, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফাটল ধরতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটে

  • প্রকাশের সময় : ০৭:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • ২১ পড়া হয়েছে
 প্রকাশ: ১৯:১৫, রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
  • google_news

আল-জাজিরার বিশ্লেষণ

 অনলাইন
দক্ষিণ লেবাননে চলমান ইসরায়েলি হামলাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল জোটে ফাটল ধরতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যার ফলে ইরানের সামনে ‘বড় সুযোগ’ দেখছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ভল্ফগ্যাং পুস্তাই। তার মতে, তেহরান কৌশলগতভাবে লেবাননের পরিস্থিতিকে ব্যবহার করে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে।

আল জাজিরাকে দেওয়া এক বিশ্লেষণধর্মী সাক্ষাৎকারে পুস্তাই বলেন, ইরান মূলত ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ব্যবধান আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করছে। তার ভাষায়, বিষয়টি শুধু দুই রাষ্ট্রের সম্পর্ক নয়; বরং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের মধ্যকার মতপার্থক্যও এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন, ইরান অবশ্যই দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধ করতে চায়। তবে তেহরান, বৈরুত, হিজবুল্লাহ, ইসরায়েল এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প— সবাই জানেন, বাস্তবে এটি খুব সহজ বা সম্ভাব্য কোনো লক্ষ্য নয়। কারণ ইসরায়েলের ওপর হামলা হলে তারা পাল্টা জবাব দেবে।

পুস্তাইয়ের মতে, আপাতত ইসরায়েল এমন অবস্থান নেবে যাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। তবে প্রয়োজন দেখা দিলে তারা পাল্টা ব্যবস্থা নিতেও পিছপা হবে না।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিকে তেহরান একটি বড় কৌশলগত সুযোগ হিসেবে দেখছে। ইরানের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের মধ্যকার জোটে বিভাজন সৃষ্টি করা। বর্তমানে তারা বিশেষভাবে সেই লক্ষ্য অর্জনের দিকেই মনোযোগ দিচ্ছে।

 

জনপ্রিয়

ফাটল ধরতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটে

প্রকাশের সময় : ০৭:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
 প্রকাশ: ১৯:১৫, রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
  • google_news

আল-জাজিরার বিশ্লেষণ

 অনলাইন
দক্ষিণ লেবাননে চলমান ইসরায়েলি হামলাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল জোটে ফাটল ধরতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যার ফলে ইরানের সামনে ‘বড় সুযোগ’ দেখছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ভল্ফগ্যাং পুস্তাই। তার মতে, তেহরান কৌশলগতভাবে লেবাননের পরিস্থিতিকে ব্যবহার করে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে।

আল জাজিরাকে দেওয়া এক বিশ্লেষণধর্মী সাক্ষাৎকারে পুস্তাই বলেন, ইরান মূলত ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ব্যবধান আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করছে। তার ভাষায়, বিষয়টি শুধু দুই রাষ্ট্রের সম্পর্ক নয়; বরং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের মধ্যকার মতপার্থক্যও এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন, ইরান অবশ্যই দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধ করতে চায়। তবে তেহরান, বৈরুত, হিজবুল্লাহ, ইসরায়েল এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প— সবাই জানেন, বাস্তবে এটি খুব সহজ বা সম্ভাব্য কোনো লক্ষ্য নয়। কারণ ইসরায়েলের ওপর হামলা হলে তারা পাল্টা জবাব দেবে।

পুস্তাইয়ের মতে, আপাতত ইসরায়েল এমন অবস্থান নেবে যাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। তবে প্রয়োজন দেখা দিলে তারা পাল্টা ব্যবস্থা নিতেও পিছপা হবে না।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিকে তেহরান একটি বড় কৌশলগত সুযোগ হিসেবে দেখছে। ইরানের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের মধ্যকার জোটে বিভাজন সৃষ্টি করা। বর্তমানে তারা বিশেষভাবে সেই লক্ষ্য অর্জনের দিকেই মনোযোগ দিচ্ছে।