, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চলতিঅর্থবছর ১১ মাস: ভারত, জাপান ও রাশিয়ার ঋণের অর্থপাওয়া যায়নি।

  • প্রকাশের সময় : ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • ২৯ পড়া হয়েছে

অনলাইন ২৩ জুন ২০২৬,

বড় দাতাদের কাছ থেকে ঋণসহায়তার প্রতিশ্রুতি মিলছে না। চলতি অর্থবছরের ১১ মাস (জুলাই-মে) পেরিয়ে গেলেও চার বড় দেশ ও সংস্থাগুলোর কাছ থেকে নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়নি। এই তালিকায় আছে জাপান, ভারত, রাশিয়া ও এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকও (এআইআইবি)। নতুন প্রতিশ্রুতি না দিলেও পুরোনো ঋণের অর্থ ছাড় করেছে তারা।

আজ মঙ্গলবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) জুলাই-মে মাসের বিদেশি ঋণ পরিস্থিতির হালনাগাদ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে এই চিত্র পাওয়া গেছে।

রাশিয়ার সঙ্গে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে অর্থ দিচ্ছে রাশিয়া। গত ১১ মাসে নতুন কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। বাংলাদেশও কোনো প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য রাশিয়াকে প্রস্তাব দেয়নি বলে ইআরডি সূত্রে জানা গেছে। গত ১১ মাসে রাশিয়া ছাড় করেছে ৯৩ কোটি ডলার।

বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার হলো জাপান। জাপানও গত ১১ মাসে কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। তবে একাধিক প্রকল্পে ঋণ নিয়ে ইআরডি জাপানের সঙ্গে আলোচনা চলমান রেখেছে বলে জানা গেছে। জুলাই-মে সময়ে আগের নেওয়া ঋণের ৪৩ কোটি ডলারের বেশি ছাড় করেছে জাপান।

এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকও (এআইআইবি) কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। তবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ (এডিবি) কয়েকটি বড় দাতা সংস্থার সঙ্গে কনসোর্টিয়াম ঋণে আগ্রহী এই সংস্থা। এ নিয়ে আলোচনা চলছে।

সবচেয়ে বেশি ঋণ দেয় এমন ৭টি বড় দাতা সংস্থা ও দেশের ৪টিই গত ১১ মাসে কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি। বিশ্বব্যাংক, এডিবি, চীনের কাছে ঋণের প্রতিশ্রুতি মিলেছে। এসব কারণে সার্বিকভাবে বিদেশি ঋণের প্রতিশ্রুতিও কমেছে। ইআরডি সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ৪২২ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে ৫৫০ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গিয়েছিল।

জুলাই-মে সময়ে আগের নেওয়া ঋণের বিপরীতে বাংলাদেশকে বিভিন্ন ঋণদাতা সংস্থা ও দেশকে ৪১৩ কোটি ২৩ ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে; যা বিদেশি ঋণ শোধে নতুন রেকর্ড। এ সময়ে বিদেশি ঋণ ও অনুদান এসেছে প্রায় ৪৫৮ কোটি ডলার।

জনপ্রিয়

চলতিঅর্থবছর ১১ মাস: ভারত, জাপান ও রাশিয়ার ঋণের অর্থপাওয়া যায়নি।

প্রকাশের সময় : ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

অনলাইন ২৩ জুন ২০২৬,

বড় দাতাদের কাছ থেকে ঋণসহায়তার প্রতিশ্রুতি মিলছে না। চলতি অর্থবছরের ১১ মাস (জুলাই-মে) পেরিয়ে গেলেও চার বড় দেশ ও সংস্থাগুলোর কাছ থেকে নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়নি। এই তালিকায় আছে জাপান, ভারত, রাশিয়া ও এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকও (এআইআইবি)। নতুন প্রতিশ্রুতি না দিলেও পুরোনো ঋণের অর্থ ছাড় করেছে তারা।

আজ মঙ্গলবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) জুলাই-মে মাসের বিদেশি ঋণ পরিস্থিতির হালনাগাদ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে এই চিত্র পাওয়া গেছে।

রাশিয়ার সঙ্গে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে অর্থ দিচ্ছে রাশিয়া। গত ১১ মাসে নতুন কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। বাংলাদেশও কোনো প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য রাশিয়াকে প্রস্তাব দেয়নি বলে ইআরডি সূত্রে জানা গেছে। গত ১১ মাসে রাশিয়া ছাড় করেছে ৯৩ কোটি ডলার।

বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার হলো জাপান। জাপানও গত ১১ মাসে কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। তবে একাধিক প্রকল্পে ঋণ নিয়ে ইআরডি জাপানের সঙ্গে আলোচনা চলমান রেখেছে বলে জানা গেছে। জুলাই-মে সময়ে আগের নেওয়া ঋণের ৪৩ কোটি ডলারের বেশি ছাড় করেছে জাপান।

এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকও (এআইআইবি) কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। তবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ (এডিবি) কয়েকটি বড় দাতা সংস্থার সঙ্গে কনসোর্টিয়াম ঋণে আগ্রহী এই সংস্থা। এ নিয়ে আলোচনা চলছে।

সবচেয়ে বেশি ঋণ দেয় এমন ৭টি বড় দাতা সংস্থা ও দেশের ৪টিই গত ১১ মাসে কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি। বিশ্বব্যাংক, এডিবি, চীনের কাছে ঋণের প্রতিশ্রুতি মিলেছে। এসব কারণে সার্বিকভাবে বিদেশি ঋণের প্রতিশ্রুতিও কমেছে। ইআরডি সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ৪২২ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে ৫৫০ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গিয়েছিল।

জুলাই-মে সময়ে আগের নেওয়া ঋণের বিপরীতে বাংলাদেশকে বিভিন্ন ঋণদাতা সংস্থা ও দেশকে ৪১৩ কোটি ২৩ ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে; যা বিদেশি ঋণ শোধে নতুন রেকর্ড। এ সময়ে বিদেশি ঋণ ও অনুদান এসেছে প্রায় ৪৫৮ কোটি ডলার।