী প্রচার করতে হবে( সুরা আনআমঃ ১৯), অন্য কোন আউলিয়ার অনুসরন করা যাবে না( সুরা আরাফঃ৩) । রাসুল কোরআনের বাইরে কোন কথা আল্লাহর নামে চালাতে পারবে না, চালালে কি হবে সে ব্যাপারে নবীকে হুশিয়ার করে দেওয়া হয়েছ (সুরা হাক্কাহঃ ৪৪-৪৮)। এ মহা গ্রন্থই একমাত্র গ্রন্থ যাতে কোন সন্দেহ নেই ( সুরা বাকারাহঃ ০২)। অথচ পৃথিবীর সব গ্রন্থের মধ্যে সন্দেহ আছে( সহী, জাল, জয়ীফ, হাসান,ইত্যাদি) , বিতর্ক আছে। সুতরাং কোরআন জীবনে একবারের জন্য হলেও প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত অর্থ সহ নিজ মাতৃভাষায় পড়ার চেষ্টা করুন, সত্য জানতে পারবেন। এ কোরআনকে” ফুরকান ” বলা হয়েছে অর্থাৎ সত্য মিথ্যার যাচাইকারী। আমি /আপনি / হুজুর/ মোল্লা কি বলে বলে / বলি —- তা যাচাই করবেন এ কোরআন দিয়ে। এ কোরআন সম্মন্ধে প্রস্ন করা হবে ( সুরা যুখরুফঃ৪৪) । এ কোরআন না মানার কারনে নবী আপনার / আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করবেন ( সুরা ফুরকানঃ৩০) । ভাল থাকবেন, আল্লাহতালা আমাদের সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুন।
  • Share

