, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিবি হেফাজতে ছাত্রলীগকর্মীর মৃত্যু :পরিবারের দাবি নির্যাতন

  • প্রকাশের সময় : ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • ২১ পড়া হয়েছে

অনলাইন ফরিদপুর ২১ জুন, ২০২৬

ফরিদপুরের মধুখালীতে মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ (২৮) ওরফে প্রান্ত নামের এক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকর্মীকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তারের পর তার মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২১ জুন) সকালে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের পরিবারের দাবি, ডিবি পুলিশ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে তাকে মারধর করেছে। অন্যদিকে পুলিশ বলছে, মাদকসহ আটকের পর হেফাজতে থাকা অবস্থায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পরে ব্রেইন স্ট্রোকজনিত কারণে মারা যান। এ ঘটনায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।নিহতের মামা মো. সাখাওয়াত হোসেন অভিযোগ করেন, শনিবার (২০ জুন) বিকেল ৬টার দিকে বাড়ির সামনে থেকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে আসা একদল সদস্য প্রান্তকে আটক করে নিয়ে যান। তারা তাকে আটকের সময় মারধর করেন এবং পরে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন জিনিসপত্র তছনছ করেন।

প্রান্তের মা খাদিজা আক্তার বলেন, ‘আমার ছেলেকে আটকের সময় শরীর তল্লাশি করে কোনো মাদক পাওয়া যায়নি। বাড়ির প্রতিটি কক্ষ তল্লাশি করেও কিছু উদ্ধার করা হয়নি। অথচ পরে শুনলাম গাঁজা উদ্ধারের কথা বলা হচ্ছে। আমার সুস্থ ছেলেকে ধরে নিয়ে গিয়ে কিভাবে মৃত্যু হলো, তার সঠিক তদন্ত চাই।

জনপ্রিয়

ডিবি হেফাজতে ছাত্রলীগকর্মীর মৃত্যু :পরিবারের দাবি নির্যাতন

প্রকাশের সময় : ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

অনলাইন ফরিদপুর ২১ জুন, ২০২৬

ফরিদপুরের মধুখালীতে মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ (২৮) ওরফে প্রান্ত নামের এক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকর্মীকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তারের পর তার মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২১ জুন) সকালে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের পরিবারের দাবি, ডিবি পুলিশ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে তাকে মারধর করেছে। অন্যদিকে পুলিশ বলছে, মাদকসহ আটকের পর হেফাজতে থাকা অবস্থায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পরে ব্রেইন স্ট্রোকজনিত কারণে মারা যান। এ ঘটনায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।নিহতের মামা মো. সাখাওয়াত হোসেন অভিযোগ করেন, শনিবার (২০ জুন) বিকেল ৬টার দিকে বাড়ির সামনে থেকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে আসা একদল সদস্য প্রান্তকে আটক করে নিয়ে যান। তারা তাকে আটকের সময় মারধর করেন এবং পরে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন জিনিসপত্র তছনছ করেন।

প্রান্তের মা খাদিজা আক্তার বলেন, ‘আমার ছেলেকে আটকের সময় শরীর তল্লাশি করে কোনো মাদক পাওয়া যায়নি। বাড়ির প্রতিটি কক্ষ তল্লাশি করেও কিছু উদ্ধার করা হয়নি। অথচ পরে শুনলাম গাঁজা উদ্ধারের কথা বলা হচ্ছে। আমার সুস্থ ছেলেকে ধরে নিয়ে গিয়ে কিভাবে মৃত্যু হলো, তার সঠিক তদন্ত চাই।