, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে হেনস্তার ব্যাখ্যা দিল ভারত

  • প্রকাশের সময় : ০৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • ৭২ পড়া হয়েছে

অনলাইন[  ২৩ জুন ২০২৬

সম্প্রতি একটি সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লিতে যান জাহেদ উর রহমান। সেখানে তাকে ইমিগ্রেশনের বাধার মুখে পড়তে হয়। দীর্ঘ সময় দিল্লি বিমানবন্দরে বসে থাকার পর শেষ পর্যন্ত তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন। এ ঘটনার পরই তৈরি হয় সমালোচনা। ভারতীয় দূতকে ডেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানায় ঢাকা।

এই ঘটনায় বিতর্ক তৈরি হয়। অবশেষে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টিতে তাদের বক্তব্য স্পষ্ট করেছে।

রণধীর জয়সোয়াল জানান, জাহেদ উর রহমান তার ব্যক্তিগত বেসরকারি পাসপোর্ট নিয়ে দিল্লিতে এসেছিলেন এবং তার সার্ক ভিসা ছিল। ইমিগ্রেশনে জিজ্ঞাসাবাদের পর যখন জানা যায় তিনি একটি সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছেন, তখন তাকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে হেনস্তার ব্যাখ্যা দিল ভারত

প্রকাশের সময় : ০৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

অনলাইন[  ২৩ জুন ২০২৬

সম্প্রতি একটি সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লিতে যান জাহেদ উর রহমান। সেখানে তাকে ইমিগ্রেশনের বাধার মুখে পড়তে হয়। দীর্ঘ সময় দিল্লি বিমানবন্দরে বসে থাকার পর শেষ পর্যন্ত তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন। এ ঘটনার পরই তৈরি হয় সমালোচনা। ভারতীয় দূতকে ডেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানায় ঢাকা।

এই ঘটনায় বিতর্ক তৈরি হয়। অবশেষে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টিতে তাদের বক্তব্য স্পষ্ট করেছে।

রণধীর জয়সোয়াল জানান, জাহেদ উর রহমান তার ব্যক্তিগত বেসরকারি পাসপোর্ট নিয়ে দিল্লিতে এসেছিলেন এবং তার সার্ক ভিসা ছিল। ইমিগ্রেশনে জিজ্ঞাসাবাদের পর যখন জানা যায় তিনি একটি সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছেন, তখন তাকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।