Share

জনপ্রিয়

·এরা ইসলাম, মুসলিম, দেশ ও জাতির জন্য ভয়ঙ্কর অভিশাপ

প্রকাশের সময় : ১০:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দিন সমর্থক ·
·এরা ইসলাম, মুসলিম, দেশ ও জাতির জন্য ভয়ঙ্কর অভিশাপ। কারণ…
আল্লাহর রাসূলের উপরে নাজিলকৃত রাসূলের রেখে যাওয়া ইসলামের আসল বিধান পবিত্র কুরআনের বাণী জাতির মাতৃভাষায় বুঝিয়ে প্রচার করতে সবচেয়ে বড়ো বাঁধা কুরআনের আয়াত গোপনকারী প্রতিষ্ঠান মাদ্রাসা সমূহ থেকে ডেলিভারি দেওয়া কর্মহীন ভন্ড ধর্ম ব্যবসায়ী ধর্মজীবি পীর, বক্তা হুজুর, মোল্লা মৌলবী সম্প্রদায়। কারণ…
মাদ্রাসা সমূহে কুরআন মাতৃভাষায় শব্দ অর্থ শহ বুঝিয়ে শিক্ষা না দিয়ে, অর্থাৎ কুরআনের বাণী গোপন করে, মানব রচিত বুখারী, মুসলিম, তিরমিজি ইত্যাদি নকল হাদিস, ফতোয়া মাতৃভাষায় বুঝিয়ে শিক্ষা দেয়। যার কারণে আল্লাহর রাসূলের আসল হাদিস কুরআন গোপন থাকে। প্রমাণঃ
[ —- আমি (রাসূল) তো শুধু সেই হুকুমই মেনে চলছি, যা আমার কাছে কুরআনের মাধ্যমে ওহী যোগে পৌঁছে থাকে। সূরা নং-০৬, আয়াত -৫০, আল কুরআন। —- নিশ্চয়ই এই কুরআন হচ্ছে সন্মানীত রাসূলের মুখের বাণী। রাব্বুল আল-আমিনের নিকট থেকে নাজিল করা। সূরা নং -৬৯, আয়াত – ৪০/৪৩, আল কুরআন ] তো..
উক্ত আয়াত সমূহ থেকে প্রমাণিত হলো যে, মহান আল্লাহর নাজিল করা বিধান সমূহ হচ্ছে রাসূলের আসল হাদিস। অর্থাৎ কুরআন। কিন্তু…
এ সব কুরআনের আয়াত মাতৃভাষায় বুঝিয়ে ধর্মের লেবাসধারী ভন্ড ধর্ম ব্যবসায়ীদের মুখোশ খুলে দিতে চাইলে, আয়াত গোপনকারী ভন্ড ধর্ম ব্যবসায়ীরা তাদের অন্ধ অনুসারীদের জড়ো করে হুংকার ছেড়ে হুমকি ধুমকি দেয়, দলিল ছাড়া কাফির নাস্তিক ফতোয়া দেয়, ইহুদি খ্রিস্টানদের দালাল উপাধি দেয় ইত্যাদি ইত্যাদি। অথচ…
এই কর্মহীন ভন্ড ধর্মজীবি মোল্লা সম্প্রদায় দেশে লাখ লাখ মাদ্রাসা খুলে কোটি কোটি শিক্ষার্থীদের দুনিয়া ও চিরস্থায়ী আখিরাতের জীবন ধ্বংস করে দিচ্ছে, কর্মমুখী জেনারেল শিক্ষা না-দিয়ে এবং কুরআন মাতৃভাষায় শব্দ অর্থ শহ বুঝিয়ে শিক্ষা না-দিয়ে। যার কারণে…
কোটি কোটি বেকার সুস্থ সবল (কর্মযোগ্য) কর্মহীন ধর্মজীবি মোল্লারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে মানব রচিত নকল হাদিস ফতোয়া বিক্রি করে কর্ম না করে, দান, খয়রাত ও যাকাতের টাকা হাতিয়ে নিয়ে হারাম খাচ্ছে। ফলে…
কুরআন মতে প্রাপ্য এতিম মিসকিন,অভাবী আত্মীয় স্বজন, ঋণগ্রস্ত, ঘরবাড়িহীন অসহায় নিরুপায় মানুষেরা দান, খয়রাত ও যাকাতের টাকা থেকে বঞ্চিত হয়ে ধুঁকে ধুঁকে মরছে।
সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দিন সমর্থক ·
Golam Mahbub
Syed Shah Noor সালাম, গোমরাহীর পথে আপনি হাটছেন। বিধানদাতা একমাত্র আল্লাহতালা। রাসুলকে মান্য করা মানে — রাসুলের মাধ্যমে যে কিতাব নাযিল হয়েছে ( কোরআন) তার অনুসরন করা, বোখারী, মুসলিম, তিরমিজি ইত্যাদি অনুসরন নয়। কোরআনের আয়াতকে ” আহসানুল হাদীস ” বা উওম হাদীস বলা হয়েছে( সুরা যুমারঃ২৩)। রাসুলের কোন হাদীস নেই, এগুলো রাসুলের নামে বানানো ও মিথ্যা, আর এসমস্ত মানব রচিত হাদীসকে বলে লাহুয়াল হাদীস যা মানতে আল্লাহতালা নিষেধ করেছেন( সুরা লোকমানঃ ৬, সুরা জাসিয়াহঃ ৬, সুরা মুরসালাতঃ ৫০, আরও অনেক আয়াত আছে)। আল্লাহর বিধান ও রাসুলের বিধান যদি দু’ রকম হয়ে তবে “ইলাহ” হবে দু’জন অর্থাৎ শিরক। মোহাম্মদ সঃ এর মাধ্যমে কোরআন নাযিল হওয়ার কারনে মোহাম্মদ সঃ রাসুল। কোরআন নবী মোহাম্মদসঃ ও সমগ্র মানব জাতীকে মানতে হবে, এ কোরআনের মাধ্যমে আল্লাহর বানী প্রচার করতে হবে( সুরা আনআমঃ ১৯), অন্য কোন আউলিয়ার অনুসরন করা যাবে না( সুরা আরাফঃ৩) । রাসুল কোরআনের বাইরে কোন কথা আল্লাহর নামে চালাতে পারবে না, চালালে কি হবে সে ব্যাপারে নবীকে হুশিয়ার করে দেওয়া হয়েছ (সুরা হাক্কাহঃ ৪৪-৪৮)। এ মহা গ্রন্থই একমাত্র গ্রন্থ যাতে কোন সন্দেহ নেই ( সুরা বাকারাহঃ ০২)। অথচ পৃথিবীর সব গ্রন্থের মধ্যে সন্দেহ আছে( সহী, জাল, জয়ীফ, হাসান,ইত্যাদি) , বিতর্ক আছে। সুতরাং কোরআন জীবনে একবারের জন্য হলেও প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত অর্থ সহ নিজ মাতৃভাষায় পড়ার চেষ্টা করুন, সত্য জানতে পারবেন। এ কোরআনকে” ফুরকান ” বলা হয়েছে অর্থাৎ সত্য মিথ্যার যাচাইকারী। আমি /আপনি / হুজুর/ মোল্লা কি বলে বলে / বলি —- তা যাচাই করবেন এ কোরআন দিয়ে। এ কোরআন সম্মন্ধে প্রস্ন করা হবে ( সুরা যুখরুফঃ৪৪) । এ কোরআন না মানার কারনে নবী আপনার / আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করবেন ( সুরা ফুরকানঃ৩০) । ভাল থাকবেন, আল্লাহতালা আমাদের সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুন।
সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দিন সমর্থক ·
3d
Reply

Golam Mahbub

Syed Shah Noor সালাম, গোমরাহীর পথে আপনি হাটছেন। বিধানদাতা একমাত্র আল্লাহতালা। রাসুলকে মান্য করা মানে — রাসুলের মাধ্যমে যে কিতাব নাযিল হয়েছে ( কোরআন) তার অনুসরন করা, বোখারী, মুসলিম, তিরমিজি ইত্যাদি অনুসরন নয়। কোরআনের আয়াতকে ” আহসানুল হাদীস ” বা উওম হাদীস বলা হয়েছে( সুরা যুমারঃ২৩)। রাসুলের কোন হাদীস নেই, এগুলো রাসুলের নামে বানানো ও মিথ্যা, আর এসমস্ত মানব রচিত হাদীসকে বলে লাহুয়াল হাদীস যা মানতে আল্লাহতালা নিষেধ করেছেন( সুরা লোকমানঃ ৬, সুরা জাসিয়াহঃ ৬, সুরা মুরসালাতঃ ৫০, আরও অনেক আয়াত আছে)। আল্লাহর বিধান ও রাসুলের বিধান যদি দু’ রকম হয়ে তবে “ইলাহ” হবে দু’জন অর্থাৎ শিরক। মোহাম্মদ সঃ এর মাধ্যমে কোরআন নাযিল হওয়ার কারনে মোহাম্মদ সঃ রাসুল। কোরআন নবী মোহাম্মদসঃ ও সমগ্র মানব জাতীকে মানতে হবে, এ কোরআনের মাধ্যমে আল্লাহর বানী প্রচার করতে হবে( সুরা আনআমঃ ১৯), অন্য কোন আউলিয়ার অনুসরন করা যাবে না( সুরা আরাফঃ৩) । রাসুল কোরআনের বাইরে কোন কথা আল্লাহর নামে চালাতে পারবে না, চালালে কি হবে সে ব্যাপারে নবীকে হুশিয়ার করে দেওয়া হয়েছ (সুরা হাক্কাহঃ ৪৪-৪৮)। এ মহা গ্রন্থই একমাত্র গ্রন্থ যাতে কোন সন্দেহ নেই ( সুরা বাকারাহঃ ০২)। অথচ পৃথিবীর সব গ্রন্থের মধ্যে সন্দেহ আছে( সহী, জাল, জয়ীফ, হাসান,ইত্যাদি) , বিতর্ক আছে। সুতরাং কোরআন জীবনে একবারের জন্য হলেও প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত অর্থ সহ নিজ মাতৃভাষায় পড়ার চেষ্টা করুন, সত্য জানতে পারবেন। এ কোরআনকে” ফুরকান ” বলা হয়েছে অর্থাৎ সত্য মিথ্যার যাচাইকারী। আমি /আপনি / হুজুর/ মোল্লা কি বলে বলে / বলি —- তা যাচাই করবেন এ কোরআন দিয়ে। এ কোরআন সম্মন্ধে প্রস্ন করা হবে ( সুরা যুখরুফঃ৪৪) । এ কোরআন না মানার কারনে নবী আপনার / আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করবেন ( সুরা ফুরকানঃ৩০) । ভাল থাকবেন, আল্লাহতালা আমাদের সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুন।
  • Share

Share